কোভিড ১৯ আপডেট: আক্রান্তের সংখ্যা ৪২৮১

0

খবর অনলাইনডেস্ক: করোনাভাইরাস (Coronavirus) ও কোভিড ১৯ (Covid 19) সংক্রান্ত যাবতীয় আপডেট পেতে চোখ রাখুন এখানে।


৬ এপ্রিল, সন্ধে ৭টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সোমবার যে সর্ব শেষ তথ্য দিয়েছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২৮১। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ৩৮৫১ জন। সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ৩১৯ জন। মারা গিয়েছেন ১১১ জন।

৬ এপ্রিল, সকাল সাড়ে ন’টা

এক লাফে অনেকটাই বাড়ল কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সোমবারের সকালের তথ্য বলছে, দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা ৪০৬৭। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ৩৬৬৬ জন। সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ২৯২ জন। মারা গিয়েছেন ১০৯ জন।

৫ এপ্রিল, রাত ৮টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রবিবারের সর্ব শেষ ঘোষণা অনুযায়ী, দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫৭৭। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ৩২১৯ জন। সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ২৭৫ জন। মারা গিয়েছেন ৮৩ জন।

৫ এপ্রিল, সকাল ১০টা

স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানায়, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬২ জন। মোট আক্রান্ত ৩,৩৭৪।

৪ এপ্রিল, রাত ৯টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের শনিবারের সর্ব শেষ ঘোষণা অনুযায়ী, দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০৭২। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ২৭৮৪ জন। মারা গিয়েছেন ৭৫ জন।

৪ এপ্রিল, সকাল ১০টা

গত বারো ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত ৩৫৫ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে দেশে মোট রোগীর সংখ্যা ২৯০১। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ২৬৫০ জন। ১৮৩ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। মারা গিয়েছেন ৬৮।

৩ এপ্রিল, রাত ১০টা

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭৪ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে দেশে মোট রোগীর সংখ্যা ২৫৪৭।

৩ এপ্রিল, সকাল ১০:৪৫

গত ১৫ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ২৩২। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ২৩০১। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ২০৮৮ জন। ১৫৬ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। মারা গিয়েছেন ৫৬।

২ এপ্রিল, রাত দশটা

ভারতে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা ২০০০ ছাড়াল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ২০৬৯। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ১৮৬০ জন। ১৫৫ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। মারা গিয়েছেন ৫৩।

২ এপ্রিল, সকাল দশটা

গত ১২ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ১৩১। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১৯৬৪। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ১৭৬৪ জন। ১৫১ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। মারা গিয়েছেন ৫০।

১ এপ্রিল, রাত ১১টা

এক দিনে এক লাফে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ৪৩৭। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১৮৩৪। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ১৬৪৯ জন। ১৪৪ জন রোগমুক্ত হয়েছে। মারা গিয়েছেন ৪১ জন

১ এপ্রিল, বিকেল ৩টে

এক রাতে এক লাফে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ২৪০। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১৬৩৭ এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ১৪৬৬ জন। ১৩৩ জন রোগমুক্ত হয়েছে। মারা গিয়েছেন ৩৮ জন

৩১ মার্চ, রাত ন’টা

সোমবার এক দিনে ২২৭ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন কোভিড ১৯-এ। মঙ্গলবার সেই সংখ্যাটা বেশ কিছুটা কমল। কারণ এ দিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪৬ জন। বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১৩৯৭। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ১২৩৮ জন। ১২৫ জন রোগমুক্ত হয়েছে। মারা গিয়েছেন ৩৫ জন। মহারাষ্ট্রে এ দিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭২ জন। তবে কেরলে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ৭ জন।

৩০ মার্চ, রাত পৌনে ১২টা

দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেশ অনেকটাই বাড়ল, ছাড়িয়ে গেল বারোশোর গণ্ডি। বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১২৫১। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ১১১৭ জন। ১০২ জন রোগমুক্ত হয়েছে। মারা গিয়েছেন ৩২ জন। কেরল ও মহারাষ্ট্র, এই দুই রাজ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা সব চেয়ে বেশি। দুই রাজ্যেই সংখ্যাটা ২০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই হিসাব কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

