গণ অর্থসংগ্রহে রেকর্ড গড়ে ফেললেন সিপিআই প্রার্থী কানহাইয়া কুমার

0
Kanhaiya Kumar

ওয়েবডেস্ক: বিহারের বেগুসরাইয়ের সিপিআই প্রার্থী কানহাইয়া কুমার সাধারণ মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি ভোটের গণ অর্থ সংগ্রহ অভিযানেও ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁর লক্ষ্য, সব মিলিয়ে ৭০ লক্ষ টাকার মতো সংগ্রহ। সেই লক্ষ্যকেই সামনে রেখে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মাত্র দু’দিনে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করলেন তিনি।

কানহাইয়া নিজের গণ অর্থ সংগ্রহ অভিযান প্রসঙ্গে আগেই বলেছেন, “বিন্দু বিন্দু জল যেমন একটি মাটির পাত্রকে পূর্ণ করে দেয়, তেমনই আপনাদের দেওয়া ১ টাকা আমার এই ক্যাম্পেন ফান্ডকে পরিপূর্ণ করে দেবে। আর এই অর্থ দিয়েই আমি আমি লড়তে পারব নির্বাচনে, লোকসভায় পৌঁছতে পারলে প্রান্তিক ও শোষিত মানুষদের হয়ে কথা বলতে পারব”।

তাঁর সেই মানসিক দৃঢ়তা যে কতটা কঠিন সেটাই প্রমাণ করলেন কানহাইয়া। এ কথা ঠিক, মহাজোটে জায়গা না হলেও বেগুসরাই থেকে সিপিআইয়ের প্রার্থী হয়েছেন কানহাইয়া কুমার। ফলে নির্বাচনী যুদ্ধটা বেশ কঠিন। তার উপর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। কিন্তু বিহারের বামপন্থীদের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত স্থানগুলির মধ্যে অন্যতম বেগুসরাইয়ে তাঁকে প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করার পর যথেষ্ট বিড়ম্বনার সৃষ্টিও তিনি করেছিলেন।

অন্য দিকে আরজেডি ওই আসনে এখনও প্রার্থী না-দিলেও যে কোনো সময় তা ঘোষণা করতে পারে। জানা গিয়েছে, ওই কেন্দ্রে আরজেডি প্রার্থী করতে পারে গত লোকসভা ভোটের পরাজিত প্রার্থী তনবীর হাসনকে। তবুও রাজনৈতিক মহলের মতে, বেগুসরাইয়ে এ বার লড়াই হতে চলেছে ভূমিহার সম্প্রদায়ের দুই প্রার্থী কানহাইয়া এবং গিরিরাজের মধ্যেই। যে কারণে নির্বাচনের পর হয়তো শেষ হাসিটা হাসতে পারেন কানহাইয়া-ই।

সেই লড়াইয়ে জেতার আগেই তাঁর স্বঘোষিত এই অর্থ সংগ্রহ অভিযানে জয়ের দিকেই এগোচ্ছেন তিনি। বৃহস্পতিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, মাত্র দু’দিনে কানহাইয়া সংগ্রহ করেছেন প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা। এ তথ্য জানিয়েছেন সিপিআই নেতা সত্যনারায়ণ সিং।

আরও পড়ুন: ৩ দশক পর ফের বিহার থেকে সংসদে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা এক মার্কসবাদী-লেনিনবাদী প্রার্থীর

উল্লেখ্য, প্রথম দিনের অর্থ সংগ্রহে উঠে এসেছিল ৫ লক্ষ টাকা। তবে দ্বিতীয় দিনে পারদ এক ঝটকায় অনেকটাই উঠে গেল। ২০১৬ সালে দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কানহাইয়াকে গ্রেফতার করা হয় ‘দেশদ্রোহিতা’র অভিযোগে। সেই মামলা এখনও চলছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.