তিনটি পর্যায়ে ‘কোভিড-১৯ জরুরি প্যাকেজ’ সরবরাহে অনুমোদন কেন্দ্রের

নয়াদিল্লি: কোভিড-১৯ (COVID-19) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে জাতীয় ও রাজ্য পর্যায়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজিয়ে পাঁচ বছরের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে কেন্দ্র। বুধবার কেন্দ্রীয় ভাবে অনুমোদিত এই প্রকল্পটির নামকরণ হয়েছে ‘কোভিড-১৯ এমারজেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড হেলথ সিস্টেম প্রিপেয়ার্ডনেস প্যাকেজ’। মোট তিনটি পর্যায়ে এই তহবিলটি সরবরাহ করা হবে।

কেন্দ্র জানিয়েছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে জুন, ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের মার্চ এবং ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের মার্চ- এই তিনটি ধাপে প্রকল্পটিতে তহবিল সরবরাহ করা হবে। যদিও প্রতিটি পর্বে ঠিক কী পরিমাণ তহবিল সরবরাহ করা হবে, সে বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট করে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

তবে জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থে কোভিড-১৯ হাসপাতাল, আইসিইউ এবং মেডিক্যাল সেন্টারগুলির উন্নয়নে ব্যবহৃত হবে।

জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের ডিরেক্টরের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “জরুরিকালীন ভিত্তিতে কোভিড নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে, জাতীয় ও রাজ্য পর্যায়ের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার প্রস্তুতি চলছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রয়োজনীয় ওষুধ কেনা এবং নজরদারি চালানোর ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই তহবিল গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষাগার নির্মাণ ও জৈব-সুরক্ষা পদ্ধতি গড়ে তোলার প্রস্তুতিও চলছে”।

প্রথম পর্যায়ে তালিকাভুক্ত কাজগুলির মধ্যে রয়েছে, হাসপাতাল ও সরকারি অ্যাম্বুলেন্সগুলির জীবাণুমুক্তকরণ, পাশাপাশি পিপিই (ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম) এবং সরকারি ভাবে এন -৯৫ ফেস মাস্ক কেনার বিষয়গুলিও।

আরও পড়ুন: কোভিড ১৯ আপডেট: মোট আক্রান্ত ৫৭৩৪

এই সপ্তাহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট তহবিল থেকে ১১,০৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। একই সঙ্গে গত মার্চ মাসে রাজ্যগুলির উদ্দেশেও তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় অর্থ বরাদ্দের নির্দেশ দেয় কেন্দ্র। রাজ্যের নির্দিষ্ট হাসপাতালগুলিকে শুধুমাত্র কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য নতুন করে পরিকাঠামো নির্মাণ-সহ আনুষঙ্গিক কাজে ওই অর্থ বরাদ্দের কথা বলা হয়। তবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য অনুমোদিত তহবিলটিতে একশো শতাংশ অর্থের জোগান দেবে কেন্দ্র।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.