৩০ মার্চ, সকাল সাড়ে দশটা

দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা আরও কিছুটা বাড়ল। বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১,০৭১। তবে এঁদের মধ্যে ১০০ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ হয়েছে।

২৯ মার্চ, রাত ৮টা

হাজার পার করল ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমিতের সংখ্যা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আক্রান্ত ১০২৪ জন, মৃত ২৭ এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৬ জন।

২৯ মার্চ, সকাল ১১টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭৯ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৮১৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৫। রোগমুক্ত হয়েছেন ৮৬ জন।

২৮ মার্চ, সন্ধ্যা ৭টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৯১৮ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৮১৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। রোগমুক্ত হয়েছেন ৮০ জন।

২৮ মার্চ, দুপুর দু’টো

শনিবার সকালে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যু কেরলের হল এক ৬৯ বছরের বৃদ্ধের। এই নিয়ে ভারতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২০। তিন জন বিদেশি ধরলে মোট মৃতের সংখ্যা ২৩।

২৮ মার্চ সকাল দশটা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭৩ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৭৭৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। রোগমুক্ত হয়েছেন ৭৯ জন।

২৮ মার্চ সকাল সাড়ে ৭টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৪ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৭৪৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। রোগমুক্ত হয়েছেন ৬৭ জন।

২৭ মার্চ সকাল দশটা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৭২৪ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৬৪০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। তবে বড়ো স্বস্তির ব্যাপার এই যে রোগ সারিয়ে সেরে উঠেছেন ৬৭ জন।

২৬ মার্চ রাত ৯টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯৪ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৬৩৩ জন। ছাড়া পেয়েছেন ৪৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের।

২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪৯ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫৯৩ জন। ছাড়া পেয়েছেন ৪৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের।

২৫ মার্চ সন্ধ্যা সাতটা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৬০৬ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫৫৩ জন। ছাড়া পেয়েছেন ৪৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।

২৫ মার্চ সকাল ১০টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছে ৫৬২ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫১২ জন। ছাড়া পেয়েছেন ৪০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের (দিল্লিতে মঙ্গলবার যিনি মারা গিয়েছেন তিনি, কোভিড নেগেটিভ)।

২৪ মার্চ রাত সাড়ে ১১টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ দিন রাত পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৩৬।

২৪ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা

আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তই। তবে সেটা যাতে সাংঘাতিক হারে না বাড়ে সেটাই চ্যালেঞ্জ কেন্দ্রের কাছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এ দিন বিকেলে যে তথ্য দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি।

এ দিন বিকেল পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫১৯। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪৭০। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। আর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৪০ জনকে।

২৪ মার্চ সকাল ১০টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে মঙ্গলবার সকাল দশটা পর্যন্ত ভারতের কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯২। এর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪৪৬। মৃত্যু হয়েছে ন’জনের। ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৩৬ জনকে আর এক জনকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

২৩ মার্চ রাত্রি ৯.১৫

সারা ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৬৭। ৩৪ জন পুরোপুরি সুস্থ। এঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯। হিমাচল প্রদেশ থেকে প্রথম মৃত্যুর খবর এসেছে। টান্ডার হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ৬৯ বছরের এক তিব্বতি শরণার্থী। ১৫ মার্চ তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরেছিলেন। রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (স্বাস্থ্য) আর ডি ধীমান এই খবর দিয়েছেন।

২৩ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা

আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৪৩৩।

২৩ মার্চ বেলা ১১

ভারতে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে ৪১৫। মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের তরফে এমনই জানানো হল।

২২ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, রবিবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভারতে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪০। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬। এ দিন বিহারের এক ৩৮ বছরের যুবকের মৃত্যু হয়। পড়ুন এখানে ক্লিক করে: করোনাভাইরাসের শিকার আরও এক, কলকাতা ফেরত যুবকের মৃত্যু বিহারে

২২ মার্চ সকাল ১০টা

দেশ জুড়ে চলছে জনতা কারফিউ। শুরু হয়েছে সকাল থেকেই। চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। বিস্তারিত পড়ুন এখানে: জনতা কারফিউ: সকাল থেকেই শুনসান রাস্তাঘাট-বাজার, বন্ধ গণপরিবহণ

