Connect with us

দেশ

কোভিড ১৯ আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ১৮,৫২২, সুস্থ ১৩,০৯৯

খবর অনলাইনডেস্ক: করোনাভাইরাস (Coronavirus) ও কোভিড ১৯ (Covid 19) সংক্রান্ত যাবতীয় আপডেট পেতে চোখ রাখুন এখানে।

৩০ জুন, সকাল দশটা

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) প্রকাশিত তথ্যে জানা গিয়েছে যে বর্তমানে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৪০। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ১৫ হাজার ১২৫। সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮২২ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৬,৮৯৩ জনের।

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৫২২ জন, সুস্থ হয়েছেন ১৩০৯৯ জন। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৪১৮ জনের।

২৯ জুন, সকাল ন’টা

সোমবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫,৪৮,৩১৮। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২,১০,১২০ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,২১,৭২৩ জন। এ ছাড়া ১৬,৪৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৯,৪৫৯ জন। এ ছাড়া সুস্থ হয়েছেন ১২,০১০ জন, মৃত্যু হয়েছে ৩৮০ জনের।

২৮ জুন সকাল ন’টা

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনাভাইরাসে (Coronavirus) নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৯,৯০৬ জন, সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৩,৮৩২ জন আক্রান্ত। রবিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য এমনই জানানো হল। বর্তমানে ভারতের করোনারোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫,২৮,৮৫৯। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ৪১০ জনের। ফলে দেশে এখন করোনায় মৃতের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১৬,০৯৫-এ। স্বস্তির খবর এই যে সুস্থ হওয়া আক্রান্তের সংখ্যাটাও দ্রুত হারে বাড়ছে। বর্তমানে রোগমুক্ত হয়েছেন ৩,০৯,৭১৩ জন। ফলে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২,০৩,০৫১ জন।

২৭ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট (Ministry of Health and Family Welfare) অনুযায়ী শনিবার ভারতে মোট করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ লক্ষ ৮ হাজার ৯৫৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছে ১ লক্ষ ৯৭ হাজার ৩৮৭। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৮৮১। মৃত্যু হয়েছে ১৫,৬৮৫ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৫৫২ জন। সুস্থ হয়েছেন ১০,৫১৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৮৪ জনের। ভারতে বর্তমানে সুস্থতার হার ৫৮.১৩ শতাংশে রয়েছে।

২৬ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) এ দিন যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে বর্তমানে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ লক্ষ ৯০ হাজার ৪০১। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৪৬৩। সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৮৫ হাজার ৬৩৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৫,৩০১ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে করোনায় (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ১৭,২৯৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৩,৯৪০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪০৭ জনের।

২৫ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

বৃহস্পতিবার, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ১০৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৫১৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৭১ হাজার ৬৯৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৪,৮৯৪ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬,৯২২ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৩,০১২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪১৮ জনের।

২৪ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) পেশ করা তথ্য অনুযায়ী এই মুহূর্তে ভারতে করোনায় (Coronavirus) মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লক্ষ ৫৬ হাজার ১৮৩ জন। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ২২ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৫৮ হাজার ৬৮৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৪,৪৭৬ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫,৯৮৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ১০,৪৯৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৬৫ জনের।

২৩ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ লক্ষ ৪০ হাজার ২১৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ১৪। সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৮ হাজার ১৯০। মৃত্যু হয়েছে ১৪,০১১ জনের। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪,৯৩৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ১০,৯৯৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩১২ জনের। মৃতের সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ করা গিয়েছে।

২২ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে পরিসংখ্যান পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে দেশে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে চার লক্ষ ২৫ হাজার ২৮২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন এক লক্ষ ৭৪ হাজার ৩৮৭। সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ১৯৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৩,৬৯৯ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৮২১ জন। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯,৪৪১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৪১ জনের। 

২১ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৪৬১। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪৫১। সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ২৭ হাজার ৭৫৫ জন। এ ছাড়া মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ২৫৪ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৪১৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৩, ৯২৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩০৬ জনের।

২০ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪৮। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ২৬৯। সুস্থ হয়েছেন ২ লক্ষ ১৩ হাজার ৮৩১ জন। এ ছাড়া মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ৯৪৮ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৫১৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯,১২০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৭৫ জনের।

১৯ জুন, সকাল সাড়ে ৯’টা

শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্ত তিন লক্ষ ৮০ হাজার ৫৩২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন এক লক্ষ ৬৩ হাজার ২৪৮। সুস্থ হয়েছেন দুই লক্ষ ৪ হাজার ৭১১। মৃত্যু হয়েছে ১২,৫৭৩ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩,৫৮৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ১০,৩৮৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৩৬ জনের।

১৮ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে দেশে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৪৬। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১ লক্ষ ৬০ হাজার ৩৮৪। সুস্থ হয়েছেন ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৩২৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১২,২৩৭ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনামুক্ত হয়েছেন ৭,৩৯০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৩৪ জনের। মৃতের সংখ্যা আবার অনেকটাই কমে এসেছে।

১৭ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তরফে পেশ করা রিপোর্টে বলা হয়েছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে তিন লক্ষ ৫৪ হাজার ৬৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন এক লক্ষ ৫৫ হাজার ২২৭ জন। সুস্থ হয়েছেন এক লক্ষ ৮৬ হাজার ৯৩৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১১,৯০৩ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০,৯৭৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ৬,৯২১ জন। তবে মারা গিয়েছেন ২,০০৩ জন। একদিনে এত মানুষের মৃত্যুর পেছনে একটা বিশেষ কারণও রয়েছে

১৬ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) পেশ করা তথ্যে জানা গিয়েছে যে এই মুহূর্তে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে তিন লক্ষ ৪৩ হাজার ৯১-এ। এর মধ্যে সক্রিয় রয়েছেন এক লক্ষ ৫৩ হাজার ১৭৮ জন। সুস্থ হয়েছেন এক লক্ষ ৮০ হাজার ১৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯৯০০ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৬৬৭, সুস্থ হয়েছেন ১০ হাজার ২১৫। মৃত্যু হয়েছে ৩৮০ জনের।

১৫ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে তিন লক্ষ ৩২ হাজার ৪২৪। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন এক লক্ষ ৫৩ হাজার ১০৬। সুস্থ হয়েছেন এক লক্ষ ৬৯ হাজার ৭৯৮। মৃত্যু হয়েছে ৯৫২০ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৫০২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩২৫ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৭৫৯৯ জন।

১৪ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে তিন লক্ষ ২০ হাজার ৯২২-এ। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৩৭৯ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৩৪৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯১৯৫ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৯২৯, এখনও পর্যন্ত যা সর্বোচ্চ। সুস্থ হয়েছেন ৮০৪৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩১১ জনের।

১২ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে পরিসংখ্যান দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে দেশে মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫৩৫ জন। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন এক লক্ষ ৪১ হাজার ৮৪২ জন। সুস্থ হয়েছেন এক লক্ষ ৪৭ হাজার ১৯৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮৪৯৮ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০,৯৫৬ জন। ৩৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, এখনও পর্যন্ত যা সর্বোচ্চ। এ ছাড়া সুস্থ হয়েছেন ৬,১৬৬ জন।

১১ জুন, সকাল সাড়ে ৯’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) বৃহস্পতিবার সকালে যে পরিসংখ্যান পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে দুই লক্ষ ৮৬ হাজার ৫৭৯। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৪৪৮। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লক্ষ ৪১ হাজার ২৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮১০২ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় (Coronavirus) নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৯৯৬ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫,৮২৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৫৭ জনের।

১০ জুন, সকাল সাড়ে ৯’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) বুধবার সকালে যে পরিসংখ্যান পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে দুই লক্ষ ৭৬ হাজার ৫৮৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৬৩২। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ২০৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৭৭৪৫ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৯৮৫ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫৯৯১ । মৃত্যু হয়েছে ২৭৯ জনের।

৯ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

মঙ্গলবার যে পরিসংখ্যান পেশ করা হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে দুই লক্ষ ৬৬ হাজার ৫৯৮। সক্রিয় রোগী এক লক্ষ ২৯ হাজার ৯১৭ জন। সুস্থ হয়েছেন এক লক্ষ ২৯ হাজার ২১৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৭৪৬৬ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯৯৮৭ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫১১৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩৩১ জনের।

৮ জুন, সকাল সাড়ে ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) সোমবার যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে বর্তমানে ভারতে মোট করোনারোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ লক্ষ ৫৬ হাজার ৬১১। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন এক লক্ষ ২৫ হাজার ৩৮১। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন এক লক্ষ ২৪ হাজার ৯৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৭১৩৫ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯,৯৮৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৮০২ জন এবং মারা গিয়েছেন ২০৬ জন।

৭ জুন, সকাল ৯টা

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তরফে রবিবার সকালে প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে ভারতে এই মুহূর্তে আক্রান্ত ২,৪৬,৬২৮। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১,২০,৪০৬। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১,১৯,২৯৩ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬,৯২৯। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯,৯৭১ জন, সুস্থ ৫,২২০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৮৭ জনের।

৬ জুন, সকাল ৯’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) পেশ করা পরিসঙ্খ্যান অনুযায়ী শনিবার সকালের পর ভারতে মোট করোনারোগী (Coronavirus) বেড়ে হয়েছে ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৬৫৭ । এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন এক লক্ষ ১৫ হাজার ৯৪২। সুস্থ হয়েছে এক লক্ষ ১৪ হাজার ৭৩ জন। মৃত্যু হয়েছেন ৬৬৪২ জনের। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে করোনা-আক্রান্ত হয়েছেন জন ৯,৮৮৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪,৬১১ জন। এই সময়ে জনের মৃত্যু হয়েছে ২৯৪ জনের।

৫ জুন, সকাল ন’টা

শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Minsitry of Health and Family Welfare) যে তথ্য দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ২৬ হাজার ৭৭০। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন এক লক্ষ ১১ হাজার ৯৬০। সুস্থ হয়েছেন এক লক্ষ ৯ হাজার ৪৬২ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৩৪৮। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯,৮৫১। সুস্থ হয়েছেন ৫,৩৫৫ জন। একই সময় মারা গিয়েছেন ২৭৩ জন।

৪ জুন, সকাল ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) বৃহস্পতিবার সকালে যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ লক্ষ ১৬ হাজার ৯১৯। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১ লক্ষ ৬ হাজার ৭৩৭। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লক্ষ ৪ হাজার ১০৭। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬,০৭৫। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯,৩০৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ২৬০ জনের মৃত্যু হলেও সুস্থ হয়েছেন ৩,৮০৪ জন।

৩ জুন, সকাল ন’টা

বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ লক্ষ ৭ হাজার ৬১৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন এক লক্ষ এক হাজার ৪৯৭। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লক্ষ ৩০৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫,৮১৫ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৯০৯ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৪,৭৭৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ২১৭ জনের

২ জুন, সকাল ন’টা

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে এই মুহূর্তে করোনায় মোট সংক্রমিতের সংখ্যা এক লক্ষ ৯৮ হাজার ৭০৬। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৯৭,৫৮১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯৫,৫২৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫,৫৯৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় (Coronavirus) নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮,১৭১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩,৭০৮ জন। এই সময়ে ২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

১ জুন, সকাল ন’টা

সোমবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক লক্ষ ৯০ হাজার ৫৩৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৯৩,৩২২ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯১,৮১৯ জন। এ ছাড়া ৫৩৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৯২ জন। এ ছাড়া সুস্থ হয়েছেন ৪,৮৩৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ২২৬ জনের।

৩১ মে, সকাল ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) রবিবার সকালে যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে করোনায় মোট সংক্রমিত ১,৮২,১৪৩ । এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ৮৯,৯৯৫। সুস্থ হয়েছেন ৮৬,৯৮৪ জন, মৃত্যু হয়েছে ৫,১৬৪ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত ৮,৩৮০ জন, সুস্থ হয়েছেন ৪,৬১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৯৩ জনের।

৩০ মে, সকাল ন’টা

ভারতে, এই প্রথম নতুন আক্রান্তের সংখ্যাকে ছাপিয়ে গেল সুস্থতার সংখ্যা। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৭৬৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৮৬,৪২২। সুস্থ হয়েছেন ৮২,৩৭০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৯৭১ জনের। লক্ষণীয় বিষয়টি হল যে নতুন করে প্রায় ৭,৯৬৪ জন আক্রান্ত হলেও সুস্থ হয়েছেন ১১,২৬৩ জন।

২৯ মে, সকাল ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) এ দিন সকালে যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৮৯,৯৮৭। সুস্থ হয়েছেন, ৭১,১০৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪,৭০৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৭,৪৬৬। সস্থ হয়েছেন ৩,৪১৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭৫ জনের।

২৮ মে, সকাল ন’টা

এ দিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৩৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছে ৮৬,১১০। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৭,৬৯২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৫৩১ জনের। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬,৫৬৬ জন আর সুস্থ হয়েছেন ৩,২৬৬ জন।

২৭ মে, সকাল ন’টা

এ দিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৭৬৭। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছে ৮৩,০০৪। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৪,৪২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৩৩৭ জনের। অর্থাৎ, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬,৩৭৮ জন, সুস্থ হয়েছেন ৩,৯৩৫ জন। এই সময়ে ১৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২৬ মে, সকাল ন’টা

মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে পরিসংখ্যান পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৮০। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৮০ হাজার ৭২২। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬০ হাজার ৪৯১। যদিও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪,১৬৭।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬,৫৩৫ জন। সুস্থ হয়েছেন ২,৭৭১ জন। এ ছাড়া মৃত্যু হয়েছে ১৪৬ জনের।

২৫ মে, সকাল ন’টা

সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ১,৩৮,৮৪৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৭৭,১০৩ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫৭,৭২০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪,০২১ জনের।

২৪ মে, সকাল ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) রবিবার সকালে যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভারতে এখন করোনা-রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩১, ৮৬৮। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৭৩,৫৬০। সুস্থ হয়েছেন ৫৪,৪৪১ জন। মৃত্যু ৩৮৬৭ জনের। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২,৬৫৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৪৭ জনের

২৩ মে, সকাল ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) শনিবার সকালে যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনা-রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১,২৫,১০১। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৬৯,৫৯৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ৫১,৭৮৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩,৭২০ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬,৬৫৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩,২৫০ জন। এই সময়ের মধ্যে মারা গিয়েছেন ১৩৭ জন।

২২ মে সকাল ন’টা

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬,০৮৮ জন। এর ফলে ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১,১৮,৪৪৭-এ। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৬৬,৩৩০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৮,৫৩৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩,৫৮৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩,২৩৪ এবং মৃত্যু হয়েছে ১৪৮ জনের।

২১ মে, সকাল ন’টা

বৃহস্পতিবার দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছাল ১ লক্ষ ১২ হাজার ৩৫৯-এ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শেষ চব্বিশ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৬০৯ জন, সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ২ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৩২ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে ওঠা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ হাজার ৩০০, মোট মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৪৩৫ জনের।

২০ মে, সকাল ন’টা

বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) পেশ করা রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে এখন করোনায় মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১,০৬,৭৫০ । এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৬১,১৪৯। সুস্থ হয়েছেন ৪২,২৯৮। মৃত্যু হয়েছে ৩,৩০৩ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৫,৬১১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩,১২৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৪০ জনের।

১৯ মে, সকাল ন’টা

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পেশ করা রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে এখন করোনায় মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১,০১,১৩৯ । এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৫৮,৮০২। সুস্থ হয়েছেন ৩৯,১৭২। মৃত্যু হয়েছে ৩,১৬৩ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৪,৯৭০ জন, সুস্থ হয়েছেন ২,৩৫০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৩৪ জনের।

১৮ মে সকাল ন’টা

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫,২৪২ জন। এর ফলে ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৯৬,১৬৯-এ। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৫৬,৩১৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩৬,৮২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩০২৯ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২,৭১৫ এবং মৃত্যু হয়েছে ১৫৭ জনের।

