ভডনগর: ভোটের টানে ঘরে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত ১ মাসে তিন বার গুজরাটে এসেছেন ভোটের প্রচারে। কিন্তু রবিবারটা ছিল আলাদা। অমদাবাদ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অখ্যাত জনপদ ভডনগরেই মোদীর বেড়ে ওঠা। সেখানেই পা রাখলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ২০১৪ সালে গুজরাট ছেড়ে দিল্লির ৭ রেসকোর্স ভবনে চলে আসার পর এই প্রথম।

নিজের স্কুলে ঢুকে মাটিতে মাথা ছোঁয়ালেন মোদী

স্বাভাবিক ভাবেই ঘরের ছেলের ঘরে ফেরার দিনটায় সেজে উঠেছিল ভডনগর। তার ওপর সেই ছেলে যখন প্রধানমন্ত্রী। শহরে পৌঁছে হলিপ্যাড থেকে মন্দির পর্যন্ত গোটা পথটায় রোড শো করলেন প্রধানমন্ত্রী। কথা ছিল না, কিন্তু নিজের স্কুলের সামনে পৌঁছে হঠাৎই নেমে গেলেন নিজের এসইউভি থেকে। স্কুলে পৌঁছে মাটিতে মাথা ছুইয়ে প্রণাম করলেন। সেই ২০১৪ সালে সংসদে ঢোকার সময় যেমন করেছিলেন। মোদীকে দেখার জন্য ভেঙে পড়েছিল শহর। তাঁদের বললেন, আজ তিনি যা হয়েছেন, তা ভডনগরের মাটি থেকে শেখা মূল্যবোধের জোরেই। বললেন, ভডনগরের ভালোবাসা তাঁকে আরও ভালো করে দেশসেবায় প্রেরণা দেবে।

মোদীআর জন্য সাজানো ছিল চায়ের দোকান। তিনি এলেন না।

গোটা শহরের মতো সেজেছিল ছোট্ট ভডনগর রেল স্টেশনটিও। যে চা এর দোকানে মোদী বাবা-কাকাকে সাহায্য করতেন, সেটি এখন পরিত্যক্ত। তবু সেটিকেও সাজানো হয়েছিল জোরদার। পাশে একটি কফি স্টলও তৈরি করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের ভোটের আগে মোদীর চা বিক্রেতা ভাবমূর্তিকে বিপণন করতে ‘চেয়ে পে চর্চাা’ নামে এক অভিনব প্রচার কৌশল নিয়েছিল বিজেপি। এতদিন পর সেই শহরে ফিরে কিন্তু সেই চায়ের দোকানের ধারপাশ মারালেন না ‘হিন্দু হৃদয়সম্রাট’। চওলা ইমেজ বিক্রির প্রয়োজন ফুরিয়েছে হয়তো তাঁর। অথবা অন্য কোনো কারণ। ৫৬ ইঞ্চির হৃদয়ের ভেরতের কথা জানা তো সহজ নয়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here