এরই মধ্যে এখনও পর্যন্ত দেশ জুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪। অন্য দিকে রাজ্যে চার জন করোনাভাইরাসে সংক্রামিত হয়েছেন। রাজ্যের চতুর্থ করোনা আক্রান্তের বিদেশ যাত্রার কোনো রেকর্ড নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে কী ভাবে তিনি সংক্রামিত হলেন, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন চিকিৎসেরা।

স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, রাজ্য়ের চতুর্থ করোনা-আক্রান্ত দমদমের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি গত ১৬ মার্চ থেকে সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি ছিলেন। তাঁর বয়স ৫৭ বছর। এসএসকেএম হাসপাতাল এবং নাইসেডে তাঁর লালারসের নমুনা পাঠানো হয়। কিন্তু দু’টি জায়গার পরীক্ষাতে আলাদা আলাদা রিপোর্ট আসে। তার পর ফের নাইসেডে পাঠানো হয় লালরস। পরের রিপোর্টে জানা যায়, ওই ব্যক্তি কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

২১ মার্চ সকাল ১০টা

শুক্রবার বিকেলে সংখ্যাটা ছিল ২২৩। ১৫ ঘণ্টা পর সংখ্যাটা আরও ৩৫ বাড়ল। ফলে বর্তমানে দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ২৫৮। আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি মহারাষ্ট্রে (৫২)। এর পর রয়েছে কেরল (৪০) এবং দিল্লি (২৬)

২০ মার্চ বিকেল ৫:৩০

ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল অনেকটাই। বর্তমানে ২২৩ জনের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, এঁদের মধ্যে ২৩ জন পুরোপুরি সুস্থ।

সকালে পঞ্চম ব্যক্তির কোভিড ১৯-এ মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে ওই ব্যক্তি কোভিড ১৯ থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ফলে এখনও পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ মৃতের সংখ্যা ৪-ই রয়েছে।

২০ মার্চ সকাল ১১:৫০

করোনাভাইরাসের দাপটে পঞ্চম মৃত্যু ভারতে। শুক্রবার সকালে জয়পুরে মারা গিয়েছে ৬৯ বছর বয়সী ইতালীয় পর্যটক। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫। আক্রান্ত বেড়ে ২০৬।

২০ মার্চ সকাল ৯:১৫

ভারতে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯৫। শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রকাশিত রিপোর্টে এমনটাই জানানো হয়েছে। এঁদের মধ্যে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কুড়ি জনকে।

এ দিকে গোটা বিশ্বে কোভিড ১৯-এ মৃতের সংখ্যা দশ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর নিরিখে চিনকে পেছনে ফেলে দিয়েছে ইতালি। এই মুহূর্তে কোভিড ১৯-এ ইতালিতে মৃত্যু হয়েছে ৩,৪০৫ জনের। চিনের মৃতের সংখ্যা ৩,২৪৮।

১৯ মার্চ বিকেল ৫টা

নোভেল করোনাভাইরাসে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৭৯। এর মধ্যে দু’জন আইসিইউতে, তিন জন মৃত আর ছাড়া পেয়েছেন ১৫ জন।

১৯ মার্চ দুপুর সাড়ে বারোটা

দেশে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৭৪।

১৯ মার্চ সকাল ১০টা

সংবাদসংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬৯।

১৯ মার্চ সকাল ৮টা

ভারতে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৬৬। অর্থাৎ, গত বারো ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ১৫। এর মধ্যে তেলঙ্গানায় ইন্দোনেশিয়ার সাত জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। রাজস্থানে আক্রান্ত হয়েছেন তিন জন। স্বস্তির খবর এই যে এখনও পর্যন্ত কোনো আক্রান্তই আইসিইউতে নেই। পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫ জন।

এ দিকে ইতালিতে মৃত্যুমিছিল থামানো তো যাচ্ছেই না, উলটে আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে কোভিড ১৯-এর জেরে। এটাই ২৪ ঘণ্টায় ইটালিতে সর্বোচ্চ মৃত্যু। সে দেশে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২,৯৭৮। ইরানে নতুন করে ১৪৭, স্পেনে ১০৫ আর ফ্রান্সে নতুন করে ৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

১৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা

বুধবার সন্ধ্যায় জানা যায়, দেশের করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ছুঁয়েছে ১৫১। দেশে এক দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ জন।

১৮ মার্চ সকাল ১০টা

ভারতে কোভিড ১৯ রোগীর সংখ্যা প্রায় দেড়শো ছুঁইছুঁই। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হল এই মুহূর্তে মোট ১৪৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জন বিদেশি এবং ১২২ জন ভারতীয়। সব থেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে (৪১)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কেরল (২৭)। কোনো রোগীই আইসিইউতে নেই।

১৮ মার্চ সকাল ৮টা

ভারতের সর্বশেষ পরিস্থিতি। এই মুহূর্তে দেশে মোট ১৪২ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই প্রথম কলকাতাতেও একজনের শরীরে করোনাভাইরাস মিলল। এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে, ছাড়া পেয়েছেন ১৪ জন। বাকি যাঁরা হাসপাতালে রয়েছেন, তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। আইসিইউতে কোনো রোগী ভরতি নেই।

১৭ মার্চ, বিকেল ৫:৪৫

সকালে সংখ্যাটা ছিল ১২৬। বিকেলে হল ১৩৭। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সর্বশেষ রিপোর্টে বলা হয়েছে এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩৭। তবে ছোট্ট একটা স্বস্তির খবর হল, এ দিন আরও একজন করোনাভাইরাসকে দূরে সরিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। যারা এখনও হাসপাতালে রয়েছেন, তাঁদের কেউই আইসিইউতে নেই। এ দিন সকালে মুম্বইয়ে একজনের মৃত্যু হয়। তাঁর শরীরেও করোনাভাইরাস ছিল। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩।

১৭ মার্চ, বিকেল ৪:৪৫

ইতালির পর এ বার ফ্রান্স। করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে ইউরোপের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ‘লকডাউন’ ঘোষণা হল ফ্রান্সেও। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ আপাতত ৩০ দিন নাগরিকদের ‘ঘরবন্দি’ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করোনা আক্রান্ত ২১ জনের মৃত্যু এবং ১২০০ জনেরও বেশি নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার পরেই তড়িঘড়ি এই ঘোষণা করা হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বেরনো যাবে না। নিয়ম ভাঙলে শাস্তির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে ফরাসি প্রেসিডেন্টের ঘোষণায়।

১৭ মার্চ, সকাল ১১:১৫

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত তৃতীয় মৃত্যুর ঘটনা ঘটল ভারতে। মুম্বইয়ের হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৬৪ বছর বয়সি এক ব্যক্তির। উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সব থেকে বেশি ঘটনা মহারাষ্ট্রেই ঘটেছে।

১৭ মার্চ, সকাল দশ’টা

কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ভারতে। সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ১২৫। এর মধ্যে সব থেকে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা মহারাষ্ট্রে (৩৯)। এর পরে রয়েছে কেরল (২২)। আক্রান্তদের মধ্যে ১০৩ জন ভারতীয় আর ২২ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।

১৭ মার্চ, সকাল সাড়ে ন’টা

পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি বন্ধ সিকিম, নিষেধাজ্ঞা উত্তরবঙ্গেও। বিস্তারিত পড়ুন এখানে

১৭ মার্চ, সকাল সাড়ে আটটা– ভারতে এখন কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা ১১৯। এঁদের মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে, ১৩ জন ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন। একজন রোগী আইসিইউতে রয়েছেন। বাকিদের সবার অবস্থা স্থিতিশীল।

কোভিড ১৯ ছড়িয়ে পড়া আটকাতে দেশ জুড়ে নানা রকম বিধিনিষেধ জারি করেছে কেন্দ্র। জমায়েত বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

কেন্দ্রের এই নির্দেশের পরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মীয় স্থানগুলি সাধারণ তীর্থযাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাজ মহলও (Taj Mahal)। মধ্যপ্রদেশের উজ্জ্বয়িনীতে (Ujjain) মহাকালেশ্বর মন্দিরে এ দিন সকালে ভস্ম আরতি অনুষ্ঠিত হয়েছে কোনো ভক্তসমাগম ছাড়াই।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.