বামফ্রন্ট-কংগ্রেসের জোটে কাঁটা! নমনীয় হতে নারাজ সোমেন মিত্র

0
Cpim and Congress
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট-কংগ্রেস জোট হবে কি না, হলেও কী শর্তে হতে পারে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গেল বুধবার রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সোমেন মিত্রের বৈঠকের পরও।

জানা গিয়েছে, এ দিন দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেনবাবুর সঙ্গে বৈঠকে বসেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল। ওই বৈঠকের আগে গত মঙ্গলবার রাত ১০টা নাগাদ সোমেনবাবুকে জরুরি তলব করেন রাহুল। এ দিনের বৈঠকে মুর্শিদাবাদ এবং রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্র নিয়ে নমনীয় হতে নারাজ সোমেনবাবু। তিনি সরাসরি জানিয়ে দেন, “রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদে লড়তে চাই”। ঠিক একই কথা শোনা গিয়েছে সিপিএম নেতৃত্বের মুখেও। স্বাভাবিক ভাবে সমঝোতার পথ খুলতে ফের সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা জানিয়ে দিলেন রাহুল।

এর আগে গত সোমবারই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট-কংগ্রেস জোট নিয়ে তুমূল আলোচনা হয়। অবশেষে কেন্দ্রীয় কমিটি স্থির করে, রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ আসন নিয়ে কোনও দর কষাকষিতেই যাবে না বামফ্রন্ট। তেমনই কংগ্রেসের জেতা ৪টি আসনেও কোনও প্রার্থী দেবে না তারা। গত মঙ্গলবার রাহুলকে চিঠি লিখে সোমেনবাবুও নিজের মত জানিয়ে দেন। এর পর দিনই সোমেন-রাহুল বৈঠকে।

[ আরও পড়ুন: কংগ্রেসের সঙ্গে দর কষাকষিতে কর্নাটকে নমনীয় হল জেডিএস ]

স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ আসন নিয়ে। সিপিএমের যুক্তি মেনে যদি এই দু’টো আসনই কংগ্রেসকে ছেড়ে দিতে হয়, তা হলে দলের কর্মী-সমর্থক মহলে সঠিক বার্তা না-ও যেতে পারে। তবে একটি ছেড়ে একটি হাতে রাখার কৌশলও নেওয়া হতে পার। কিন্তু সিপিএম যে ভাবে এই আসন দু-টি নিয়ে আগাম বার্তা দিয়ে রেখেছে, তার পরে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেটা নির্ভর করছে রাহুলের উপরই।

দলীয় সূত্রে খবর, এ দিন বৈঠকে রাহুল জানিয়েছেন, সিপিএম নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন