ওয়েবডেস্ক: আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের পুত্রবধূ ঐশ্বর্য রাইয়ের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার খবরে উত্তাল বিহারের রাজনৈতিক মহল। একটি জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে ওই খবর প্রকাশিত হওয়ার পরই হইচই পড়ে যায়।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, আরজেডি নেতা রাহুল তিওয়ারির বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন লালুপ্রসাদ যাদবের পুত্রবধু ঐশ্বর্য রাই। তিনি বলেন, “ছাপরার কন্যা” হিসাবে পরিচিত তেজপ্রতাপ-পত্নী যদি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তা হলে তিনি অবশ্যই জয়ী হতে পারেন। যদিও এ ব্যাপারে যাদব পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

Tej Pratap Yadav’s wife Aishwarya Rai

তবে এই বিষয়টি যে এখন বিহারের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার রসদ জুগিয়ে চলেছে, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে জেডি(ইউ) নেতৃত্বের মুখ খোলায়। দলের নেতা নীরজ কুমার বলেছেন, আরজেডির নেতা-কর্মীরা শুধু ড্রাম বাজাতেই থাকবেন। আর ভোটের সময়ে টিকিট পাবেন শুধু মাত্র লালুর পরিবারের সদস্যরাই। ওই দল কখনোই পরিবারতন্ত্র এবং দুর্নীতির ঊর্ধ্ব উঠে রাজনীতি করতে পারবে না।

তবে ঐশ্বর্যর রাজনীতিতে পদার্পণ বা দলের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা খুব একটা বেমানান ঠেকছে না আরজেডি সমর্থকদের কাছে। কারণ ঐশ্বর্যর ঠাকুর্দা কংগ্রেস নেতা দুর্গাপ্রসাদ রাই ন’মাস মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিহারের মুখ্যমন্ত্রিত্ব গ্রহণ করেন। এমনকী ঐশ্বর্যর বাবা চন্দ্রিকাপ্রসাদ রাইও একজন বিধায়ক। স্বাভাবিক ভাবেই রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বড়ো হয়ে ওঠা ঐশ্বর্যর রাজনীতিক ধ্যান-ধারণা নিয়ে কোনো সংশয় নেই।

কিন্তু ওই সংবাদ মাধ্যম ঐশ্বর্যর সম্ভাব্য নির্বাচনী কেন্দ্র হিসাবে যে লোকসভাটির উল্লেখ করেছে, তা বর্তমানে বিহারের ৪০টি লোকসভার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে!

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন