পার্টি অফিসে আগুন, বোমাবাজি, সিপিএম-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ত্রিপুরা

0

আগরতলা: উদয়পুর, বিশালগড়-সহ বিভিন্ন এলাকায় বিজেপি-সিপিএম সংঘর্ষের জেরে কার্যত রণক্ষেত্রের আকার নিল ত্রিপুরা। মিছিল, পালটা মিছিলকে কেন্দ্র করে বুধবার সংঘর্ষ ছড়ায় রাজধানী আগরতলাতেও।

ঘটনায় প্রকাশ, উদয়পুরে একাধিক বাড়ি-দোকানে হামলা চলে। বিজেপির অভিযোগ, সিপিএমের দফতর থেকে বোমা ছোড়া হয়। গেরুয়া শিবিরের দাবি, শুধু বিজেপি-র কর্মীরাই নন, পথচলতি মানুষেরাও সিপিএমের হামলায় আক্রান্ত হয়েছেন। ওই ঘটনায় বেশ কয়েক জন বিজেপি কর্মীকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে হয় পুলিশকে।

অন্য দিকে, বিশালগড়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় সিপিএমের পার্টি অফিসে। সিপিএমের দু’টি পার্টি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। একটি পার্টি অফিসের গেট প্রথমে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়, তার পর ভিতরে ঢুকে আগুন লাগানো হয়। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে আসে দমকল।

শুধু তাই নয়, হামলা চালানো হয় সিপিএমের সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য পার্থপ্রতীম মজুমদারের বাড়িতেও। স্থানীয় সংবাদপত্র ‘প্রতিবাদী কলম’-এর কার্যালয়েও হামলা চলে। দুষ্কৃতীরা সম্পাদক অনল রায়চৌধুরীর গাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং সাংবাদিকদের মোটরবাইক জ্বালিয়ে দেয়।

Shyamsundar

এ ছাড়া রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা অনেক গাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন লাগানো হয়। দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষে রাজধানী আগরতলায় সাধারণ মানুষের আতঙ্কে প্রাণভয়ে ছোটাছুটির দৃশ্যও উঠে এসেছে কিছু ছবিতে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার দফায় দফায় সিপিএম ও বিজেপি সংঘর্ষ ত্রিপুরায়। ধনপুর বাজারে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের গাড়িতে হামলার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। বাঁশপুকুর বাজারেও সিপিএম-বিজেপি সংঘর্ষ হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে মিছিলের ডাক দিয়েছিল শাসক দল। ওই মিছিল থেকেই ফের সংঘর্ষ বাঁধল এ দিন।

এ দিনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করে ত্রিপুরা বামফ্রন্টের আহ্বায়ক বিজন ধর অভিযোগ করেন, বিজেপির সমর্থকরা আগরতলা-সহ বিভিন্ন স্থানে সিপিএম পার্টি অফিসে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা একাধিক পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালায়, আগুন ধরায়। অফিসের বাইরে পার্ক করা গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি তারা মিডিয়া হাউসেও ভাঙচুর চালায় এবং তাদের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। সাংবাদিকরাও রেহাই পাননি।

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “স্বৈরাচারী সরকারের শাসন চলছে ত্রিপুরায়”। অন্য দিকে, ত্রিপুরা বিজেপির দাবি, “রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা নিজে উপস্থিত থেকে সন্ত্রাসে প্ররোচণা দিচ্ছেন”।

আরও কিছু উল্লেখযোগ্য খবর পড়ুন এখানে:

ব্রহ্মপুত্র নদে দু’টি নৌকার সংঘর্ষে ভয়ংকর দুর্ঘটনা অসমে, মৃত কমপক্ষে ১, নিখোঁজ অনেকেই

বড়ো খবর! রবি শস্যে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাড়াল কেন্দ্র

নন্দীগ্রামের মতোই একই তারিখে ভবানীপুরে মনোনয়ন জমা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভবানীপুর উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল সিপিএম

আফগানিস্তানে সরকার ঘোষণা হতেই দিল্লিতে সিআইএ প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করলেন অজিত ডোভাল

বিশ্বভারতীর তিন ছাত্রের বহিষ্কারে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন