Connect with us

দেশ

প্রতিদিন দেশের দেড় লক্ষ মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেবে প্রশান্ত কিশোরের টিম

ওয়েবডেস্ক: করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনের জেরে দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এল ভোট-কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের (prashant kishor) সংস্থা আই-প্যাক। জানা গিয়েছে, আগামী রবিবার থেকে সংস্থা দেশের বিভিন্ন জায়গায় কমপক্ষে দেড় লক্ষ মানুষের জন্য রান্না করা খাবার পৌঁছে দেবে।

আই-প্যাকের টুইটার হ্যান্ডলে পরিকল্পনার বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরে বলা হয়েছে, দেশের ২০-২৫টি শহরে সংস্থার তত্ত্বাবধানে খাবার রান্না করা হবে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘সবকি রসৌই’। লক্ষ্য, কোনো মানুষই যেন অনাহারে না থাকেন।

এমনিতে রাজনীতি এবং রাজনীতিকদের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক প্রশান্ত কিশোরের। তাঁর সংস্থা দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল থেকে পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ করছে। তবে ভোট-রাজনীতির বাইরেও যে কঠিন সময়ে সমাজের প্রতি পৃথক দায়বদ্ধতা রয়েছে, সেটাই প্রমাণ করছেন তিনি।

ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগে লকডাউনে সংকটে পড়া মানুষের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই ভাবে দুর্গতদের জন্য আগামী ১০ দিন খাবার পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে পিকের টিম। বলা হয়েছে, লকডাউনের সময় যাবতীয় নির্দেশিকা মেনেই প্রায় হাজারখানেক স্বেচ্ছাসেবক এই কর্মযজ্ঞে শামিল হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: নিজেদের চারতলা অফিসবাড়িও করোনা চিকিৎসায় ছেড়ে দিতে রাজি গৌরী, শাহরুখ খান

সংস্থা জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই পরীক্ষামূলক ভাবে তারা সফল হয়েছে। তারা আড়াই থেকে সাড়ে হাজার মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দিয়েছে। এ বার সেই পরিকল্পনাই বৃহৎ আকারে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বলা হয়েছে, ৬৯০০৮ ৬৯০০৮ নম্বরে যোগাযোগ করে যে কোনা আগ্রহী সহনাগরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারে।

দেশ

গুজরাতের কারখানায় বিস্ফোরণ থেকে আগুন, মৃত ৮, জখম ৪০

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বুধবার বিকেলে গুজরাতের (Gujarat) দহেজে (Dahej) একটি রাসায়নিক কারখানায় (chemical plant) বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে গেলে আট জন শ্রমিক প্রাণ হারান এবং অন্তত পক্ষে ৪০ জন আহত হন। গোটা কারখানা আগুনে ঢেকে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দমকলের ১০টি ইঞ্জিন কাজে লাগানো হয়।

কারখানার আশেপাশের দু’টি গ্রামের অধিবাসীদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। রাসায়নিক থেকে সৃষ্ট আগুনের ধোঁয়া বিষাক্ত বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক।

পুলিশ ইনসপেক্টর বিপুল গগিয়া সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানান, “রাসায়নিক কারখানায় বয়লার ফেটে (boiler blast) ৮ জন মারা গিয়েছেন।”

কারখানাটি একটি খোলামেলা জায়গায় অবস্থিত। বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে গেলে গোটা জায়গাটি ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।

ভারুচের কালেক্টর এমডি মদিয়া বলেন, “একটি অ্যাগ্রো-কেমিক্যাল বয়লার বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে যায়। গোটা কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ৩৫-৪০ জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হন। এঁদের ভারুচের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।”

এই কারখানার মালিক যশস্বী রসায়ন প্রাইভেট লিমিটেড (Yashashvi Rasayan Pvt Ltd)। এখানে শিল্পে ব্যবহারযোগ্য ১৫টি রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদিত হয়।

উল্লেখ্য, গত মাসে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এলজি পলিমার্স ইন্ডিয়ার একটি কারখানা থেকে রাসায়নিক লিক করে ১১ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০০ জন অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে পাঠাতে হয়। আরও হাজারের বেশি লোক অল্পবিস্তর অসুস্থ বোধ করেন, তবে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়নি। করোনাভাইরাস লকডাউনের জেরে ওই কারখানাটি বন্ধ ছিল।  

পড়তে থাকুন

দেশ

দিল্লি ও তার আশেপাশে ফের ভূমিকম্প

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আবার ভূমিকম্প (earthquake) দিল্লি (Delhi) ও তার আশেপাশে। রিখটার স্কেলের (Richter Scale) মাত্রায় এই ভূমিকম্প খুব বেশি না হলেও, পর পর কম্পনে ওই অঞ্চলের অধিবাসীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হচ্ছে। এ দিনের ভূমিকম্পে অবশ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার রাত ১০.৪২ মিনিটে দিল্লি, নয়ডা এবং তার আশেপাশে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.২।

আরও পড়ুন: রাত্রে ভূমিকম্প দিল্লি ও তার আশেপাশে, উৎসস্থল রোহতক

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (NCS) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসকেন্দ্র ছিল নয়ডার ১৯ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগর জেলার একটি জায়গায়। ভূপৃষ্ঠের ৪ কিমি গভীরে এই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে রাতে ৪.৬ ও ২,৯ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়েছিল রোহতকে। যার ফলে দিল্লি ও তার আশেপাশের এলাকা কিছুক্ষণ সময়ের তফাতে দু’ বার কেঁপে উঠেছিল।

পড়তে থাকুন

দেশ

দিল্লিতে পৌঁছোলেই সাত দিনের জন্য বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ট্রেন, বিমান বা বাস – যিনি যে ভাবেই দিল্লি (Delhi) পৌঁছোন না কেন, তাঁকে বাধ্যতামূলক ভাবে সাত দিন হোম কোয়ারান্টাইনে (home quarantine) থাকতে হবে। দিল্লি সরকার তাদের আগের নির্দেশিকা সংশোধন করে এ কথা জানিয়েছে।

আগে বলা হয়েছিল, কাউকে কোনো কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে না। নতুন নির্দেশিকা মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আগে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল তাতে বলা হয়েছিল, কেউ বাইরে থেকে দিল্লিতে এলে তাঁকে ১৪ দিন নিজেকে নজরে রাখতে হবে। করোনাভাইরাসের (coronavirus) কোনো উপসর্গ দেখা দিলে ডিসট্রিক্ট সার্ভেইল্যান্স অফিসার বা ন্যাশনাল কল সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

গত সপ্তাহ থেকে দিল্লিতে কিছু কড়াকড়ি শিথিল করা হয়েছে। ফলে করোনাভাইরাসে সংক্রমিতের সংখ্যা বেশ বেড়েছে। তাই নির্দেশিকা সংশোধন করা হয়েছে।

এখন দিল্লিতে সংক্রমিতের সংখ্যা ২৩৬৪৫। গত সাত দিন ধরে গড়ে দৈনিক ১২০০ মতো মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। এখনও কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা প্রচুর। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন ছাড়া অন্য সব কাজের জন্য সীমানা সিল করে দিয়েছে দিল্লি।

পড়তে থাকুন

নজরে