CPIM

ওয়েবডেস্ক: ‘গণতন্ত্র হত্যা’র অভিযোগ তুলে আগামী জুলাই মাসে দেশজোড়া প্রতিবাদ আন্দোলনে ঝাঁপ দিতে চলেছে সিপিএম। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শেষ বৈঠকে এ বিষয়ে যাবতীয় আলোচনা হলেও সম্ভাব্য দিন সম্পর্কে স্থায়ী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।

সিপিএম সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গ এবং ত্রিপুরায় ‘গণতন্ত্রকে হত্যা’ করে চলেছে শাসক দল। পশ্চিমবঙ্গে বিগত সাত বছর ধরে অরাজক অবস্থা চললেও গত পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকেই পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে সদ্য রাজনৈতিক ক্ষমতা হস্তান্তর হওয়া ত্রিপুরাতেও। সেখানে বিজেপি সরকারের শুরুর দিন থেকে বামপন্থী কর্মীদের উপর আক্রমণ নেমে এসেছে। গত তিন মাসে সিপিএমের শতাধিক পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। খুন হয়েছেন একাধিক দলীয় সদস্য। পাশাপাশি সিপিএম কর্মী হিসাবে এলাকায় পরিচিত ব্যক্তিদের সর্বদা শাসক দলের দুষ্কৃতীদের আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে। এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েও তেমন কোনো সুরাহা মিলছে না।

শুধু তাই নয়, ত্রিপুরার বর্তমান বিরোধী নেতা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে পর্যন্ত বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তিনি আক্রান্ত আদিবাসী এলাকায় যেতে চাইলে তাঁকেও আটকে দেওয়া হয়। অথচ, দেশের সংবিধান বলে কোনো রাজ্যের বিরোধী দলনেতা একজন পূর্ণমন্ত্রীর সমান মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য।

অন্য দিকে পশ্চিমবঙ্গেও পঞ্চায়েত ভোট থেকে বামপন্থী কর্মী-সমর্থকদের উপর আক্রমণের হার বেড়েছে বলে দাবি করছে সিপিএম। ওই ভোটকে কেন্দ্র করে ১০ জন কর্মীকে খুন করা হয়েছে। পাশাপাশি পঞ্চায়েতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের পরিবার-পরিজনরা শিকার হচ্ছেন আক্রমণের। পুলিশ প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল বামপন্থীদের উপর হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করে সিপিএম।

দলীয় ভাবে জানানো হয়েছে, আগামী জুলাই মাসে এই দুই রাজ্যে ‘গণতন্ত্র হত্যা’র প্রতিবাদে দেশ জুড়ে আন্দোলন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here