lucknow stabbing

লখনউ: আর একটু হলেই রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রদ্যুম্ন হত্যার পুনরাবৃত্তি ঘটতে চলেছিল। প্রদ্যুম্ন হত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই অনেকটা একই ধরনের ঘটনা ঘটল লখনউয়ে। প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রকে ছুরি দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠল ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে।

বুকে এবং পেটে গভীর ক্ষত নিয়ে লখনউয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ছাত্রটি। তবে সে এখন বিপন্মুক্ত। এই ঘটনার পিছনে ‘ব্লু-হোয়েল’ গেমের হাত দেখছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুলের ডিরেক্টর জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্তে সিসিটিভির ৭০টি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বুধবার রাতে পুলিশকে ছাত্রটি জানিয়েছে যে ছুরি দিয়ে কোপানোর সময়ে ওই ছাত্রীটি তাকে বলেছিল যে স্কুল যাতে তাড়াতাড়ি ছুটি হয়ে যায় সে জন্যই সে এই কাণ্ডটা করছে। ঘটনাটি মঙ্গলবার ঘটেছে। কিন্তু ঘটনাটির ব্যাপারে জানাজানি হয়েছে যখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

ঘটনার সময়ে, স্কুলের বাথরুমে ছাত্রটিকে বারবার কুপিয়ে তাকে বাথরুমে ফেলে রেখে দরজা বন্ধ করে চলে যায় ওই ছাত্রী। ছেলেটির কান্নার আওয়াজ পেয়ে তাকে বাথরুম থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় স্কুলের এক শিক্ষক অমিত সিংহ চৌহান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই পুলিশ এবং ছেলেটির বাড়ির লোকদের খবর দেয়।

স্কুল কেন পুলিশকে খবর দিল না, এ ব্যাপারে জবাব চেয়ে তাদের শো-কজ নোটিস পাঠিয়েছে জেলা পর্যবেক্ষক। অন্য দিকে অভিযুক্ত ওই ছাত্রীটিকেও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত বছর ৮ সেপ্টেম্বর, গুরুগ্রামের রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৭ বছরের প্রদ্যুম্ন ঠাকুরকে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৬ বছর বয়সি, দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রকে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here