Connect with us

দেশ

উম্পুন লাইভ: দুর্যোগের শেষ এখানেই নয়, আবহাওয়া দফতর

খবর অনলাইন ডেস্ক: ধেয়ে আসছে চরম অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে (extremely severe cyclonic storm) উম্পুন। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় রাজ্য। ঘূর্ণিঝড়ের যাবতীয় আপডেটে চোখ রাখতে দেখতে থাকুন খবর অনলাইনে। (বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে সর্বশেষ আপডেট না দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে ক্ষমাপ্রার্থী)

২০ মে, দুপুর ১:১৫-এর পর থেকে সব আপডেট দেখুন এখানে

+++++ (রাত ৯.০০) রাত ৮টার পরে কলকাতায় হালকা হতে শুরু করে উম্পুনের তাণ্ডব। তবে আগামী সোমবার পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দুর্যোগ চলবে বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

+++++ (রাত ৮.০০) টানা কয়েক ঘণ্টা তাণ্ডব চালিয়ে কলকাতা এবং সংলগ্ন জেলাগুলিতে ক্রমশ স্থিমিত হচ্ছে উম্পুনের গতি। সন্ধ্যে সাড়ে সাতটার আশেপাশে দমদমে ঝড়ের সর্বোচ্চ গতি ছিল ১৩৩ কিমি/ঘণ্টা। অন্য দিকে একই সময়ে হাওড়া এবং হুগলিতে ঝড়ের সর্বোচ্চ গতি ছিল ১৩০ কিমি/ঘণ্টা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে ধ্বংসলীলা। কয়েক হাজার গাছ পড়ে গিয়েছে, ভেঙে গিয়েছে কাঁচাবাড়ি। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১০-১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন এখানে: উম্পুনে ধ্বংসস্তূপের উপরে দাঁড়িয়ে বাংলা: মমতা

+++++ (সন্ধ্যা ৬:০০) কলকাতা এবং সংলগ্ন জেলাগুলিতে অব্যাহত উম্পুনের তাণ্ডব। জানা গিয়েছে, হাওড়ায় ঝড়ের কবলে পড়ে এক ১৩ বছরের নাবালিকার মৃত্যু হয়েছে। উড়ে আসা টিনের ছাউনির আঘাতে গুরুতর আহত হয় ওই নাবালিকা। ওড়িশায় মৃত ২। কলকাতায় এখন ঝড়ের গতি ১১২ কিমি/ঘণ্টা।

+++++ (বিকেল ৫:০০) আবহাওয়া বিভাগ জানাল, বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত উম্পুনের দাপট থাকতে পারে কলকাতায়। কলকাতায় এখন ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ৭২ কিমির বেশি। হাওড়া, হুগলি এবং কলকাতায় বইছে ঝোড়ো হাওয়া। গতি বেড়ে ১১০-১২০ কিমি/ঘণ্টা হতে পারে।

+++++ (বিকেল ৪:৩০) বাংলার উপকূল এলাকায় উম্পুনের গতি ১৪০-১৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা। কলকাতা থেকে আনুমানিক ৪০ কিমি দূরে রয়েছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। ঘণ্টাখানেকেরও কম সময়ের মধ্যে মহানগরে পূর্ণশক্তিতে আছড়ে পড়তে পারে।

+++++ (বিকেল ৪:০০) হুগলিতে ঢুকল ৪৫ কিমি/ঘণ্টা বেগে ঝড়ো হাওয়া। নবান্নের কন্ট্রোল রুমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপজ্জনক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ।

+++++ (বেলা ৩:৩০) কলকাতায় তাণ্ডব শুরু। কলকাতা এবং শহরতলির বিভিন্ন জায়গায় ভেঙে পড়ল গাছ, ট্রাফিক সিগন্যালের খুঁটি। দক্ষিণ শহরতলির একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যাহত।

+++++ (বেলা ৩:০০) বাংলাদেশে উম্পুনের কবলে পড়ে প্রথম মৃত্যু ঘটল বুধবার। ১৮৫ কিমি বেগে ধাবমান এই ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চল মিলিয়ে প্রায় দু’কোটি মানুষকে সরিয়ে ১২ হাজার সাইক্লোন সেন্টারে রাখা হয়েছে।

