Ryan-bus-conductor

গুড়গাঁও : রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র প্রদ্যুমন ঠাকুরের হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। তাকে তিনদিনের হেফাজতেও নিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে একাদশ শ্রেণির ছাত্রই যদি এই খুনে মূল অভিযুক্ত হয় তবে স্কুলবাসের কন্ডাক্টরকে কেন গ্রেফতার করেছিল গুড়গাঁও পুলিশ?

তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিক অভিষেক দয়াল জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী আগের ধারণার সঙ্গে কোনো মিল পাওয়া যাচ্ছে না। দেখা গেছে, যৌন নির্যাতনের সংযোগ নেই এই মামলায়। জানা গেছে অভিযুক্ত পড়াশোনায় ভালো নয়। সে চেয়েছিল পরীক্ষা আর শিক্ষক-অভিভাবক মিটিং পিছিয়ে যাক। অন্য ছাত্রদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে দেখা গিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজে। তাকেই মূল অভিযুক্ত বলে মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা।

ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, তদন্তকারী সংস্থার প্রশ্ন কেন বাস কন্ডাক্টরকে আশোক ঠাকুরকে প্রদ্যুমন খুনে ‘মূল অভিযুক্ত’ হিসাবে গ্রেফতার করল পুলিশ? হরিয়ানার ডিজি বিএস সিন্ধু পুলিশের পক্ষে দাঁড়িয়ে বলেছেন তদন্ত কোনো গাফিলতি নেই। সিবিআই-এর এক আধিকারিক ইন্ডিয়া টুডেকে জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অশোক জানিয়েছেন, গুড়গাঁও পুলিশ তাঁকে জোর করে প্রদ্যুমন খুনের কথা স্বীকার করিয়ে নিয়েছে।

আরও পড়ুন : প্রদ্যুমন হত্যা মামলায় একাদশ শ্রেণির ছাত্র গ্রেফতার, পরবর্তী শুনানি শনিবার 

শুধু তাই নয়, অশোক ঠাকুরকে দিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়ে বলা হয় মিডিয়ার সামনে খুনের কথা স্বীকার করতে। পুলিশের চাপের মুখে ঘটনার একদিন পর মিডিয়ার ক্যামেরার সামনে অশোক খুনের কথা স্বীকার করেন।

এই খুনের ঘটনার সঙ্গে বাস কন্ডাক্টরের কোনো যোগ নেই বলেই মনে করছে সিবিআই। প্রদ্যুমন খুনের সময় ঘটনাস্থলে ছিলই না অশোক ঠাকুর। এই খুনে মূল অভিযুক্ত ওই একাদশ শ্রেণির ছাত্রই বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here