পশ্চিমবঙ্গের ৯টি জেলায় সদস্য সংগ্রহে সব থেকে বেশি সাফল্য পেল বিজেপি

0
BJP-Mla
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: বেআইনি অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে সক্রিয় প্রচার এবং রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের ‘অপশাসন’কে হাতিয়ার করেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ দেশের মধ্যে এক নম্বরে উঠে এসেছে বলে দাবি করছেন দলীয় নেতৃত্ব। সারা রাজ্যের সমস্ত জেলা থেকেই কম-বেশি সদস্য সংগ্রহে সাফল্যে এলেও বিজেপির টার্গেট ছাপিয়ে গিয়েছে মূলত ন’টি জেলায়।

দলীয় সূত্রে খবর, সদস্য সংগ্রহ অভিযানে সব থেকে বেশি সাফল্য এসেছে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলগুলি থেকে। এগুলির মধ্যে রয়েছে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর এবং আলিপুরদয়ার। একই সঙ্গে মালদহ, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো জেলাতেও সদস্য সংগ্রহে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে বিজেপি।

বিজেপির দাবি, জঙ্গল মহলের পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রাম থেকেই ব্যতিক্রমী হারে সদস্য সংগ্রহ হয়েছে। এ ব্যাপারে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “এমন নয় যে আমরা শুধুমাত্র সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে ভাল পারফর্ম করেছি। আমরা ঝাড়গ্রাম ও মেদিনীপুরের মতো জায়গা থেকেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছি।”

তিনি বলেন, “সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তৃণমূলের দুর্নীতি, বেকারত্ব এবং অনুপ্রবেশ রোধে উদ্যোগের অভাবে সাধারণ মানুষ বিরক্ত হয়ে বিপুল সংখ্যায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন”।

দলের আদর্শপুরুষ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী সদস্যপদ অভিযানটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ গত ৬ জুলাই চালু করেছিলেন। যা ২০ আগস্টে শেষ হয়।

তবে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলায় সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলবে। ইতিমধ্যেই ৭৭ লক্ষ মানুষ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বঙ্গ-বিজেপিকে টার্গেট বেঁধে দেয় ৬০ লক্ষ সদস্য সংগ্রহের। পরে তা আরও ১০ লক্ষ বাড়ানো হয়। সব মিলিয়ে বাংলা বিজেপির কাছে টার্গেট ছিল ৭০ লক্ষ। সেই টার্গেট ছাপিয়ে এক কোটি সদস্য সংগ্রহের চ্যালেঞ্চ নিয়েছে গেরুয়া শিবির।

এ প্রসঙ্গে দলের কেন্দ্রীয় নেতা রাহুল সিনহা জানিয়েছেন, ” আমি মনে করি, এটা দারুণ সাফল্য। কেন্দ্রীয় স্তরের নেতারা আমাদের বাহবা জানিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, রাজ্যে বিজেপির সদস্য সংখ্যা ১ কোটি ছোঁবে”।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here