+++++ (দুপুর ২:৪৫) ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শুরু হল ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের

+++++ (দুপুর ২:১৫) আছড়ে পড়ার আগেই কলকাতার বিভিন্ন অংশে তাণ্ডব চালাচ্ছে উম্পুন। একাধিক জায়গায় ভেঙে পড়েছে গাছ।

+++++ দিঘা থেকে মাত্র ৯৫ কিমি দূরে উম্পুন।

২০ মে, দুপুর ১টা

কলকাতায় বন্ধ করে দেওয়া হল সব উড়ালপুল।

২০ মে, দুপুর সাড়ে ১২টা

ভারী বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল কলকাতাতেও। সকাল থেকেই কমবেশি বৃষ্টি হচ্ছিল শহরে। বেলা বারোটার পর বৃষ্টির দাপট অনেকটাই বেড়েছে। সর্বশেষ জানা গিয়েছে যে দিঘা থেকে ১২৫ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে রয়েছে ঘূর্ণিঝড় উম্পুন। দুপুর আড়াইটে থেকে ‘ল্যান্ডফল’ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যেতে পারে। বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে।

২০ মে, সকাল ১১টা

প্রবল বেগে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় উম্পুন। নতুন করে উম্পুনের শক্তি কমানোর সম্ভাবনাও ক্রমশ কমছে। এখনও পর্যন্ত যা পরিস্থিতি তাতে মনে করা হচ্ছে এ দিন দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টাপ্রতি ১৮৫ কিমি বেগে আছড়ে পড়তে পারে ঝড়।

২০ মে, সকাল সাড়ে দশটা

দিঘা থেকে দুশো কিলোমিটার দূরে রয়েছে ঘূর্ণিঝড় উম্পুন।

২০ মে, সকাল সাড়ে ন’টা

রাজ্যের উপকূলের অনেকটাই কাছাকাছি চলে এসেছে ঘূর্ণিঝড় উম্পুন। শক্তি কমলেও, এখনও ভয়াবহ তাণ্ডব চালানোর ক্ষমতা রয়েছে তার। ইতিমধ্যে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চলে।

বুধবার সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় কাঁথিতে ১০৬ মিমি এবং দিঘায় ৮৫ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ২৬ মিমি। খড়গপুরে ৫৮ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির দাপট এখনও ক্রমশ বাড়বে রাজ্যে।

২০ মে, সকাল ৭টা

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের প্রভাব বুধবার সকাল থেকে ভালো করেই টের পাওয়া যাচ্ছে রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চলে। কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলেও প্রভাব পড়ছে ভালো ভাবেই। আসলে ঘূর্ণিঝড় এখন তিনশো কিলোমিটারের মধ্যে এসে গিয়েছে।

এ দিন ভোর সাড়ে ৫টার পর্যবেক্ষণ বলছে উম্পুন এখন দিঘা থেকে ২৫০ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে। একটু একটু করে শক্তি কমিয়ে সে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। বর্তমানে চরম অতি প্রবল বা Extreme Severe Cyclonic Storm থাকলেও, আছড়ে পড়ার আগে সেটি অতি প্রবল বা Very Severe Cyclonic Storm-এ দুর্বল হতে পারে।

তবে সে ক্ষেত্রেও আছড়ে পড়ার সময়ে দক্ষিণ ২৪ পরগণার উপকূল জুড়ে হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭৫ কিমির মতো থাকতেই পারে।

ইতিমধ্যেই বৃষ্টির দাপট বাড়ছে সর্বত্র। ঘূর্ণিঝড় যত এগোবে বৃষ্টি আরও বাড়বে। তাণ্ডব বাড়বে ঝড়েরও। আজ দুপুর থেকেই ঘণ্টায় ১১০-১২০ কিমি বেগে হাওয়া শুরু হয়ে যাবে উপকূলীয় অঞ্চলে।

প্রবল জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। দক্ষিণ আর উত্তর ২৪ পরগণায় স্বাভাবিকের ১৫ থেকে ১৬ ফুট বেশি উঁচু ঢেউ উঠত পারে।