১৭ মে সকাল ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) রবিবার সকালে যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনা-রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯০৯২৭। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৫৩,৯৪৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩৪,১০৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৮৭২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯৮৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩৯৫৫ জন। এই সময়ের মধ্যে মারা গিয়েছেন ১২০ জন।

১৬ মে, সকাল ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) শনিবার সকালে যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনা-রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৫,৯৪০। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৫৩,০৩৫ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩০,১৫৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৭৫২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৯৭০ জন। সুস্থ হয়েছেন ২,২৩৩ জন। এই সময়ের মধ্যে মারা গিয়েছেন ১০৩ জন।

১৫ মে, সকাল ন’টা

শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) থেকে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৮১,৯৭০-এ। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৫১,৪০১। সুস্থ হয়েছেন ২৭,৯২০। মৃত্যু হয়েছে ২,৬৪৯ জনের।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৯৬৭। পাশাপাশি সুস্থ হয়েছেন ১৬৮৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০০ জনের।

১৪ মে, সকাল ন’টা

বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে দেশে এই মুহূর্তে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৭৮,০০৩-এ। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪৯,২১৯,। সুস্থ হয়েছেন ২৬,২৩৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৫৪৯ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৭২২ জন আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি, সুস্থ হয়েছেন ১৮৪৭ জন। এই সময়ে আরও ১৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে

১৩ মে, সকাল ন’টা

বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, শেষ চব্বিশ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৫২৫ জন। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৪,২৮১। অন্য দিকে শেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি গিয়েছেন ১,৯৩১ জন, মৃত ১২২ জন। এখনও পর্যন্ত ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মোট সুস্থ হয়ে ওঠা এবং মৃতের সংখ্যা যথাক্রমে ২৪,৩৮৬ এবং ২,৪১৫।

১২ মে, সকাল ন’টা

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভারতে এখন করোনায় (Coronavirus) মোট আক্রান্ত ৭০,৭৫৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬০৪ জন। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪৬০০৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ২২৪৫৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ১৫৩৮। এ ছাড়া মৃত্যু হয়েছে ২২৯৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৬ জন করোনার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন।

১১ মে, সকাল ৯টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) সোমবার সকালে যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভারতে এখন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৭,১৫২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৪৪,০২৯-এ। সুস্থ হয়েছেন ২০,৯১৭ জনের। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২২০৬।

১০ মে, সকাল ৯টা

রবিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩২৭৭ জন। আরও ১৫১১ জন সুস্থ হয়েছেন আর মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জনের। ফলে এই মুহূর্তে রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬২৯৩৯। এর মধ্যে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪১৪৭২। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯৩৫৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ২১০৯ জনের।

৯ মে, সকাল ন’টা

শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে দেশে এই মুহূর্তে রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৯,৬৬২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৯৮৩৪। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৭৮৪৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৯৮১ জনের।

৮ মে, সকাল ন’টা

শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে করোনারোগীর (Coronavirus) সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৬,৩৪২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩৭,৯১৬। সুস্থ হয়েছেন ১৬,৫৪০। আর মৃত্যু হয়েছে ১৮৮৬ জনের। এর ফলে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ৩৩৯০। আবার সুস্থও হয়েছেন ১,২৭৩। এ ছাড়া এই সময়ে ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

৭ মে সকাল ন’টা

বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভারতে এই মুহূর্তে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫২,৩৯২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩৫,৯০২। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫,২৬৭। মৃত্যু হয়েছে ১৭৮৩ জনের। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় এক দিকে যেমন ৮৯ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তেমনই ১,০৮৪ মানুষ সুস্থও হয়ে উঠেছেন। উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হল, দু’দিন পর ফের মৃত্যুর সংখ্যায় অনেকটাই লাগাম পরানো গিয়েছে।

৬ মে সকাল ন’টা

বুধবার সকাল পর্যন্ত ভারতে করোনাভাইরাসে (Coronavirus) মোট সংক্রমিত ৪৯,৩৯১। সুস্থ হয়েছেন ১৪১৮২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১২৬ জনের মৃত্যু হওয়ায় সেই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৯৪-এ। এখনও পর্যন্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৩৩৫১৪ জন। এখন থেকে দিনে একবার করেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক আক্রান্তের তথ্য দেবে বলে জানা গিয়েছে। ফলে বিকেলে আর কোনো তথ্য সম্ভবত পাওয়া যাবে না।

৫ মে সন্ধ্যা ৬টা

গোটা দেশে নতুন করে ২৭৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। তবে স্বস্তির ব্যাপার হল, এই প্রথম সক্রিয় রোগীর সংখ্যায় কিছুটা পতন লক্ষ করা যাচ্ছে। এ দিন বিকেলের রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে এখন করোনারোগী ৪৬,৭১১। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩১,৯৬৭। এ দিন সকালের হিসেবে সক্রিয় রোগী ছিলেন ৩২,১৩৮। অর্থাৎ এই হিসেব জানান দিচ্ছে এই গত ন’ঘণ্টায় ভারতে নতুন আক্রান্তের থেকে সুস্থ হয়েছেন বেশি মানুষ, ৪৩৪। বর্তমানে সুস্থ হওয়া মানুষের সংখ্যা ১৩,১৬০। মৃত্যু হয়েছে ১৫৮৩ জনের।

৫ মে সকাল ন’টা

মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভারতে এখন করোনাভাইরাসে (Coronavirus) মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬,৪৩৩-এ। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯০০ জন। এখনও পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার হিসেবে এটিই সর্বোচ্চ বৃদ্ধি।

বর্তমানে ভারতে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩২,১৩৮। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৬৮। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১২,৭২৬ জন।

৪ মে বিকেল সাড়ে ৫টা

গত ন’ঘণ্টায় ভারতে করোনায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩০৩ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্ত ৪২,৮৩৬। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৯,৬৮৫। সুস্থ হয়েছেন ১১৭৬২। মারা গিয়েছেন ১৩৮২ জন।

৪ মে সকাল ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তরফে সোমবার সকালে প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে ভারতে এই মুহূর্তে আক্রান্ত ৪২,৫৩৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৯,৪৫৩। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১,৭০৭ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩৭৩। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৭২ জনের।

৩ মে সন্ধ্যা ৬টা

৪০ হাজার পার হল ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সর্বশেষ পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ২,৪৮৭, সুস্থ হয়েছেন ৮৬৯ জন, মৃত ৮৩। এখনও পর্যন্ত এ দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪০২৬৩, চিকিৎসাধীন ২৮০৭০ জন, সুস্থ হয়েছেন মোট ১০৮৮৭ এবং মৃত ১৩০৬ জন।

৩ মে সকাল ১১টা

রবিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে ২৬৪৪ জনের। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯৯৮০। মৃতের সংখ্যা ১৩০১।

২ মে সন্ধ্যা ৬’টা

এ দিন বিকেলে মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) প্রকাশিত রিপোর্টে জানা গিয়েছে এই মুহূর্তে ভারতে করোনায় সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৭,৭৭৬। এর মধ্যে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৬,৫৩৫। মৃত্যু হয়েছে ১২২৩ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১০০১৮ জন।

২ মে, সকাল ৯’টা

শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে এখন মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৭,৩৩৬। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ২২৯৩ জন। এই প্রথম ভারতে এক দিনে দু’হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হলেন। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৬,১৬৭। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯৯৫১ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১২১৮ জনের।

১ মে, সন্ধ্যা ৬টা

শুক্রবার বিকেলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভারতে এখন মোট করোনারোগীর সংখ্যা ৩৫,৩৬৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৫,১৪৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯০৬৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১১৫২ জনের।

১ মে, সকাল ন’টা

শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভারতে এখন মোট করোনারোগীর সংখ্যা ৩৫,০৪৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৫,০০৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ৮৮৮৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ১১৪৭ জনের।

৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

গত ন’ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৬০। এই মুহূর্তে এ দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৩,৬১০। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৪,১৬২ জন। সুস্থ হয়েছেন ৮৩৭৩। এবং মৃত্যু হয়েছে ১০৭৫ জনের।

