temple thief delhi

ময়ূরী কীভাবে তার সাবকের জন্ম দেয়, সেই তত্ত্ব গত ২৪ ঘণ্টায় রীতিমত ‘জনপ্রিয়’ হয়ে উঠেছে সারা দেশে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচারপতির মন্তব্য নিয়ে হাসি মজার রেশ কাটেনি এখনও।   “ময়ূর কখনওই সঙ্গম করে না। ময়ূরের চোখের জল পান করে গর্ভবতী হয় ময়ূরী”, সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এরকমটাই বলেছেন রাজস্থান হাইকোর্টের বিচারপতি মহেশচন্দ্র শর্মা। এই মন্তব্য স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে বিচারপতিদের নানা মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের ট্র্যাডিশনকে।

২০১৩সালে দিল্লির স্পেশাল ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে বিচারপতি বীরেন্দ্র ভাট মন্তব্য করেছিলেন, এই প্রজন্মের তরুণীদের প্রথমে প্রেমিককে সঙ্গমের অনুমতি দেওয়া এবং পরে তার বিরুদ্ধেই ধর্ষণের অভিযোগ আনার প্রবণতা অত্যন্ত বিরক্তিকর। বিচারপতি ভাটের কথায় “শরীরী চাহিদা মেটাতে এরা নিজেরাই সঙ্গীর সঙ্গে পালায়, পরে অভিভাবকদের শাসন থেকে পার পাওয়ার জন্য কিডন্যাপিং-এর গল্প ফাঁদে”। তিনি আরও বলেন, “বিয়ের প্রতিশ্রুতি পেয়েই যদি কোনো শিক্ষিত মহিলা তাঁর বন্ধু কিংবা সহকর্মীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে আবদ্ধ হন, সেক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি ভাঙ্গলে ছেলেটিকে দোষ দেওয়া যায় না। প্রাক-বিবাহ সঙ্গম শুধু অনৈতিক নয়, ধর্ম বিরুদ্ধ, সমাজ এটা মেনে নিতে পারে না”।

বিতর্ক কখনোই পিছু ছাড়েনি প্রাক্তন বিচারপতি মার্কন্ডেও কাটজুর। ক্যাটরিনা কাইফকে তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে চান, এমন মন্তব্য করে রাতারাতি এসেছিলেন আলোচনায়। পরে তিনি সাফাই দিতে গিয়ে বলেন, “রাজনীতিকরা জনকল্যাণের স্বার্থে কিছুই করেন না, অনেক কথা দিয়ে থাকেন যদিও। কিন্তু কাউকে তো একটা থাকতে হবে, অতএব একটা সুন্দর মুখই থাক, গণমাধ্যমে যে মুখটার দিকে তাকিয়ে সাময়িক সুখটুকু অন্তত পাওয়া যাবে।” ওহ! কাটজু মহাশয় কিন্তু একটা শর্তেই ক্যাটরিনাকে রাষ্ট্রপতির আসনে দেখতে চেয়েছিলেন। উদ্বোধনের সময়ে ‘শীলা কি জওয়ানি’ নাচলে তবেই। এখানেই শেষ নয়, এর আগে কখনও সমকামীতাকে অর্থহীন বলে, ৯০ শতাংশ দেশবাসীকে মূর্খ বলে অথবা আশি শতাংশ হিন্দু মুসলিমকে সাম্প্রদায়িক বলেও বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন এই প্রাক্তন বিচারপতি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন