ছত্তীসগঢ়ে মাওবাদী অধ্যুষিত বস্তারে নিজেদের ক্ষমতা বাড়াচ্ছে সিআরপিএফ

0
219
maoist encounter in chattisgarh

রায়পুর: মাওবাদী উপদ্রুত অঞ্চল হিসেবে পরিচিত বস্তার। সাম্প্রতিক কালে বেশ কয়েক বার মাওবাদীদের হাতে পরাস্ত হতে হয়েছে সিআরপিএফকে। সেই সব হামলা থেকে শিক্ষা নিয়ে এ বার ওই অঞ্চলে নিজেদের শক্তি আরও বাড়াচ্ছে তারা।

বস্তারে আরও দুই ব্যাটিলিয়ন জওয়ান মোতায়েন করা হবে বলে জানান সিআরপিএফের ডিরেক্টর জেনারেল আর আর ভাটনগর। তাঁর কথায়, “এক ব্যাটিলিয়ন জওয়ান বস্তারে পৌঁছেছে। আরও এক ব্যাটিলিয়নকে পাঠানো হচ্ছে।” উল্লেখ্য, একটি ব্যাটিলিয়নে এক হাজার জওয়ান থাকে।”

বস্তারের সুকমা এবং বিজাপুর জেলায় এই জওয়ানদের মোতায়েন করা হবে। সিআরপিএফ সূত্রে জানানো হয়েছে, এই দুই জেলা নিয়ে বিস্তার করা অবুঝমাড় জঙ্গলে তাদের নতুন ক্যাম্প বসানো হবে, যাতে মাওবাদীদের সঙ্গে পালটা লড়াই করা যায়। প্রসঙ্গত অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং ছত্তীসগঢ়ের সীমানায় অবস্থিত এই জঙ্গল এলাকাটি মাওবাদীদের সব থেকে শক্তিশালী ঘাঁটি বলে পরিচিত।

মাওবাদী দমনে সিআরপিএফের অস্ত্রেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সাধারণত সিআরপিএফ জওয়ানদের কাছে ইনসাস বন্দুক থাকে, কিন্তু এ বার থেকে তাদের ‘একে’ সিরিজের বন্দুক দেওয়া হবে। শীঘ্রই জওয়ানদের হাতে এক-৪৭ এবং একে-৫৬ বন্দুক পৌঁছে যাবে। ভাটনগরের কথায়, “দেশে একমাত্র দক্ষিণ বস্তারেই এখন মাওবাদীর প্রভাব সব থেকে বেশি। সেটাই কমানোর পরিকল্পনা করছি।”

এর পাশপাশি জওয়ানদের নিরাপত্তার ব্যবস্থাও ভাবাচ্ছে সিআরপিএফকে। এর জন্য আরও কিছু পদক্ষেপ করা হচ্ছে সিআরপিএফের তরফ থেকে। ভাটনগরের কথায়, “জওয়ানদের নিরাপত্তা এখন আমাদের প্রধান চিন্তার বিষয়। পুলিশের সঙ্গে এখন আমাদের সমন্বয় আগে থেকে অনেক ভালো হয়েছে।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক কালে সিআরপিএফের ওপর সব থেকে ভয়ংকর মাওবাদী হামলাগুলি ঘটেছে এই বস্তার অঞ্চলেই। এ বছরের মার্চ এবং এপ্রিলে সিআরপিএফের ওপর দু’টি পৃথক মাওবাদী হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন যথাক্রমে ১২ এবং ২৫ জন জওয়ান। ২০১০-এ এই অঞ্চলেই মাওবাদী হামলায় নিহত হয়েছিলেন ৭৫ জন জওয়ান।

 

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here