ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংহের পদত্যাগের পর পঞ্জাবের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে কারা এগিয়ে?

0
অমরিন্দর সিংহ। ফাইল ছবি

নভজ্যোত সিংহ সিধুর বিরুদ্ধে পাকিস্তান যোগের তত্ত্বে জোরালো প্রতিবাদ অমরিন্দর সিংহের। তা কে হতে পারেন পঞ্জাবের নতুন মুখ্যমন্ত্রী?

চণ্ডীগড়: বেশ কয়েক মাস ধরেই অন্তর্দ্বন্দ্বে জর্জরিত পঞ্জাব কংগ্রেস। যার ফলশ্রুতিতে শনিবার ইস্তফা দিলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংহ। সূত্রের খবর, নভজ্যোত সিংহ সিধুর শিবির থেকেই কেউ পঞ্জাবের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন।

সূত্র উদ্ধৃত করে ইন্ডিয়া টুডে-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সুনীল জাখর এখন পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম পছন্দ। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীপদে নিয়োগ করে হিন্দু মুখ্যমন্ত্রী এবং জাট শিখ পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতির সমন্বয়ের সুবিধা পেতে পারে কংগ্রেস। রাজ্য়ের আসন্ন বিধানসভা ভোটে বড়ো অংশের সমর্থন মিলতে পারে এই কৌশলেই।

আবার এমনটাও ধারণা করা হচ্ছে, সিং সিধু নিজেও এই শীর্ষপদে নিজের নাম তুলে ধরতে পারেন। কারণ সুনীল জাখর পঞ্জাব বিধানসভায় বিধায়ক নন। যদিও পাক-যোগের তত্ত্বে সিধুর বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ করছেন সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর।

সিধুর তীব্র বিরোধিতা করে এনডিটিভির কাছে অমরিন্দর বলেন, “আমার দেশের স্বার্থে, আমি পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর (নভজ্যোত সিংহ সিধু) নামের বিরোধিতা করব। এটা জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তাঁর বন্ধু। সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার সঙ্গে সিধুর সম্পর্ক রয়েছে”।

তিনি আরও বলেন, “নবজোত সিং সিধু একজন অযোগ্য মানুষ। আমার সরকারের কাছে তিনি ছিলেন একটি সম্পূর্ণ বিপর্যয়। আমি তাঁকে যে দফতরটা দিয়েছিলাম, সেটাই তিনি চালাতে পারেননি। এমনকী, সাত মাস ধরে শুধু ফাইলগুলোই পরিষ্কার করতেই পারেননি তিনি”।

তবে আরেকজনের নাম নিয়েও ব্যাপক জল্পনা চলছে। তিনি হলেন ফতেগড় সাহেবের বিধায়ক কুলজিৎ সিংহ নাগরা। তিনি সিধু শিবিরের নেতাদের মধ্যে অন্যতম। এ দিন কংগ্রেস পরিষদীয় দলের বৈঠকের আগে চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে দলীয় পর্যবেক্ষক অজয় ​​মাকেন এবং হরিশ চৌধুরীকে স্বাগত জানাতে যান।

এ দিকে, শনিবার চণ্ডীগড়ে কংগ্রেস পরিষদীয় দলের বৈঠকে দু’টি প্রস্তাব পাস হয়েছে। প্রথম প্রস্তাবটি ছিল পঞ্জাবের উন্নয়নে ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংহের নেতৃত্বাধীন সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করে।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী পঞ্জাবের নতুন মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করবেন এবং বিধানসভার সদস্যদের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে।

আরও পড়ুন: হাইকম্যান্ডের চাপের কাছে নতিস্বীকার, পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অমরিন্দর সিংহ

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন