bjp flag down

নয়াদিল্লি: প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ তথা ‘দ্য পাইওনিয়ার’ পত্রিকার সম্পাদক চন্দন মিত্র বিজেপি থেকে পদত্যাগ করলেন। তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই হয়তো তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন।

chandan mitra

গত ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যের হুগলি থেকে পদ্ম প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন চন্দনবাবু। তার আগে ২০০৩ এবং ২০১০ সালে দু’ বার রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত হয়েছিলেন বিজেপির তরফে। কিন্তু এর উপরে নয়াদিল্লির রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে দলের প্রথম সারির তাত্ত্বিক নেতা হিসাবেই তাঁর পরিচিতি। যে কারণে ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে দলের রণকৌশল নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা নিতে দেখা যায়। কিন্তু কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকার গঠনের পর ধীরে ধীরে দলের মধ্যে তাঁর বিচরণ ‘সীমিত’ হতে থাকে।

আরও পড়ুন: কৃষকের সমস্যা থেকে পেট্রোলের দাম, মোদী সরকারের সমালোচনায় চন্দন মিত্র

চন্দনবাবুর ঘনিষ্ঠ মহলের মতে, নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহ জুটি লালকৃষ্ণ আডবাণীর এই স্নেহধন্য নেতার ক্ষমতা খর্ব করতে থাকে। জানা গিয়েছে, চন্দনবাবু এই ‘পক্ষপাতিত্বের’ বিরুদ্ধে সরব হতেই দল থেকে পদত্যাগ করেন। তবে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন কি না, সে বিষয়ে দলীয় ভাবে কিছু জানা যায়নি।

আরও পড়ুন: লোকসভায় ক’টা আসন পেতে পারে এনডিএ? কী বললেন বিজেপি নেতা চন্দন মিত্র

যদিও চন্দনবাবুর এই সিদ্ধান্ত নিছক আকস্মিক নয়। উত্তরপ্রদেশের উপনির্বাচন থেকেই মোদী সরকারের সুকৌশলী সমালোচনায় একাধিক বার কলম ধরেছেন তিনি। কইরানা লোকসভার উপনির্বাচনের আগে থেকেই তিনি ভিন্ন ভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে মোদী সরকারের কৃষিনীতি নিয়ে সমালোচনামূলক প্রবন্ধ লেখেন। যার ফলস্বরূপ সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে দিনের পর দিন বিজেপি সমর্থকদের তরফে তীব্র কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here