Coronavirus Delhi

খবরঅনলাইন ডেস্ক: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে দৈনিক সংক্রমণ ফের একবার ৪ লক্ষের গণ্ডি অতিক্রম করে ফেলেছে। কিন্তু এটা হচ্ছে মূলত তিন চারটে রাজ্যের কারণে। তবে স্বস্তির ব্যাপার হল দিল্লি, মহারাষ্ট্র-সহ বেশ কিছু রাজ্যেই সংক্রমণের হার কমতে শুরু করেছে।

সংক্রমণের ধার বা দাপট কেমন সেটা বোঝার জন্য সংক্রমণের হারের দিকে নজর দিতে হয়। প্রতি একশো টেস্টে যত জন পজিটিভ হচ্ছেন, সেটাই হচ্ছে সংক্রমণের হার। গত ২২ এপ্রিল সংক্রমণের হার দিল্লিতে ৩৬ শতাংশে উঠে গিয়েছিল। সেটা এখন অনেকটাই কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে সংক্রমণের হার রেকর্ড করা হয়েছে ২৬.৩৭ শতাংশ। দু’ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা লকডাউনের কারণে দিল্লিতে এই ইতিবাচক পরিবর্তনটি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Loading videos...

মহারাষ্ট্রেও সংক্রমণের হার কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে সংক্রমণের হার ছিল ২০.৬৪ শতাংশ। দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম বার রাজ্যে সংক্রমণের হার ২১ শতাংশের নীচে নেমেছে। তবে মুম্বইয়ের পরিস্তিতি অত্যন্ত ভালো বর্তমানে। সেখানে সংক্রমণের হার ১০ শতাংশের সামান্য বেশি রয়েছে।

এই তালিকায় আরও একটি রাজ্য হল মধ্যপ্রদেশ। গোটা এপ্রিল জুড়ে এই রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের হার গড়ে ২২-২৩ শতাংশ ছিল। একটা সময় সেটা ২৫ শতাংশেও উঠে যায়। কিন্তু বর্তমানে এই হারটা নেমে এসেছে ১৮.৫৮ শতাংশে। পড়শি ছত্তীসগঢ়েও ৩০ শতাংশের ওপরে উঠে যাওয়া সংক্রমণের হার এখন ২৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

এ ছাড়া রাজস্থান, গুজরাত, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশেও সংক্রমণের হার একটু কমেছে। পশ্চিমবঙ্গে গত ২৬ এপ্রিল সংক্রমণের হার ৩৩ শতাংশ উঠে গিয়েছিল। সেই রেকর্ডটা এখনও ভাঙেনি। দশ দিন ধরে এই হারটা ৩৩ শতাংশের কম রয়েছে। তাই মনে করা হচ্ছে, সংক্রমণের হারের নিরিখে রাজ্যের পরিস্থিতির এ বার উন্নতি হবে।

কিন্তু এখনও যে রাজ্য দু’টি চিন্তা বাড়িয়ে চলেছে তারা হল কর্নাটক এবং কেরল। গত ২৪ ঘণ্টায় এই দুই রাজ্যে সংক্রমণের হার রেকর্ড করা হয়েছে ৩২ শতাংশ এবং ২৫ শতাংশ। বর্তমানে দেশের সংক্রমণের সামগ্রিক সংখ্যাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে কর্নাটক এবং কেরলই। দু’টি রাজ্যে কোনো স্থিতাবস্থা নেই। সংক্রমণের হার এবং সংক্রমণের সংখ্যা প্রতি দিনই ওঠানামা করছে ব্যাপক ভাবে। এই দুই রাজ্যে পরিস্থিতি যতক্ষণ না পর্যন্ত থিতু হবে, দেশের সংক্রমণ পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হবে না।

আরও পড়তে পারেন Bengal Corona Update: ১.৩ শতাংশেরও কম, মৃত্যুহারের নিরিখে দশম স্থানে নামল পশ্চিমবঙ্গ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.