১৯ মে রাত ১২টা

রাজ্যের উপকূলের আরও কাছে চলে এসেছে উম্পুন। এই মুহূর্তে সে অবস্থান করছে দিঘা থেকে ৩৯০ আর কলকাতা থেকে ৫০৭ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে। এখন সে চরম অতি প্রবল ঝড় হিসেবে রয়েছে। সে দ্রুত উত্তর উত্তরপূর্ব দিকে এগোচ্ছে, বাকি পথটা সম্ভবত বুধবার বিকেলের আগেই অতিক্রম করবে।

বুধবার দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে বকখালির কাছে উম্পুন ল্যান্ডফল করতে পারে। তখন ঝড়ের গতিবেগ সর্বোচ্চ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৮৫ কিমি। তবে এই গতিবেগ কমতেও পারে।

এখন রাত যত বাড়ছে বৃষ্টি তত বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট। বৃষ্টি হচ্ছে উপকূলবর্তী জেলাগুলি এবং কলকাতা ও তৎসংলগ্ন জেলাগুলোতে।

রাত ১১টার পর থেকে কলকাতা শহরে বৃষ্টির দাপট বেশ বেড়েছে।  

১৯ মে, রাত ৮টা

রাজ্যের উপকূলের অনেকটাই কাছে চলে এসেছে উম্পুন। এই মুহূর্তে সে অবস্থান করছে দিঘা থেকে ৪৩৮ আর কলকাতা থেকে ৫৫৫ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে রয়েছে। দুপুরেই সুপার সাইক্লোনের তকমা হারিয়েছিল উম্পুন। এই মুহূর্তে সে চরম অতি প্রবল ঝড় হিসেবে রয়েছে। সে এ বার দ্রুত উত্তর উত্তরপূর্ব দিকে এগোবে, আর বাকি পথটা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সম্ভবত অতিক্রম করবে।

দিঘা থেকে বাংলাদেশের হাতিয়া দ্বীপের মধ্যবর্তী কোনো অঞ্চল দিয়ে ঝড়টির ল্যান্ডফলের কথা বলা হলেও, মনে করা হচ্ছে বকখালির পূর্ব দিক দিয়ে স্থলভাগে ঢুকতে পারে সে। আছড়ে পড়ার আগে তার শক্তি আরও কিছুটা কমবে।

কলকাতার ২৭ কিমি পূর্ব দিয়ে এই ঝড় অতিক্রম করতে পারে। ফলে রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চল তো বটেই, কলকাতাতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই বৃষ্টির দাপট বাড়ছে। কলকাতায় থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও, উপকূলবর্তী অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ঝোড়ো হাওয়ার দাপটও বাড়ছে। উম্পুন যত এগোবে ততই বাড়বে ঝড় আর বৃষ্টির দাপট।

১৯ মে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা

আরও কিছুটা এগোলো ঘূর্ণিঝড় উম্পুন। এই মুহূর্তে ঝড়টি দিঘা থেকে ৫১০ কিমি দূরে রয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও রয়েছে। কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে।

১৯ মে, বিকেল সাড়ে চারটে

আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ হিসেব বলছে ঘূর্ণিঝড় উম্পুন সুপার সাইক্লোন থেকে শক্তি কমিয়ে চরম অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় হয়েছে। এই মুহূর্তে তার অবস্থান দিঘা থেকে ৫৭০ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে।

এই ঝড়ের ফলে ইতিমধ্যেই কলকাতা এবং রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

১৯ মে , দুপুর ২:১৫

কলকাতার বিভিন্ন অংশে বৃষ্টি শুরু।

১৯ মে সকাল সাড়ে ১২টা

উম্পুন এখন দিঘা থেকে ৬৩০ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছে। গত ৬ ঘণ্টায় তার শক্তি কমেছে বেশ কিছুটা। তবে এখনও সুপার সাইক্লোন হিসেবে রয়েছে সে। আগামী ছ’ঘণ্টায় সুপার সাইক্লোনের তকমা হারাতে পারে সে।

ইতিমধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশে মেঘ ঢোকাতে শুরু করে দিয়েছে উম্পুন। উপকূলের কিছু কিছু জায়গায় হালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। দুপুর অথবা বিকেলের দিক থেকে বৃষ্টি হতে পারে কলকাতাতেও।

বর্তমান পরিস্থিতিতে মনে করা হচ্ছে বকখালির পূর্ব দিক দিয়ে আঘাত হানার সময়ে উম্পুনের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৭৫ কিমি।

কিছুক্ষণ আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

রাজ্যে কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে? জেনে নিন

১৯ মে সকাল ৮টা

শক্তি কমানোর প্রাথমিক একটা লক্ষণ দেখা গেল ভয়াল ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের মধ্যে। বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার কর্ণধার তথা আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা জানাচ্ছেন, “ঘূর্ণিঝড়ের ‘চোখ’ ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, যা শক্তি কমারই ইঙ্গিত।”

মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকা থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় চলে এলে উম্পুনের দাপট যে কমবে, সেটা প্রত্যাশিতই ছিল। একাধিক কারণেই শক্তি কমবে উম্পুনের। প্রথমে বাতাসের উপরের স্তরের যে হাওয়া রয়েছে (Vertical Wind Sheer) সেটা শক্তিশালী হচ্ছে। আর দ্বিতীয়ত ঘূর্ণিঝড়টি এখন আগের থেকে অনেক বেশি দ্রুত গতিতে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। গতি যত বাড়বে, ততই শক্তি কমবে ঝড়ের।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে পাঁচটার রেকর্ড বলছে, উম্পুন দিঘা থেকে ৬৬৮ আর কলকাতা থেকে ৭৭৮ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে রয়েছে। বুধবার, দুপুর অথবা রাতের দিকে বকখালির পূর্ব দিক দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে এই ঝড়। ‘ল্যান্ডফল’-এর সময়ে, তার সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৯৫ কিমি। যদিও এই গতিবেগ আরও কিছুটা কমার সম্ভাবনাও এক্কেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গত বছর বুলবুল আঘাত এনেছিল ১৪৫ কিমি গতিবেগে। সেই হাওয়াতেই কী ধরনের ধ্বংসলীলা চলেছিল আমরা জানি। ফলে এ বার বিপর্যয় আরও বেশি হতে পারে, তেমন আশঙ্কা তো থেকেই যায়।

১৮ মে সন্ধ্যা ৭:১৫

সমস্ত শক্তি নিয়ে এগিয়ে আসছে ভয়াল ঘূর্ণিঝড় উম্পুন। এই মুহূর্তে সেটি সুপার সাইক্লোনে পরিণত। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়ের এলাকায় বাতাসের গতিবেগ রয়েছে ঘণ্টায় ২৪০ কিমি। এটি এই মুহূর্তে দিঘা থেকে ৮৩০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে রয়েছে। আগামী ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টায় সে আরও শক্তি বাড়াবে। তবে স্বস্তির খবর এই যে মধ্য বঙ্গোপসাগর থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে ঢুকলে কিছুটা হলেও শক্তি কমবে এই ঝড়ের।

বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে করা হচ্ছে, বুধবার দুপুর থেকে বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে এই ঘূর্ণিঝড়টি বকখালির পূর্ব দিক দিয়ে স্থলভাগে ঢুকতে পারে। তখন হাওয়ার গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৭৫ থেকে ১৮৫ কিমি। কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ আনুমানিক ১২০ থেকে ১৩০ কিমি থাকতে পারে।

১৮ মে, বিকেল সাড়ে পাঁচটা

সুপার সাইক্লোন উম্পুন মোকাবিলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আর জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকে উপস্থিত রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও।

ইতিমধ্যে সুপার সাইক্লোনে পরিণত হয়ে আরও শক্তি বাড়াচ্ছে উম্পুন। এখন সে অবস্থান করছে দিঘা থেকে ৯৩০ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে। গতিপথ না বদলাতে বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে সুন্দরবন দিয়ে স্থলভাগে আছড়ে পড়বে সে। তখন তার গতিবেগ থাকতে পারে, ঘণ্টায় ১৮৫ কিমি।

