মোক্ষম চাল কংগ্রেসের, এই শর্ত মানলে তবেই সেনাকে সমর্থন

0

মুম্বই: আদর্শগত দিক থেকে দু’টি বিপরীতধর্মী দলের এক সঙ্গে পথ চলা এক্কেবারেই সুবিধার ব্যাপার নয়। পরতে পরতে বাধাবিপত্তি আসতে পারে। তবে বিজেপিকে ঠেকিয়ে রাখার জন্য সেনাকে সমর্থনের ব্যাপারে কংগ্রেস কিছুটা নমনীয় হয়েছে।

যদিও কংগ্রেসের সমর্থন পেতে গেলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে হবে শিবসেনা। এই শর্তগুলি তাদের পক্ষে মেনে চলা বেশ কষ্টকর বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

অযোধ্যা ইস্যু উদ্ধব ঠাকরের অন্যতম অস্ত্র। বিজেপিকে আক্রমণ করতে মাঝেমধ্যেই অযোধ্যার রামমন্দির প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন তিনি। কিন্তু কংগ্রেস আর এনসিপির শর্ত হল, উদ্ধব মুখ্যমন্ত্রী হলে রামমন্দিরের ব্যাপারে প্রকাশ্যে কিছু বলবেন না তিনি।

যদিও উদ্ধব এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি রামমন্দির ইস্যু থেকে এ বার সরে আসতে চান। সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “ভগবান রাম তাঁর কথা রেখেছেন। এ বার এগিয়ে চলার সময়।”

এ ছাড়াও এই জোট সরকার গঠনে কংগ্রেসের আরও একটি শর্ত আছে বলে খবর। সেটা হচ্ছে ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে।

প্রথমে ঠিক ছিল, মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন করবে শিবসেনা এবং এনসিপি মিলে, কংগ্রেস বাইরে থেকে সমর্থন দেবে। কিন্তু এখন ব্যাপারটা কিছুটা অন্য রকম।

সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর পদ ৫০:৫০ ভাগাভাগি নিয়ে সেনাকে রাজি করিয়ে ফেলেছে এনসিপি। ঠিক হয়েছে, প্রথম আড়াই বছরের জন্য উদ্ধব ঠাকরে মুখ্যমন্ত্রী হবেন। পরবর্তী আড়াই বছর এই পদ সামলাবেন এনসিপির কেউ।

আরও পড়ুন প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকা কট্টর আরএসএস প্রচারক এখন মহারাষ্ট্রের হর্তাকর্তাবিধাতা

কংগ্রেস এখন উপমুখ্যমন্ত্রিত্বের পদটি দাবি করছে। সেই সঙ্গে তাদের আরও দাবি যে মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকারের পদটিও তাদের দিতে হবে।

তিন দলের মধ্যে মন্ত্রিত্বের সমপরিমাণ ভাগাভাগি হবে বলেও ঠিক হয়েছে। স্বরাষ্ট্র বা অর্থের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতর কোন দল পাবে, সেই নিয়ে অবশ্য এখনই কিছু আলোচনা এখনও হয়নি।

এখন দেখার মহারাষ্ট্রে নতুন ধরনের এই সরকার গঠন হয় কি না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.