TMC

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাবিত ‘এক দেশ এক ভোট’-এ আপত্তির কথা জানিয়ে আগেই চিঠি দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে গিয়ে নিজেদের তীব্র আপত্তির কথা জানিয়ে দিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আইন কমিশনের প্রস্তাবিত ওই ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন চালু হলে যে দেশের সংবিধানের গুরুত্ব খর্ব হবে, সে কথাই তিনি যুক্তি-সহ তুলে ধরেন।

কল্যাণবাবু বলেন, লোকসভা এবং বিধানসভার মেয়াদ পাঁচ বছর। সংবিধান মতে জনগণের রায়ে নির্বাচিত হওয়া কোনো সরকারের শাসক দল পাঁচ বছর মেয়াদের আগে সংখ্যাধিক্য না হারালে সরকার চালিয়ে যাবে। ফলে মেয়াদ শেষের আগে বা মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি এই প্রস্তাবকে কার্যকরী করা হয়, তাতে গণতন্ত্রের উপর আঘাত হানা হবে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ২০১৯ সালে দেখা গেল (তর্কের খাতিরে) কেন্দ্রে কোনো জোট সরকার গঠিত হল। কিন্তু ২০২০ সালে হয়তো সেই জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল। তখন কী ভাবে লোকসভার সঙ্গে সমস্ত রাজ্যগুলিরও বিধানসভা নির্বাচন সম্ভব? একই ঘটনা ঘটতে পারে রাজ্যগুলিতেও। তখনও কি আবার লোকসভা ভোট হবে?

সরকার বলছে, এক দেশ এক ভোট চালু হলে নির্বাচনের খরচ কমবে। সেই যুক্তিকে খণ্ডন করতে গিয়ে কল্যাণবাবু সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “মোদীর কোনো কাজ নেই। শুধু প্রকল্পের পর প্রকল্প নিয়ে চলছেন তিনি। মোদী বললেই সংবিধান বদল হয়ে যাবে না। তিনি প্রস্তাব দিলেই আইন হয়ে যায় না। তৃণমূল কংগ্রেস এই ধরনের অগণতান্ত্রিক প্রস্তাবের বিরোধিতা করছে”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here