৩০ এপ্রিল সকাল ন’টা

বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে এ দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৩,০৫০। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৩,৬৫১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৮৩২৫। এবং মৃত্যু হয়েছে ১০৭৪ জনের।

২৯ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

গত ন’ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে ৪৭৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গিয়েছে। আবার সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১০৩ জন। ফলে এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনারোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩১,৭৮৭। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২২,৯৮২। সুস্থ হয়েছেন ৭৭৯৮। মারা গিয়েছেন ১০০৮।

২৯ এপ্রিল সকাল ন’টা

বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে ভারতে এই মুহূর্তে ৩১,৩৩২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২২,৬২৯ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০০৭। সুস্থ হয়েছেন ৭৬৯৫।

২৮ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

এ দিন বিকেলের প্রকাশিত তথ্যে দেখা গিয়েছে এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনারোগী ২৯৯৭৪। এর মধ্যে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২২,০১০। সুস্থ হয়েছেন ৭০২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯৩৭ জনের।

২৮ এপ্রিল সকাল ন’টা

এই মুহূর্তে ভারতে মোট সংক্রমিত ২৯,৪৩৫। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৫৪৩ জন।

এই ২৯,৪৩৫ জনের মধ্যে সক্রিয় রোগী ২১,৬৩২। সুস্থ হয়েছেন ৬৮৬৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯৩৪ জনের। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

ভারতে এখন করোনাভাইরাসে মোট সংক্রমিত ২৮,৩৮০। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ২১১৩২। সুস্থ হয়েছেন ৬৩৬২। মৃত্যু হয়েছে ৮৮৬ জনের।

২৭ এপ্রিল সকাল ন’টা

ভারতে এখনও করোনাভাইরাসে মোট সংক্রমিত হয়েছেন ২৭,৮৯২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ২০৮৩৫। সুস্থ হয়েছেন ৬১৮৫। সুস্থ হয়েছেন ৮৭২ জন।

২৬ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

শনিবার বিকেল ৫টা থেকে রবিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৬,৯১৭ জন বলে জানাল স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক। অন্য দিকে মৃতের সংখ্যা ৮২৬। শেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত ১৯৭৫ এবং মৃত্যু ৪৭ জনের।

২৬ এপ্রিল সকাল ৯টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) রবিবার বিকেলে যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে করোনায় মোট সংক্রমিত ২৬৪৯৬ । এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১৯৮৬৮। মৃত্যু হয়েছে ৮২৪ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৫৮০৪। এর অর্থ গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৯৯০ জন, আর সুস্থ হয়েছেন ৭৪২ জন।

২৫ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) শনিবার বিকেলে যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে করোনায় মোট সংক্রমিত ২৪,৯৪২ । এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১৮,৯৫৩। মৃত্যু হয়েছে ৭৭৯ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৫২০৯।

২৫ এপ্রিল সকাল ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) শনিবার সকালে যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে করোনায় মোট সংক্রমিত ২৪,৫০৬ । এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১৮,৬৬৮। মৃত্যু হয়েছে ৭৭৫ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার হিসেবে মৃতের সংখ্যা সর্বাধিক।

২৪ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টা

শুক্রবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভারতে এই মুহূর্তে মোট আক্রান্ত ২৩,৪৫২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১৭,৯১৫। সুস্থ হয়েছেন ৪৮১৪। মারা গিয়েছেন ৭২৩।

২৪ এপ্রিল সকাল ন’টা

শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভারতে এই মুহূর্তে মোট আক্রান্ত ২৩,০৭৭। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১৭,৬১০। সুস্থ হয়েছেন ৪৭৪৯। মারা গিয়েছেন ৭১৯। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার হিসেবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক কম, ৩৭।

২৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

ভারতে নতুন করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৩০৭। বৃহস্পতিবার বিকেলের হিসেবে ভারতে এখন করোনায় সংক্রমিত ২১,৭০০। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১৬৬৮৯, ছাড়া পেয়েছেন ৪৩২৫। মৃত্যু হয়েছে ৬৮৬ জনের।

২৩ এপ্রিল সকাল ন’টা

বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্যে দেখা গিয়েছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনারোগী ২১,৩৯৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১৬,৪৫৪। সুস্থ হয়েছেন ৪,২৫৮। মৃত্যু হয়েছে ৬৮১ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১,৪০৯ জন।

২২ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা

এ দিনের বিকেলের হিসেবে দেখা গিয়েছে ভারতে বর্তমানে করোনারোগী রয়েছেন ২০৪৭১। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১৫,৮৫৯। সুস্থ হয়েছেন ৩,৯৬০। আর মৃত্যু হয়েছে ৬৫৩ জনের। গত ন’ ঘণ্টায় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৪৮৪।

২২ এপ্রিল সকাল ন’টা

বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা গিয়েছে যে ভারতে করোনারোগীর সংখ্যা কুড়ি হাজারের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছে। এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনারোগী ১৯,৯৮৪। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১৫,৪৭৪। মারা গিয়েছেন ৬৪০। তবে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৮৭০ জন।

২১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬’টা

গত বারো ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩৮৪। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক যে তথ্য দিয়েছে মঙ্গলবার বিকেলে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে করোনারোগী ১৮,৯৮৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১৫,১২২। সুস্থ হয়েছেন ৩২৬০। মৃত্যু হয়েছ ৬০৩ জনের।

২১ এপ্রিল সকাল ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য দেখা যাচ্ছে বর্তমানে ভারতে মোট করোনারোগী ১৮,৬০১। এর মধ্যে সক্রিয় ১৪,৭৫৯। সুস্থ হয়ে গিয়েছেন ৩২৫২। মৃত্যু হয়েছে ৫৯০ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৫৮৪। মৃত্যু হয়েছে ৪৭ জনের।

২০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) প্রকাশিত তথ্য দেখা গিয়েছে ভারতে এখন মোট করোনারোগী ১৭,৬৫৬। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১৪,২৫৫। সুস্থ হয়েছেন ২৮৪২ আর মৃত্যু হয়েছে ৫৫৯ জনের।

২০ এপ্রিল, সকাল ন’টা

সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে বর্তমানে দেশে করোনারোগীর সংখ্যা ১৭,২৬৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১৪,১৭৫। সুস্থ হওয়ার সংখ্যাটাও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, ২৫৪৬। দুর্ভাগ্যবশত করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৪৩।

১৯ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়িয়ে গেল। স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানায়, এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৬,১১৬ জন, মৃত ৫১৯ জন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত ১,৩২৪, মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের।

১৯ এপ্রিল সকাল ন’টা

রবিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক জানায়, সারা দেশে মোট করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫,৭১২। এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ৫০৭।

১৮ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

এ দিন বিকেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্যয় দেখা গিয়েছে যে ভারতে করোনাভাইরাসে (Coronavirus) সংক্রমিতের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১৪,৭৯২-এ। এর মধ্যে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২,২৮৯। মৃত্যু হয়েছে ৪৮৮ জনের। সুস্থ হয়েছেন ২০১৫ জন।

১৮ এপ্রিল সকাল ন’টা

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৯৯১ জন। বর্তমানে মোট করোনারোগী ১৪,৩৮৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী ১১,৯০৬, ছাড়া পেয়েছেন ১৯৯২ এবং মারা গিয়েছেন ৪৮০।

১৭ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টা

ভারতের কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গেল ১৩,৮৩৫-এ। গত বারো ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৪৪৮ জন আর গত ২৪ ঘণ্টায় ১,০৭৬ জন। এই মুহূর্তে ভারতে সক্রিয় করোনারোগী ১১,৬১৬। ছাড়া পেয়েছেন ১৭৬৭ জন। মারা গিয়েছেন ৪৫২ জন।

১৭ এপ্রিল, সকাল ন’টা

শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তরফে যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে ভারতে করোনারোগীর সংখ্যা ১৩,৩৮৭। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১১,২০১ জন। সুস্থ হয়েছেন ১,৭৪৯ জন এবং মারা গিয়েছেন ৪৩৭ জন।

