BJP And CPIM

ওয়েবডেস্ক: পার্শ্ববর্তী মেঘালয়ে ভোট প্রচারে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যতই সুর চড়াচ্ছেন, ভোট হয়ে যাওয়া ত্রিপুরায় যেন ততই সুর নরম হচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বের। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের পরেও তাঁরা জয়ের ব্যাপারে যতটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন, যত দিন গড়াচ্ছে তাতে যেন সামান্য হলেও চিড় ধরছে।

ত্রিপুরায় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা বিজেপির এক প্রথম সারির নেতা ঘনিষ্ট মহলে মন্তব্য করেন, ‘আমরা জিতছিই। তবে যদি হেরে যাই তাতেও ক্ষতি নেই। এ বারের নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের মানুষের হৃদয়ে অনেকটাই জায়গা করে নিতে পেরেছে বিজেপি। ফলে হেরে গেলেও সেই জায়গাটা রয়ে যাবে।’

ওই নেতার দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৯ সালে ত্রিপুরায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ১০ হাজার। এর পর অনলাইনে সদস্যপদ দেওয়া শুরু হলে সেই সংখ্যা ২০১৫-তে দাঁড়ায়  এক লক্ষ ৭৫ হাজার। এর মধ্যে যেখানে অনলাইন সুবিধা পাওয়া যায় না, সেখানে হাতে হাতে প্রায় ২৫ হাজার সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন ত্রিপুরার মোট ভোটার সংখ্যা ২৫ লক্ষ। এর মধ্যে প্রায়  চার লক্ষের কাছাকাছি রয়েছেন বিজেপি সদস্য। ত্রিপুরায় দল ক্ষমতায় এলে ওই সংখ্যা যে নদীর বানের মতোই হু-হু করে বাড়বে সে বিষয়ে আশাবাদী নেতৃত্ব। তবে ক্ষমতায় না আসতে পারলেও যে রাজ্যবাসীর কাছে কংগ্রেসের জায়গা স্থায়ী ভাবে দখল করতে পারবে, সে আশাও ছাড়ছেন না তাঁরা।

তাঁদের আরও দাবি, এই ভোটেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে কংগ্রেসের কোনো প্রভাবই রাজ্যে আর নেই। সেই জায়গায় চলে এসেছে বিজেপি। এ বার যদি ক্ষমতার পরিবর্তন হয়, তবে বিজেপি ছাড়া অন্য কোনো দলকেই চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন না রাজ্যবাসী।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন