নয়াদিল্লি : ইচ্ছা করলেই ভারতের জলসীমায় ঢুকে পড়তে পাড়ে যুদ্ধবিমান বহনকারী চিনা জাহাজ। ভারতীয় উপকূলে চিনা নৌবাহিনীর উপস্থিতির প্রসঙ্গে এ কথা বলেন ‘ইউনাইটেড স্টেটস প্যাসিফিক কম্যান্ডের’-এর জুনিয়র কম্যান্ডার অ্যাডমিরাল হ্যারি হ্যারিস।

এর পাশাপাশি অ্যাডমিরাল মনে করিয়ে দেন যে ভারতীয় সমুদ্রে চিনা প্রভাব বেড়ে যাওয়া একটা গভীর চিন্তার বিষয়। যুদ্ধবিমান বহনকারী চিনা জাহাজ ভারতের সমুদ্রে ঢোকার প্রসঙ্গে অ্যাডমিরাল বলেন, “এই মুহূর্তে এমন কিছু নেই যা চিনা জাহাজের ভারতের জলসীমায় প্রবেশ করা আটকানো যেতে পারে।” তবে ভারতের জন্য আশ্বস্ত করার মতো কোথাও বলেন ওই অ্যাডমিরাল। তিনি বলেন, “বিমানবহনকারী জাহাজ চালানোর ব্যাপারে চিনের থেকে বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে ভারতের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই অভিজ্ঞতাও কাজে লাগে।”

ভারত আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে চিনা যুদ্ধজাহাজ আর সাবমেরিনের চলাচল পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানান তিনি। তবে কী ভাবে তারা এই কাজ করছে সে ব্যাপারে খোলসা করেননি তিনি।

উল্লেখ্য, গত তিন বছর ধরে, সোমালীয় জলদস্যুদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত মহাসাগর অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ মজুত রেখেছে চিন। তবে ভারতীয় নৌসেনার মতে, সোমালীয় জলদস্যুদের বিরুদ্ধে লড়াই নয়, আদতে ভারতকে কৌশলগত ভাবে ঘিরে রাখার জন্যই এই পন্থা নিয়েছে চিন।

চিনের সঙ্গে পাকিস্তানের বন্ধুত্ব সম্পর্কে হ্যারি হ্যারিস বলেন, “চিনের সঙ্গে পাকিস্তানের বন্ধুত্ব একটা গভীর চিন্তার বিষয়। চিন নিজে একটা শক্তিশালী দেশ, কিন্তু সেটা কোনো সমস্যা নয়। সমস্যাটা তখন তৈরি হবে যখন সেই শক্তি আগ্রাসনে পরিণত হবে। এটা শুধু ভারত নয়, গোটা বিশ্বের কাছেই চিন্তার বিষয়।”

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here