Connect with us

দেশ

লকডাউন শেষ হওয়ার আগে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ছুঁতে পারে, বলছে পরিসংখ্যান

নয়াদিল্লি: লকডাউন ঘোষণার প্রায় দু’সপ্তাহ পরেও দেশের কয়েকটি রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। তবে আশার কথা, গত ২৪ ঘণ্টায় শেষ কয়েক দিনের তুলনায় সংক্রমণের সংখ্যা কিছুটা হলেও কমেছে। তবু একটি পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমান বৃদ্ধির হার অব্যাহত থাকলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কোভিড-১৯ (Covid-19) আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ছোঁবে।

আগামী ১৪ এপ্রিল চলমান লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুয়ায়ী, সারা দেশে কোভিড -১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৪,৪২১, মারা গিয়েছেন ১১৪ জন। অন্য দিকে গত আট দিনে দেশে করোনাভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্তের হার দ্বিগুণ হয়েছে, আগামী সপ্তাহে এ বার তা ছয় থেকে চার দিনেই হতে পারে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ১৫- ২০ মার্চ পর্যন্ত প্রতি পাঁচ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছিল। তবে ২০-২৩ মার্চের মধ্যে তিন দিনেই আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটা বেড়ে যায়।

২৩-২৯ মার্চ পর্যন্ত প্রতি ছয় দিনে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই সময়ে সংক্রামিত বৃদ্ধির হার সংক্ষিপ্ত ভাবে হ্রাস পেয়েছিল। কিন্তু ২৯ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল প্রতি চার দিনে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছিল।

ক্রমবর্ধমান সংক্রমণের কথা স্বীকার করলেও গত রবিবার কেন্দ্র জানায়, গত মাসে দিল্লির নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় জমায়েতের ঘটনার জন্য ৭.৪ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছিল। ওই ঘটনা না ঘটলে এই বৃদ্ধির হার অনেকটাই হ্রাস পেত।

আরও পড়ুন: ভারতে করোনায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা গত কয়েক দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন

এর পর গত সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান ঘোষণার সময় বলা হয়, তবলিগ জামাতের সঙ্গে যুক্ত আক্রান্তরা মোট আক্রান্তের এক তৃতীয়াংশ।

দেশ

গুজরাতের কারখানায় বিস্ফোরণ থেকে আগুন, মৃত ৮, জখম ৪০

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বুধবার বিকেলে গুজরাতের (Gujarat) দহেজে (Dahej) একটি রাসায়নিক কারখানায় (chemical plant) বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে গেলে আট জন শ্রমিক প্রাণ হারান এবং অন্তত পক্ষে ৪০ জন আহত হন। গোটা কারখানা আগুনে ঢেকে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দমকলের ১০টি ইঞ্জিন কাজে লাগানো হয়।

কারখানার আশেপাশের দু’টি গ্রামের অধিবাসীদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। রাসায়নিক থেকে সৃষ্ট আগুনের ধোঁয়া বিষাক্ত বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক।

পুলিশ ইনসপেক্টর বিপুল গগিয়া সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানান, “রাসায়নিক কারখানায় বয়লার ফেটে (boiler blast) ৮ জন মারা গিয়েছেন।”

কারখানাটি একটি খোলামেলা জায়গায় অবস্থিত। বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে গেলে গোটা জায়গাটি ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।

ভারুচের কালেক্টর এমডি মদিয়া বলেন, “একটি অ্যাগ্রো-কেমিক্যাল বয়লার বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে যায়। গোটা কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ৩৫-৪০ জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হন। এঁদের ভারুচের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।”

এই কারখানার মালিক যশস্বী রসায়ন প্রাইভেট লিমিটেড (Yashashvi Rasayan Pvt Ltd)। এখানে শিল্পে ব্যবহারযোগ্য ১৫টি রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদিত হয়।

উল্লেখ্য, গত মাসে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এলজি পলিমার্স ইন্ডিয়ার একটি কারখানা থেকে রাসায়নিক লিক করে ১১ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০০ জন অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে পাঠাতে হয়। আরও হাজারের বেশি লোক অল্পবিস্তর অসুস্থ বোধ করেন, তবে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়নি। করোনাভাইরাস লকডাউনের জেরে ওই কারখানাটি বন্ধ ছিল।  

পড়তে থাকুন

দেশ

দিল্লি ও তার আশেপাশে ফের ভূমিকম্প

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আবার ভূমিকম্প (earthquake) দিল্লি (Delhi) ও তার আশেপাশে। রিখটার স্কেলের (Richter Scale) মাত্রায় এই ভূমিকম্প খুব বেশি না হলেও, পর পর কম্পনে ওই অঞ্চলের অধিবাসীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হচ্ছে। এ দিনের ভূমিকম্পে অবশ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার রাত ১০.৪২ মিনিটে দিল্লি, নয়ডা এবং তার আশেপাশে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.২।

আরও পড়ুন: রাত্রে ভূমিকম্প দিল্লি ও তার আশেপাশে, উৎসস্থল রোহতক

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (NCS) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসকেন্দ্র ছিল নয়ডার ১৯ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগর জেলার একটি জায়গায়। ভূপৃষ্ঠের ৪ কিমি গভীরে এই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে রাতে ৪.৬ ও ২,৯ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়েছিল রোহতকে। যার ফলে দিল্লি ও তার আশেপাশের এলাকা কিছুক্ষণ সময়ের তফাতে দু’ বার কেঁপে উঠেছিল।

পড়তে থাকুন

দেশ

দিল্লিতে পৌঁছোলেই সাত দিনের জন্য বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ট্রেন, বিমান বা বাস – যিনি যে ভাবেই দিল্লি (Delhi) পৌঁছোন না কেন, তাঁকে বাধ্যতামূলক ভাবে সাত দিন হোম কোয়ারান্টাইনে (home quarantine) থাকতে হবে। দিল্লি সরকার তাদের আগের নির্দেশিকা সংশোধন করে এ কথা জানিয়েছে।

আগে বলা হয়েছিল, কাউকে কোনো কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে না। নতুন নির্দেশিকা মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আগে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল তাতে বলা হয়েছিল, কেউ বাইরে থেকে দিল্লিতে এলে তাঁকে ১৪ দিন নিজেকে নজরে রাখতে হবে। করোনাভাইরাসের (coronavirus) কোনো উপসর্গ দেখা দিলে ডিসট্রিক্ট সার্ভেইল্যান্স অফিসার বা ন্যাশনাল কল সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

গত সপ্তাহ থেকে দিল্লিতে কিছু কড়াকড়ি শিথিল করা হয়েছে। ফলে করোনাভাইরাসে সংক্রমিতের সংখ্যা বেশ বেড়েছে। তাই নির্দেশিকা সংশোধন করা হয়েছে।

এখন দিল্লিতে সংক্রমিতের সংখ্যা ২৩৬৪৫। গত সাত দিন ধরে গড়ে দৈনিক ১২০০ মতো মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। এখনও কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা প্রচুর। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন ছাড়া অন্য সব কাজের জন্য সীমানা সিল করে দিয়েছে দিল্লি।

পড়তে থাকুন

নজরে