ওয়েবডেস্ক: ‘লৌহপুরুষ’ লালকৃষ্ণ আডবাণীর ‘অপমানের’ তীব্র প্রতিবাদ জানাল কংগ্রেস। জোর করে তাঁর আসন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করলেন কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সিংহ সুরজেওয়ালা।

প্রথম থেকে বিজেপি বলে আসছিল তাদের প্রার্থী তালিকায় চমক থাকবে। কিন্তু শুভ মুহূর্ত দেখে ঘোষিত বিজেপির প্রার্থী তালিকাতে সত্যি অন্য এক চমক দেখা গেল। যে গান্ধীনগর কেন্দ্র থেকে এতদিন জিততেন আডবাণী, সেই কেন্দ্র থেকে এ বার লড়বেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। এই প্রথম সরাসরি ভোট দাঁড়াচ্ছেন অমিত। কিন্তু তার জন্য আডবাণীকে বলিদান করতে হয়েছে।

মোদী-শাহ জুটি বিজেপির দায়িত্বে আসার পরেই ‘মার্গদর্শক মণ্ডলী’তে ঠাঁই হয়েছিল লালকৃষ্ণ আডবাণী, মুরলীমনোহর জোশীর মতো প্রবীণ নেতাদের। পাঁচ বছরে যে ‘মণ্ডলী’র নেতাদের এক বারও ‘মার্গদর্শন’ করতে দেওয়া হয়নি। এই প্রসঙ্গেই সুরজেওয়ালা বলেন, “প্রথমে জোর করে লালকৃষ্ণ আডবাণীকে মার্গদর্শক মণ্ডলীতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ বার তাঁর আসনও কেড়ে নেওয়া হল। মোদী যখন দলের প্রবীণ নেতাদেরই সম্মান করতে পারেন না, দেশের জনতাকে কী করে করবেন? বিজেপি ভাগাও, দেশ বাঁচাও।’’

আরও পড়ুনরাজ্যে আরও ২৬ প্রার্থী চূড়ান্ত করে ফেলল কংগ্রেস

কিন্তু আডবাণীকে প্রার্থী না করার ক্ষেত্রে বিজেপি শিবির মোটামুটি দু’ভাগ। একটা শিবিরের দাবি, নিজেদের সমীক্ষায় বিজেপি জানতে পেরেছে গান্ধীনগর কেন্দ্র থেকে আডবাণী দাঁড়ালে, তিনি নাকি জিততে পারতেন না। যদিও সেই দাবি খণ্ডন করেছে অন্য এক শিবির। তাদের দাবি, গান্ধীনগর আসন ১৯৮৯ সাল থেকে বিজেপির গড়। সেখানে আডবাণী জিততে পারতেন না, এ ধারণা ভুল।

এককালে যাঁর জন্য দেশে বিজেপির এত উত্থান, সেই আডবাণীর সঙ্গে এ বার কি বিজেপির সম্পর্ক পাকাপাকি ভাবে ছিন্ন হতে চলল, এই প্রশ্নই ঘুরছে দিল্লির অন্দরে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here