ওড়িশার ৭টি আর পশ্চিমবঙ্গের ছ’টি জেলায় এনডিআরএফের ৩৭টি দল মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল এসএন প্রধান।

১৮ মে, দুপুর সাড়ে ১২টা

চোখ রাঙাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় উম্পুন। সুপার সাইক্লোনে পরিণত হয়ে গিয়েছে সে। আঘাত হানতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগণায়। এই পরিস্থিতিতে সোমবার বিকেলে বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ টুইট করে জানিয়েছেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আর জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী”

ঘূর্ণিঝড়টি এই মুহূর্তে দিঘা থেকে ৯৩০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে রয়েছে।

১৮ মে, সকাল সাড়ে ৭টা

শক্তি বাড়িয়ে সুপার সাইক্লোনে রূপান্তরিত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে ‘উম্পুন’-এর। ইতিমধ্যেই সেটি ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় তথা চরম অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত।

আবহাওয়া দফতর ও বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার সর্বশেষ আপডেট জানান দিচ্ছে, এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড়টি কলকাতা থেকে ১০৬৭ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং দিঘা থেকে ৯৮০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে রয়েছে। তবে গত ১২ ঘণ্টায় উত্তরমুখীর বদলে সে কিছুটা উত্তরপূর্বমুখী হওয়ায় ‘ল্যান্ডফল’-এর এলাকায় কিছুটা বদল আসতে পারে।

রবিবার পর্যন্ত দিঘাকেই টার্গেট করেছিল ‘উম্পুন’। কিন্তু সোমবার সকাল থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগণার উপকূলকে টার্গেট করছে সে। সেই গতিপথে আরও বদল হতেই পারে। পুরোপুরি বাংলাদেশকেও টার্গেট করতে পারে ‘উম্পুন’ আবার নাটকীয় ভাবে ঘুরে গিয়ে ওড়িশার দিকেই চলে আসতে পারে, তবে সেই সম্ভাবনা খুব কম।

‘ল্যান্ডফল’-এর আগে সে একটু শক্তি কমাবেই। ফলে সে যদি সুপার সাইক্লোন হয়ে যায় তা হলে আঘাত হানার আগে ‘চরম অতি প্রবল’-এ পরিণত হতে পারে। সে ক্ষেত্রেও আঘাত হানার সময়েও ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গতিবেগ দু’শো কিলোমিটারের কাছাকাছি থাকতে পারে। এই গতিবেগে রাজ্যের উপকূলে আঘাত হানলে সর্বনাশা বিপর্যয় ঘটতে পারে।

‘উম্পুন’ যদি দিঘার কাছাকাছি আঘাত হানে তা হলে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে কলকাতায়। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় আঘাত হানলে কলকাতার পাশ কেটে বেরোবে। দু’টি ক্ষেত্রেই কলকাতায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ১২০ কিমির কাছাকাছি থাকতে পারে।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে রাজ্যের উপকূলবর্তী এবং কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। এর পর যত সময় এগোবে তত বৃষ্টি এবং হাওয়ার দাপট বাড়বে। বুধবার রাজ্যে ভারী থেকে অতি ভারী এবং কোথাও কোথাও চরম অতি ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

এর পাশাপাশি ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাস দেখা দিতে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর আর দক্ষিণ ২৪ পরগণার উপকূলবর্তী অঞ্চলে স্বাভাবিকের থেকে ২-৩ মিটারের বেশি ঢেউ উঠতে পারে।

রাজ্যবাসীর এখন তাই একটাই প্রার্থনা, শেষ মুহূর্তে যেন গতিপথ বদল করে ‘উম্পুন’।

১৭ মে, সন্ধ্যা ৭টা

বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত ঘূর্ণিঝড় ‘উম্পুন’ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে শক্তি বাড়িয়েছে। এই মুহূর্তে তার অবস্থান কলকাতা থেকে ১২০৪ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিম এবং দিঘা থেকে ১১১০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিম। এই মুহূর্তে উম্পুনের কেন্দ্রে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ রয়েছে ১২০ কিমি প্রতিঘণ্টায়। আগামী ১২ ঘণ্টায় এটি আরও শক্তি বাড়িয়ে চরম অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় বা Extremely Severe Cyclonic Storm-এ পরিণত হবে। তখন তার গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় দু’শো কিমির কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে।