১৬ এপ্রিল, সন্ধ্যা ৬টা

গত বারো ঘণ্টায় ভারতে করোনাভাইরাসে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৭৯ জন। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রকাশিত তথ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে ভারতে বর্তমানে করোনারোগীর সংখ্যা ১২,৭৫৯। এর মধ্যে সক্রিয় রোগীর সনহ্যা ১০,৮২৪। সুস্থ হয়েছেন ১,৫১৫ জন এবং মারা গিয়েছেন ৪২১ জন। গত ১২ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের।

১৬ এপ্রিল, সকাল ন’টা

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৯৪১ জন। ফলে এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনারোগী ১২,৩৮০। বর্তমানে ভারতে সক্রিয় করোনারোগীর সংখ্যা ১০,৪৭৭। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১,৪৮৯ জন। তবে দুর্ভাগ্যবশত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪১৪। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭ জনের।

১৫ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

গত বারো ঘণ্টায় নতুন করে ৪৯৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের জীবাণু মিলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংখ্যাটা ১,১১৮। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে ভারতে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১১,৯৩৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১০,১৯৭। সুস্থ হয়েছেন ১৩৪৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৯২ জনের।

১৫ এপ্রিল সকাল ন’টা

বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গোটা দেশে এখন করোনারোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১,৪৩৯। এর মধ্যে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৯৭৫৬। মৃত্যু হয়েছে ৩৭৭ জনের। তবে আশার কথা এই যে এখনও পর্যন্ত মোট ১৩০৬ জন সুস্থ হয়ে গিয়েছেন। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৭০ জন।

১৪ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তরফে যে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভারতে মোট করোনারোগীর সংখ্যা এখন ১০,৮১৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৯,২৭২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৫৩ জনের। মোট করোনারোগীর ১১ শতাংশ এখন করোনামুক্ত। এটা নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হল মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৩।

১৪ এপ্রিল সকাল ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) মঙ্গলবার সকালে যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভারতে এই মুহূর্তে মোট করোনারোগীর সংখ্যা ১০,৩৬৩। এর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৮,৯৮৮ জন। ছাড়া পেয়েছেন ১,০৩৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৩৯ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ৩১ জন।

১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬’টা

গত বারো ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২০০ জন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫১ জনের, যা এখনও পর্যন্ত একদিনের সর্বোচ্চ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক যে তথ্য পেশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে বর্তমানে করোনাভাইরাসে সংক্রমিতের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৯৩৫২-য়। এর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৮০৪৮। মৃত্যু হয়েছে ৩২৪ জনের। তবে বড়ো স্বস্তির ব্যাপার এই যে এই রোগ সারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯৭৯ জন।

১৩ এপ্রিল সকাল ন’টা

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনাভাইরাসে (Coronavirus) নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৭৯৬ জন। সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য এমনই জানানো হল। বর্তমানে ভারতের করোনারোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯,১৫২। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের। ফলে দেশে এখন করোনায় মৃতের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৩০৮-এ। স্বস্তির খবর এই যে সুস্থ হওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যাটাও দ্রুত হারে বাড়ছে। বর্তমানে রোগমুক্ত হয়েছেন ৮৫৬ জন। ফলে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭,৯৮৭ জন।

১২ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রবিবার সর্বশেষ দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত কোভিড-১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৪৪৭। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৭৪০৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৭৬৫ জন। ২৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

১২ এপ্রিল সকাল ন’টা

গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৯০৯ জন নতুন করে আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে, ৩৪ জন মারা গিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৩৫৬ জন, মারা গিয়েছেন ২৭৩ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ৭১৬ জন।

১১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা

গত বারো ঘণ্টায় ভারতে করোনাভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮২ জন। গত কয়েক দিনের হিসেবে এটি সর্বনিম্ন। ফলে শুক্রবার বিকেল থেকে শনিবার বিকেল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ৭৬৮। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য বলছে দেশে এই মুহূর্তে আক্রান্ত হয়েছেন ৭,৫২৯ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৬৬৩৪ জন। সুস্থ হয়েছে ৬৫৩ জন। ২৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

১১ এপ্রিল সকাল ন’টা

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত ১০৩৫ জন, যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। দেশে মোট আক্রান্ত এখন ৭৪৪৭ জন। বর্তমানে চিকিৎসা চলছে ৬৫৬৫ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৬৪৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৩৯ জনের।

১০ এপ্রিল বিকেল সাড়ে পাঁচটা

গত বারো ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৪৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৯৬ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে ভারতে বর্তমানে করোনারোগীর সংখ্যা ৬৭৬১। এঁর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৬০৩৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ২০৬ জনের। ছাড়া পেয়েছেন ৫১৬ জন।

১০ এপ্রিল সকাল ন’টা

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে ৬৭৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের (Coronavirus) অস্তিত্ব টের পাওয়া গেল। ফলে এই মুহূর্তে দেশে মোট করোনারোগীর সংখ্যা ৬,৪১২। উল্লেখযোগ্য মাইলফলক দেখা গিয়েছে রোগমুক্তের সংখ্যাতেও। কারণ গত এক দিনে আরও তিরিশ জন রোগমুক্ত হওয়ায় বর্তমানে সেই সংখ্যাটি ৫০০ অতিক্রম করল। যদিও এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৯৯ জনের।

৯ এপ্রিল, বিকেল সাড়ে ৫টা

গত বারো ঘণ্টায় দেশে করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩১ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে রোগীর সংখ্যা ৫৮৬৫। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫২১৮, ছাড়া পেয়েছেন ৪৭৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৬৯ জনের।

৯ এপ্রিল, সকাল সাড়ে ন’টা

ভারতে করোনারোগীর সংখ্যা বেড়ে হল ৫৭৩৪। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪০। এর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫০৯৫। ছাড়া পেয়েছেন ৪৭৩ জন। মৃত ১৬৬।

৮ এপ্রিল, সন্ধ্যা ৬টা

গত বারো ঘণ্টায় ভারত নতুন করে কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হলেন ৮০ জন। তবে স্বস্তির কথা এই সময়সীমায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। ছাড়া পাওয়ার সংখ্যা বেশি। বর্তমানে ভারতে কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৫২৭৪। এর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪,৭১৪। মৃত ১৪৯। ছাড়া পেয়েছেন ৪১২।

৮ এপ্রিল, সকাল ১০টা

বর্তমানে ভারতে কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৫১৯৪। এর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪,৬৪৩। মৃত ১৪৯। ছাড়া পেয়েছেন ৪০২।

৭ এপ্রিল, সন্ধ্যা ৭:১৫

বর্তমানে ভারতে কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭৮৯। এর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪,৩১২। মৃত ১২৪। ছাড়া পেয়েছেন ৩৫৩।

৭ এপ্রিল, সকাল ৯:১৫

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সোমবার যে সর্ব শেষ তথ্য দিয়েছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪২১। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ৩৯৮১ জন। সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ৩২৫ জন। মারা গিয়েছেন ১১৪ জন।

৬ এপ্রিল, সন্ধে ৭টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সোমবার যে সর্ব শেষ তথ্য দিয়েছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২৮১। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ৩৮৫১ জন। সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ৩১৯ জন। মারা গিয়েছেন ১১১ জন।

৬ এপ্রিল, সকাল সাড়ে ন’টা

এক লাফে অনেকটাই বাড়ল কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সোমবারের সকালের তথ্য বলছে, দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা ৪০৬৭। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ৩৬৬৬ জন। সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ২৯২ জন। মারা গিয়েছেন ১০৯ জন।

৫ এপ্রিল, রাত ৮টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রবিবারের সর্ব শেষ ঘোষণা অনুযায়ী, দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫৭৭। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ৩২১৯ জন। সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ২৭৫ জন। মারা গিয়েছেন ৮৩ জন।

৫ এপ্রিল, সকাল ১০টা

স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানায়, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬২ জন। মোট আক্রান্ত ৩,৩৭৪।

৪ এপ্রিল, রাত ৯টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের শনিবারের সর্ব শেষ ঘোষণা অনুযায়ী, দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০৭২। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ২৭৮৪ জন। মারা গিয়েছেন ৭৫ জন।

৪ এপ্রিল, সকাল ১০টা

গত বারো ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত ৩৫৫ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে দেশে মোট রোগীর সংখ্যা ২৯০১। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ২৬৫০ জন। ১৮৩ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। মারা গিয়েছেন ৬৮।

৩ এপ্রিল, রাত ১০টা

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭৪ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে দেশে মোট রোগীর সংখ্যা ২৫৪৭।

৩ এপ্রিল, সকাল ১০:৪৫

গত ১৫ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ২৩২। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ২৩০১। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ২০৮৮ জন। ১৫৬ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। মারা গিয়েছেন ৫৬।

২ এপ্রিল, রাত দশটা

ভারতে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা ২০০০ ছাড়াল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ২০৬৯। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ১৮৬০ জন। ১৫৫ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। মারা গিয়েছেন ৫৩।

২ এপ্রিল, সকাল দশটা

গত ১২ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ১৩১। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১৯৬৪। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ১৭৬৪ জন। ১৫১ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। মারা গিয়েছেন ৫০।

১ এপ্রিল, রাত ১১টা

এক দিনে এক লাফে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ৪৩৭। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১৮৩৪। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ১৬৪৯ জন। ১৪৪ জন রোগমুক্ত হয়েছে। মারা গিয়েছেন ৪১ জন

১ এপ্রিল, বিকেল ৩টে

এক রাতে এক লাফে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ২৪০। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১৬৩৭ এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ১৪৬৬ জন। ১৩৩ জন রোগমুক্ত হয়েছে। মারা গিয়েছেন ৩৮ জন

৩১ মার্চ, রাত ন’টা

সোমবার এক দিনে ২২৭ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন কোভিড ১৯-এ। মঙ্গলবার সেই সংখ্যাটা বেশ কিছুটা কমল। কারণ এ দিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪৬ জন। বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১৩৯৭। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ১২৩৮ জন। ১২৫ জন রোগমুক্ত হয়েছে। মারা গিয়েছেন ৩৫ জন। মহারাষ্ট্রে এ দিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭২ জন। তবে কেরলে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ৭ জন।

৩০ মার্চ, রাত পৌনে ১২টা

দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেশ অনেকটাই বাড়ল, ছাড়িয়ে গেল বারোশোর গণ্ডি। বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১২৫১। এঁদের মধ্যে চিকিৎসাধীন ১১১৭ জন। ১০২ জন রোগমুক্ত হয়েছে। মারা গিয়েছেন ৩২ জন। কেরল ও মহারাষ্ট্র, এই দুই রাজ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা সব চেয়ে বেশি। দুই রাজ্যেই সংখ্যাটা ২০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই হিসাব কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

৩০ মার্চ, সকাল সাড়ে দশটা

দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা আরও কিছুটা বাড়ল। বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ১,০৭১। তবে এঁদের মধ্যে ১০০ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ হয়েছে।

২৯ মার্চ, রাত ৮টা

হাজার পার করল ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমিতের সংখ্যা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আক্রান্ত ১০২৪ জন, মৃত ২৭ এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৬ জন।

২৯ মার্চ, সকাল ১১টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭৯ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৮১৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৫। রোগমুক্ত হয়েছেন ৮৬ জন।

২৮ মার্চ, সন্ধ্যা ৭টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৯১৮ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৮১৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। রোগমুক্ত হয়েছেন ৮০ জন।

২৮ মার্চ, দুপুর দু’টো

শনিবার সকালে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যু কেরলের হল এক ৬৯ বছরের বৃদ্ধের। এই নিয়ে ভারতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২০। তিন জন বিদেশি ধরলে মোট মৃতের সংখ্যা ২৩।

২৮ মার্চ সকাল দশটা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭৩ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৭৭৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। রোগমুক্ত হয়েছেন ৭৯ জন।

২৮ মার্চ সকাল সাড়ে ৭টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৪ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৭৪৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। রোগমুক্ত হয়েছেন ৬৭ জন।

২৭ মার্চ সকাল দশটা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৭২৪ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৬৪০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। তবে বড়ো স্বস্তির ব্যাপার এই যে রোগ সারিয়ে সেরে উঠেছেন ৬৭ জন।

২৬ মার্চ রাত ৯টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯৪ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৬৩৩ জন। ছাড়া পেয়েছেন ৪৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের।

২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪৯ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫৯৩ জন। ছাড়া পেয়েছেন ৪৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের।

২৫ মার্চ সন্ধ্যা সাতটা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ৬০৬ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫৫৩ জন। ছাড়া পেয়েছেন ৪৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।

২৫ মার্চ সকাল ১০টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছে ৫৬২ জন। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫১২ জন। ছাড়া পেয়েছেন ৪০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের (দিল্লিতে মঙ্গলবার যিনি মারা গিয়েছেন তিনি, কোভিড নেগেটিভ)।

২৪ মার্চ রাত সাড়ে ১১টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ দিন রাত পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৩৬।

২৪ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা

আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তই। তবে সেটা যাতে সাংঘাতিক হারে না বাড়ে সেটাই চ্যালেঞ্জ কেন্দ্রের কাছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এ দিন বিকেলে যে তথ্য দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি।

এ দিন বিকেল পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫১৯। এঁদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪৭০। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। আর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৪০ জনকে।

২৪ মার্চ সকাল ১০টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে মঙ্গলবার সকাল দশটা পর্যন্ত ভারতের কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯২। এর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪৪৬। মৃত্যু হয়েছে ন’জনের। ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৩৬ জনকে আর এক জনকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

২৩ মার্চ রাত্রি ৯.১৫

সারা ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৬৭। ৩৪ জন পুরোপুরি সুস্থ। এঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯। হিমাচল প্রদেশ থেকে প্রথম মৃত্যুর খবর এসেছে। টান্ডার হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ৬৯ বছরের এক তিব্বতি শরণার্থী। ১৫ মার্চ তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরেছিলেন। রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (স্বাস্থ্য) আর ডি ধীমান এই খবর দিয়েছেন।

২৩ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা

আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৪৩৩।

২৩ মার্চ বেলা ১১

ভারতে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে ৪১৫। মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের তরফে এমনই জানানো হল।

২২ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, রবিবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভারতে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪০। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬। এ দিন বিহারের এক ৩৮ বছরের যুবকের মৃত্যু হয়। পড়ুন এখানে ক্লিক করে: করোনাভাইরাসের শিকার আরও এক, কলকাতা ফেরত যুবকের মৃত্যু বিহারে

২২ মার্চ সকাল ১০টা

দেশ জুড়ে চলছে জনতা কারফিউ। শুরু হয়েছে সকাল থেকেই। চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। বিস্তারিত পড়ুন এখানে: জনতা কারফিউ: সকাল থেকেই শুনসান রাস্তাঘাট-বাজার, বন্ধ গণপরিবহণ

এরই মধ্যে এখনও পর্যন্ত দেশ জুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪। অন্য দিকে রাজ্যে চার জন করোনাভাইরাসে সংক্রামিত হয়েছেন। রাজ্যের চতুর্থ করোনা আক্রান্তের বিদেশ যাত্রার কোনো রেকর্ড নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে কী ভাবে তিনি সংক্রামিত হলেন, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন চিকিৎসেরা।

স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, রাজ্য়ের চতুর্থ করোনা-আক্রান্ত দমদমের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি গত ১৬ মার্চ থেকে সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি ছিলেন। তাঁর বয়স ৫৭ বছর। এসএসকেএম হাসপাতাল এবং নাইসেডে তাঁর লালারসের নমুনা পাঠানো হয়। কিন্তু দু’টি জায়গার পরীক্ষাতে আলাদা আলাদা রিপোর্ট আসে। তার পর ফের নাইসেডে পাঠানো হয় লালরস। পরের রিপোর্টে জানা যায়, ওই ব্যক্তি কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

