Rahul Gandhi

ওয়েবডেস্ক: রাহুল গান্ধীর ইস্তফার পরই কংগ্রেসের দায়িত্ব আপাতত দেওয়া হয়েছে মতিলাল ভোরার হাতে। তবে একই সঙ্গে শোনা যাচ্ছে, জাতীয় কংগ্রেসের নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে সুশীল কুমার সিন্ধে এবং মল্লিকার্জুন খাড়গের নাম উঠে এল জল্পনায়। কংগ্রেসের একটি মহলের মতে, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরার জন্য এই দুই নেতার মধ্যে এক জনকেই বেছে নেওয়া হতে পারে।

এ বারের লোকসভা ভোটের ফলাফল বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়ে কংগ্রেসের হারের দায় নিজের কাঁধেই তুলে নিয়েছেন রাহুল গান্ধী। একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করে তিনি বুধবারই সভাপতিপদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা পাকাপোক্ত ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। এর পরই পরবর্তী সভাপতির নাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে কংগ্রেসের অন্দরমহলে।

এর আগে দলের সভাপতিপদে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলৌত এবং মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের নাম নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। তবে উভয়েই এই ধরনের জল্পনাকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে এ দিনের প্রেক্ষাপটটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। কয়েক ঘণ্টা আগেই সভাপতিপদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার অনড় মনোভাবেপর চরম বহির্প্রকাশ করেছেন রাহুল।

রাহুলের এই সিদ্ধান্ত যদি অপরিবর্তিত থাকে তা হলে এই নিয়ে তৃতীয় বার নেহরু-গান্ধী পরিবারের বাইরের কোনো নেতা সভাপতিপদে বসতে চলেছেন। এর আগে পি ভি নরসিমা রাও এবং সীতারাম কেশরী কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছেন।

কংগ্রেস নেতা সুশীলকুমার সিন্ধের বয়স এখন ৭৭, তিনি মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন। তাঁকে দল ২০০২ সালে সহ-সভাপতি পদের জন্য মনোনয়ন করে।

অন্য দিকে খাড়গের বয়স এখন ৭৬, গত লোকসভায় তিনিই ছিলেন কংগ্রেসের দলনেতা। তাঁর নেতৃত্বে একাধিক দুর্নীতি নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে দেখা গিয়েছে কংগ্রেসকে। এর আগে কংগ্রেস জমানায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছিলেন তিনি।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here