এই ঘূর্ণিঝড়টি আগামী ৩৬ ঘণ্টায় কিছুটা উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে এগোবে। তার পর উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে ঘুরে যাবে।

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের বর্তমান অনুমান, ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে দিঘা দিয়ে রাজ্যে ঢুকতে পারে। তবে রাজ্যে প্রবেশের আগে কিছুটা শক্তিক্ষয় হতে পারে তার। তার পর সে এগোবে ক্রমশ উত্তরে।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে রাজ্যের উপকূলবর্তী এবং কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। এর পর যত সময় এগোবে তত বৃষ্টি এবং হাওয়ার দাপট বাড়বে। বুধবার রাজ্যে ভারী থেকে অতি ভারী এবং কোথাও কোথাও চরম অতি ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রভাব পড়বে উত্তরবঙ্গেও। ঘূর্ণিঝড় ‘উম্পুন’ শক্তি কমাতে কমাতে এগোবে উত্তরবঙ্গের দিকে। ফলে ২১ থেকে ২৩ মে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। পাহাড়ে ধস নামারও আশঙ্কা রয়েছে।

১৭ মে, সকাল ৮টা

কিছুটা এগোলো ঘূর্ণিঝড় ‘উম্পুন।’ কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের হিসেবে সেটি নতুন করে শক্তি না বাড়ালেও বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার মতে, সেটি এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়ে নিয়েছে। এই মুহূর্তে ঝড়টির অবস্থান দক্ষিণমধ্য ও সংলগ্ন দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরের ওপরে।

ঘূর্ণিঝড়টি আপাতত শক্তি বাড়াতে বাড়াতে উত্তরপশ্চিম দিকে এগোবে। তার পরের এক দিন সেটি উত্তরমুখী হয়ে অবশেষে উত্তর উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হবে। ঘূর্ণিঝড়ের ‘ল্যান্ডফল’-এর ব্যাপারে আপাতত তিনটে সম্ভাবনা রয়েছে। তার মধ্যে সব থেকে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে দিঘায় আছড়ে পড়ার। এ ছাড়া এক্কেবারে ঘুরে গিয়ে বাংলাদেশে আছড়ে পড়া বা একদম না ঘুরে সোজা ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনাও একদম উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না এখনও পর্যন্ত। তবে সব থেকে বেশি বিপদের মুখে পশ্চিমবঙ্গই রয়েছে। সোমবার নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টির ‘ল্যান্ডফল’-এর ব্যাপারে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

তবে যে দিকেই আছড়ে পড়ুক রাজ্যের ওপর যে বিপদ আসছে তা বলাই বাহুল্য। মঙ্গলবার সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে রাজ্যের উপকূলবর্তী এবং কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। এর পর যত সময় এগোবে তত বৃষ্টি এবং হাওয়ার দাপট বাড়বে। বুধবার রাজ্যে ভারী থেকে অতি ভারী এবং কোথাও কোথাও চরম অতি ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

আপাতত আবহাওয়া দফতরের তরফে ঘূর্ণিঝড়ের যে গতিপথের ম্যাপ দেওয়া হয়েছে, ‘উম্পুন’ সেটা মেনেই যদি হয়, তা হলে ‘ল্যান্ডফল’-এর সময়ে তার গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৬৫ থেকে ১৮০ কিমি। কলকাতায় এই ঘূর্ণিঝড়টি Very Severe Cyclonic Storm হিসেবে আসতে পারে। তখন তার গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৪৫ কিমি।

তবে শেষ মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড়টি কিছুটা দুর্বল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও এক্কেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