২১ মার্চ সকাল ১০টা

শুক্রবার বিকেলে সংখ্যাটা ছিল ২২৩। ১৫ ঘণ্টা পর সংখ্যাটা আরও ৩৫ বাড়ল। ফলে বর্তমানে দেশে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ২৫৮। আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি মহারাষ্ট্রে (৫২)। এর পর রয়েছে কেরল (৪০) এবং দিল্লি (২৬)

২০ মার্চ বিকেল ৫:৩০

ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল অনেকটাই। বর্তমানে ২২৩ জনের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, এঁদের মধ্যে ২৩ জন পুরোপুরি সুস্থ।

সকালে পঞ্চম ব্যক্তির কোভিড ১৯-এ মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে ওই ব্যক্তি কোভিড ১৯ থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ফলে এখনও পর্যন্ত কোভিড ১৯-এ মৃতের সংখ্যা ৪-ই রয়েছে।

২০ মার্চ সকাল ১১:৫০

করোনাভাইরাসের দাপটে পঞ্চম মৃত্যু ভারতে। শুক্রবার সকালে জয়পুরে মারা গিয়েছে ৬৯ বছর বয়সী ইতালীয় পর্যটক। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫। আক্রান্ত বেড়ে ২০৬।

২০ মার্চ সকাল ৯:১৫

ভারতে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯৫। শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রকাশিত রিপোর্টে এমনটাই জানানো হয়েছে। এঁদের মধ্যে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। ছেড়ে দেওয়া হয়েছে কুড়ি জনকে।

এ দিকে গোটা বিশ্বে কোভিড ১৯-এ মৃতের সংখ্যা দশ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর নিরিখে চিনকে পেছনে ফেলে দিয়েছে ইতালি। এই মুহূর্তে কোভিড ১৯-এ ইতালিতে মৃত্যু হয়েছে ৩,৪০৫ জনের। চিনের মৃতের সংখ্যা ৩,২৪৮।

১৯ মার্চ বিকেল ৫টা

নোভেল করোনাভাইরাসে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৭৯। এর মধ্যে দু’জন আইসিইউতে, তিন জন মৃত আর ছাড়া পেয়েছেন ১৫ জন।

১৯ মার্চ দুপুর সাড়ে বারোটা

দেশে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৭৪।

১৯ মার্চ সকাল ১০টা

সংবাদসংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬৯।

১৯ মার্চ সকাল ৮টা

ভারতে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৬৬। অর্থাৎ, গত বারো ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ১৫। এর মধ্যে তেলঙ্গানায় ইন্দোনেশিয়ার সাত জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। রাজস্থানে আক্রান্ত হয়েছেন তিন জন। স্বস্তির খবর এই যে এখনও পর্যন্ত কোনো আক্রান্তই আইসিইউতে নেই। পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫ জন।

এ দিকে ইতালিতে মৃত্যুমিছিল থামানো তো যাচ্ছেই না, উলটে আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে কোভিড ১৯-এর জেরে। এটাই ২৪ ঘণ্টায় ইটালিতে সর্বোচ্চ মৃত্যু। সে দেশে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২,৯৭৮। ইরানে নতুন করে ১৪৭, স্পেনে ১০৫ আর ফ্রান্সে নতুন করে ৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

১৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা

বুধবার সন্ধ্যায় জানা যায়, দেশের করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ছুঁয়েছে ১৫১। দেশে এক দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ জন।

১৮ মার্চ সকাল ১০টা

ভারতে কোভিড ১৯ রোগীর সংখ্যা প্রায় দেড়শো ছুঁইছুঁই। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হল এই মুহূর্তে মোট ১৪৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জন বিদেশি এবং ১২২ জন ভারতীয়। সব থেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে (৪১)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কেরল (২৭)। কোনো রোগীই আইসিইউতে নেই।

১৮ মার্চ সকাল ৮টা

ভারতের সর্বশেষ পরিস্থিতি। এই মুহূর্তে দেশে মোট ১৪২ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই প্রথম কলকাতাতেও একজনের শরীরে করোনাভাইরাস মিলল। এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে, ছাড়া পেয়েছেন ১৪ জন। বাকি যাঁরা হাসপাতালে রয়েছেন, তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। আইসিইউতে কোনো রোগী ভরতি নেই।

১৭ মার্চ, বিকেল ৫:৪৫

সকালে সংখ্যাটা ছিল ১২৬। বিকেলে হল ১৩৭। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সর্বশেষ রিপোর্টে বলা হয়েছে এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩৭। তবে ছোট্ট একটা স্বস্তির খবর হল, এ দিন আরও একজন করোনাভাইরাসকে দূরে সরিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। যারা এখনও হাসপাতালে রয়েছেন, তাঁদের কেউই আইসিইউতে নেই। এ দিন সকালে মুম্বইয়ে একজনের মৃত্যু হয়। তাঁর শরীরেও করোনাভাইরাস ছিল। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩।

১৭ মার্চ, বিকেল ৪:৪৫

ইতালির পর এ বার ফ্রান্স। করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে ইউরোপের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ‘লকডাউন’ ঘোষণা হল ফ্রান্সেও। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ আপাতত ৩০ দিন নাগরিকদের ‘ঘরবন্দি’ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করোনা আক্রান্ত ২১ জনের মৃত্যু এবং ১২০০ জনেরও বেশি নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার পরেই তড়িঘড়ি এই ঘোষণা করা হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বেরনো যাবে না। নিয়ম ভাঙলে শাস্তির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে ফরাসি প্রেসিডেন্টের ঘোষণায়।

১৭ মার্চ, সকাল ১১:১৫

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত তৃতীয় মৃত্যুর ঘটনা ঘটল ভারতে। মুম্বইয়ের হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৬৪ বছর বয়সি এক ব্যক্তির। উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সব থেকে বেশি ঘটনা মহারাষ্ট্রেই ঘটেছে।

১৭ মার্চ, সকাল দশ’টা

কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ভারতে। সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ১২৫। এর মধ্যে সব থেকে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা মহারাষ্ট্রে (৩৯)। এর পরে রয়েছে কেরল (২২)। আক্রান্তদের মধ্যে ১০৩ জন ভারতীয় আর ২২ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।

১৭ মার্চ, সকাল সাড়ে ন’টা

পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি বন্ধ সিকিম, নিষেধাজ্ঞা উত্তরবঙ্গেও। বিস্তারিত পড়ুন এখানে

১৭ মার্চ, সকাল সাড়ে আটটা– ভারতে এখন কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা ১১৯। এঁদের মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে, ১৩ জন ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন। একজন রোগী আইসিইউতে রয়েছেন। বাকিদের সবার অবস্থা স্থিতিশীল।

কোভিড ১৯ ছড়িয়ে পড়া আটকাতে দেশ জুড়ে নানা রকম বিধিনিষেধ জারি করেছে কেন্দ্র। জমায়েত বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

কেন্দ্রের এই নির্দেশের পরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মীয় স্থানগুলি সাধারণ তীর্থযাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাজ মহলও (Taj Mahal)। মধ্যপ্রদেশের উজ্জ্বয়িনীতে (Ujjain) মহাকালেশ্বর মন্দিরে এ দিন সকালে ভস্ম আরতি অনুষ্ঠিত হয়েছে কোনো ভক্তসমাগম ছাড়াই।

দেশ

নাগাল্যান্ডে নিষিদ্ধ হল কুকুরের মাংস

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র চাপের মুখে পড়ে নতিস্বীকার করল নাগাল্যান্ড সরকার। রাজ্যে কুকুরের মাংস বিক্রির ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল।

শুক্রবার এই বিষয়েই টুইট করে নাগাল্যান্ডের মুখ্যসচিব টেনজেন টয় বলেন, “কুকুরের বানিজ্যিক রফতানি এবং কুকুরের মাংস বিক্রিকে নিষিদ্ধ করেছে রাজ্য সরকার। কাঁচা বা রান্না করা, কোনো ধরনের মাংসই আর বিক্রি করা যাবে না।”

উল্লেখ্য, কিছুদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। ছবিতে দেখা যাচ্ছিল যে বস্তায় করে কুকুরদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কুকুরগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন একজন টুইটার ব্যবহারকারী।