১৬ মে, রাত সাড়ে ন’টা

সরকারি ভাবে ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হল বঙ্গোপসাগরের অতিগভীর নিম্নচাপ। নাম হল ‘উম্পুন।’ এই নামটি তাইল্যান্ডের দেওয়া। ইংরেজি বানান অনুযায়ী উচ্চারণ ‘আমফান’ হলেও, তাই ভাষায় তার উচ্চারণ ‘উম্পুন’।

১৬ মে, সন্ধ্যা ৭টা

বাংলার ওপরে বিপদ আসন্ন। সরকারি ভাবে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত নিম্নচাপটি এখনও ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত না হলেও, বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থাগুলির মতে, সেটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়ে গিয়েছে। হিসেব মতে, এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘আমফান’। নামটি তাইল্যান্ডের দেওয়া।

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর, সর্বশেষ যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে তাতে বলা হয়েছে বর্তমানে নিম্নচাপটি অতিগভীর নিম্নচাপে পরিণত। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়ে যাবে। তবে আবহাওয়া দফতর আর বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমা, একটি বিষয়ে একমত যে ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে চরম অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় অর্থাৎ Extremely Severe Cyclonic Storm-এ পরিণত হবে। ১৯ মে, বাংলার উপকূলের কাছে পৌঁছে এটি এতটা শক্তিবৃদ্ধি করতে পারে। তখন তার সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১৯০ কিমি। এর পর শক্তি কিছুটা কমিয়ে দিঘা দিয়ে রাজ্যে ঢুকতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান।’ মনে করা হচ্ছে বুধবার রাতের দিকে রাজ্যে ঢুকতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়।

এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাজ্যে সোমবার থেকেই রাজ্যের আবহাওয়া খারাপ হতে শুরু করবে। মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে। মঙ্গলবার এবং বুধবার ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। এমন কি কোথাও কোথাও চরম অতিভারী বৃষ্টিরও আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে প্রবল জলোচ্ছ্বাসও দেখা দিতে পারে উপকূলবর্তী অঞ্চলে। এর জেরে রাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যদিও শেষ মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথে নাটকীয় পরিবর্তনের সম্ভাবনা এখনও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর উত্তরপূর্বের বদলে উত্তরপূর্ব দিকে যায় তা হলে হয়তো বাংলার উপকূল রেহাই পেতে পারে। সে ক্ষেত্রে বিপদ ঘনিয়ে আসবে বাংলাদেশের ওপরে।

১৬ মে, সকাল সাড়ে ৭টা

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি সরকারি ভাবে এখনও শক্তিবৃদ্ধি না করলেও বেশ কিছু বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা জানিয়ে দিয়েছে, সেটি অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে গিয়েছে। শনিবার ভোর সাড়ে পাঁচটার রেকর্ড জানাচ্ছে, সেটি দক্ষিণমধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। কলকাতা থেকে এর দূরত্ব এখন ১৩৫০ কিমি। আজ রাতের মধ্যেই এটি ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সেটি আরও শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝ্‌ এমনকি অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপও নিতে পারে।

প্রথমত এটি উত্তরপশ্চিম দিকে এগোতে থাকবে। বিশাখাপত্তনমের অনেকটা কাছাকাছি চলে আসার পর সেটি একটি বাঁক নেবে। বিপদটা লুকিয়ে রয়েছে ওই বাঁকেই। কারণ, পূর্বাভাস বলছে, বাঁক নেওয়ার পর সেটি উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে এগোতে থাকবে। অর্থাৎ তার অভিমুখ থাকবে বাংলার দিকেই। যদি সে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে না ঘুরে শুধু উত্তরপূর্ব দিকে ঘোরে তা হলে বাংলা হয়তো রেহাই পেয়ে গেলেও যেতে পারে।

তবে ঘূর্ণিঝড়টি কোথায় ‘ল্যান্ডফল’ করবে, নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না এখনও পর্যন্ত। সোমবার নাগাদ সেটির ধারণা আরও পরিষ্কার হবে। তবে এটা বোঝা যাচ্ছে যে মঙ্গলবার সকাল থেকেই আবহাওয়া বদলে যাবে রাজ্যে। ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে দফায় দফায় বৃষ্টি হতে থাকবে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