এই খবর প্রকাশ্যে আসতে হস্তক্ষেপ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা গান্ধীও। কুকুর এ ভাবে আমদানি বা রফতানি বন্ধ করার জন্য নাগাল্যান্ড পুলিশের কাছেও আবেদন করেন মানেকা। এই নিয়ে হইচই শুরু হতেই মাংসের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হল নাগাল্যান্ডে।

উল্লেখ্য, উত্তরপূর্ব ভারতে, বিশেষত নাগাল্যান্ডে কুকুরের মাংস খুবই জনপ্রিয় একটা খাবার। এই মাংস খাওয়ার ব্যাপারে সরকারি কোনো আইনও নেই। এ ছাড়া খরগোশ আর বাঁদরের মাংসও ব্যাপক ভাবে খাওয়া হয় এই সব অঞ্চলে।

Continue Reading

দেশ

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, রেল বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে ট্রেড ইউনিয়নগুলি

ওয়েবডেস্ক: জাতীয়তাবাদের নামে ‘সরকারের শ্রমিক-বিরোধী, কৃষক-বিরোধী, জনবিরোধী নীতি’র বিরুদ্ধে শুক্রবার সারাদেশে বিক্ষোভ দেখাল কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি। তারা দিনের শেষে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিও জমা দেয়।

স্মারকলিপিতে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি সরকারি উদ্যোগের বেসরকারিকরণ, যেমন ভারতীয় রেল, প্রতিরক্ষা, বন্দর ও ডক, কয়লা, এয়ার ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক, বিমা এবং মহাকাশ বিজ্ঞান ও পারমাণবিক শক্তির বেসরকারিকরণের বিরোধিতা করে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ এবং ব্যবসা দখল করতে বেসরকারি ও বিদেশি সংস্থাগুলিকে সুবিধা করে দেবে বলে অভিযোগ করা হয়।

সংগঠনগুলির একটি যৌথ বিবৃতিতে দাবি করা হয়, “কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে চরম সংকটে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে জরুরিকালীন পদক্ষেপ নেওয়ার পরিবর্তে নিত্যনতুন আইন এবং নির্দেশ জারি করে মানুষকে আরও বিপাকে ফেলা হচ্ছে।”

সংগঠনগুলি দাবি, গত তিনমাসে করোনাভাইরাস লকডাউনের কারণে দেশের ১৪ কোটি কর্মী কাজ হারিয়েছেন। দৈনিক মজুরির, চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের ধরলে এই সংখ্যাটা ২৪ কোটি ছুঁয়ে ফেলবে।

পথে নামল কোন কোন সংগঠন

শুক্রবার ১০টি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন বিক্ষোভ দেখায়। এগুলির মধ্যে ছিল কংগ্রেসের আইএনটিইউসি, বামপন্থী সিআইটিইউ এবং এআইটিইউসি। এ ছাড়া এআইইউটিইউসি, এলপিএফ, এইচএমএস, টিইউসিসি, এসইডব্লিউএ, এআইসিসিটিইউ এবং ইউটিইউসি বিক্ষোভে শামিল হয়। এর আগে গত ২২মে শ্রম আইন পরিবর্তনের বিরোধিতায় প্রতিবাদে শামিল হয়েছিল সংগঠনগুলি।

পড়তে পারেন: যাত্রী ট্রেন চালাতে বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে আবেদন চাইছে রেলমন্ত্রক

Continue Reading

দেশ

‘বিস্তারবাদ’ অতীত, বিশ্বে এখন ‘বিকাশবাদ’ প্রাসঙ্গিক, লাদাখে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

আমরা যেমন বংশীধারী শ্রীকৃষ্ণের পুজো করি, তেমনই সুদর্শন চক্রধারী শ্রীকৃষ্ণের পুজোও করি, লাদাখে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ওয়েবডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনার মাঝেই আচমকা লাদাখ সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেনাবাহিনীর উদ্দেশে বক্তব্য় রাখেন। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে ‘বিস্তারবাদ’ এখন মুছে গিয়েছে। এখন ‘বিকাশবাদ’ প্রাসঙ্গিক। সারা প‌ৃথিবী এখন বিস্তারবাদী শক্তির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করছে।

চিনের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে মোদী বলেন, “এখন বিকাশবাদের যুগ। ইতিহাস সাক্ষী, বিস্তারবাদীরা মুছে গিয়েছে। বিশ্বে শান্তি বিঘ্নিত করার জন্য চেষ্টা চালিয়েছে বিস্তারবাদীরা। কিন্তু প্রতিবারই তাদের পরাস্ত হতে চেয়েছে। কারণ, সারা বিশ্ব তাদের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়ছে”।

সেনার মনোবল বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গলওয়ান উপত্যকায় আপনারা যে বীরত্ব দেখিয়েছেন, তা সারা দেশ স্মরণে রাখবে। সারা বিশ্ব দেখেছে আপনাদের বীরত্ব এবং ক্রোধ। আপনাদের বীরত্বের জন্যই সারা দেশ সুরক্ষিত। শান্তির জন্য় যে শক্তি চাই, সেটাই আপানারা দেখিয়ে দিয়েছেন। আপনাদের সংকল্প এই উপত্য়কার থেকেও শক্ত, আপনাদের ইচ্ছাশক্তি এই পর্বতের মতোই অটল”।

একই সঙ্গে নাম না করে প্রধানমন্ত্রী চিনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “গলওয়ান উপত্যকা আমাদেরই। লাদাখ ভারতের মুকুট। ভারত সব সময়ই শান্তির কথা বলে। কিন্তু আমরা যেমন বংশীধারী শ্রীকৃষ্ণের পুজো করি, তেমনই সুদর্শন চক্রধারী শ্রীকৃষ্ণের পুজোও করি। আমরা হাতিয়ার ধরতে জানি। ভারতের শত্রুতা সেনার শক্তি দেখেছে”।

সেনার সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “ আমরা সবাই মিলে আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তুলব। আপনার আত্মত্যাগের মাধ্যমে আত্মনির্ভর ভারত আরও দৃঢ় হবে। আপনাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আমরা আরও কঠিন চ্য়ালেঞ্জের মোকাবিলা করব”।

লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় চিনা বাহিনীর মুখোমুখি হওয়া ভারতীয় জওয়ানদের সাহসিকতার প্রশংসা করে মোদী বলেন, “১৪ কোরের বীরত্বের কাহিনী সবাই জানে। আপনার বীরত্ব ও বীরত্বের কাহিনি দেশের প্রতিটি বাড়িতে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে”। একই সঙ্গে এ দিন তিনি আরও একবার ওই সংঘর্ষে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

চিনের প্রতিক্রিয়া

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর লাদাখ সফরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ন বলেন, “ভারত ও চিন সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে উত্তেজনা হ্রাস করার বিষয়ে যোগাযোগ এবং আলোচনা চালাচ্ছে। এই মুহূর্তে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপে কোনো পক্ষেরই জড়ানো উচিত নয়”।

Continue Reading
Advertisement
রাজ্য26 mins ago

এ বার মাস্ক না পরলে শাস্তি‍! নতুন নির্দেশিকা রাজ্য়ের

ক্রিকেট32 mins ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: ম্যাচ গড়াপেটার তদন্ত বন্ধ করল শ্রীলঙ্কা

দেশ1 hour ago

নাগাল্যান্ডে নিষিদ্ধ হল কুকুরের মাংস

দেশ1 hour ago

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, রেল বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে ট্রেড ইউনিয়নগুলি

দেশ2 hours ago

‘বিস্তারবাদ’ অতীত, বিশ্বে এখন ‘বিকাশবাদ’ প্রাসঙ্গিক, লাদাখে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

gst
শিল্প-বাণিজ্য3 hours ago

জিএসটি-তে বড়োসড়ো স্বস্তি, কমল জরিমানা

দেশ3 hours ago

এক মাসে ভারত-বাংলাদেশ পণ্যবাহী শতাধিক ট্রেন চলেছে

thunderstorm
রাজ্য4 hours ago

কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা

নজরে