উত্তরবঙ্গে এর প্রভাব খুব একটা বেশি পড়বে না। বেশি প্রভাবটাই থাকবে দক্ষিণবঙ্গে, বিশেষত উপকূলবর্তী অঞ্চলে। ইতিমধ্যেই মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

১৫ মে, সকাল ১১টা

বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ বলছে, বর্তমানে নিম্নচাপটি দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। বর্তমানে সেটি কলকাতা থেকে ১৩৫০ কিমি দক্ষিণে রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি গভীর নিম্নচাপে শক্তিশালী হয়ে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে।

আপাতত এটি উত্তরপশ্চিম দিকে এগোবে তার পর গতিপথ পরিবর্তন করে সে উত্তর-উত্তরপূর্বের দিকে এগোতে থাকবে। এখনও পর্যন্ত ‘ল্যান্ডফল’-এর জায়গা নির্দিষ্ট করে বলা না গেলেও, উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল থেকে বাংলাদেশ উপকূল পর্যন্ত এর আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ আর বাংলাদেশ উপকূলকে চূড়ান্ত সতর্ক থাকতে হবে।

এর জেরে আগামী সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। আগামী রবিবারের পর পশ্চিমবঙ্গ আর ওড়িশায় মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

তবে রাজ্যের আবহাওয়ায় কী রকম প্রভাব পড়তে চলেছে, সেটা আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে আরও পরিষ্কার করে বোঝা যাবে।

দেশ

করোনা চিকিৎসায় ভারতে সব থেকে সস্তার রেমডেভিসির ওষুধ নিয়ে এল জাউডাস ক্যাডিলা

সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি কোভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসায় এই ওষুধটি সরবরাহ করবে সংস্থা।

এর প্রতিটি ১০০ মিলিগ্রাম ফাইলের জন্য দাম পড়বে ২,৮০০ টাকা।

বেঙ্গালুরু: কোভিড-১৯ (Covid-19) রোগীর চিকিৎসায় ভারতে সব থেকে সস্তার রেমডেসিভির ওষুধ নিয়ে এল জাইডাস ক্যাডিলা (Zydus Cadila)। বৃহস্পতিবার মার্কিন বায়োফার্মাসিউটিক্যাল গিলেড সায়েন্সেসের অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ এই রেমডেসিভির বাজারে ছাড়ার কথা ঘোষণা করল সংস্থা।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে দাখিল করা ঘোষণাপত্রে জইডাস ক্যাডিলা জানিয়েছে, তাদের তৈরি এই ওষুধটির ব্র্যান্ড নেম ‘রেমড্যাক’ (Remdac)। এর প্রতিটি ১০০ মিলিগ্রাম ফাইলের জন্য দাম পড়বে ২,৮০০ টাকা। সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি কোভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসায় এই ওষুধটি সরবরাহ করবে সংস্থা।

অন্যান্য সংস্থার তৈরি রেমডেসিভিরের (remdesivir) দাম তুলনামূলক ভাবে এর থেকে অনেকটাই বেশি। অন্য়ান্য সংস্থাগুলির তৈরি ওষুধের একটি ফাইলের দাম ৪-৫ হাজার টাকা।

এই নিয়ে দেশে পাঁচটি সংস্থা রেমডেসিভির বাজারে নিয়ে এল। এর আগে সিপলা ফার্মাসিউটিক্যাল, মাইল্যান এনভি, হেটেরো ল্যাব ও জুবিল্যান্ট লাইফ সায়েন্সেস তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড বাজারে নিয়ে এসেছে।

অন্য দিকে বেশ কিছু দিন ধরেই ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এই ওষুধের প্রাপ্যতা এবং কালোবাজারি নিয়ে অভিযোগ উঠছিল। সস্থার এই নতুন ওষুধটি বাজারে চলে এলে সেই সংকট কিছুটা হলেও কাটবে বলে আশা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

ভারত-সহ ১২৭ টি দেশে ওষুধটির বিতরণের জন্য ডা. রেড্ডি’স ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড (Dr. Reddy’s Laboratories Ltd) এভং সিনজিন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের (Syngene International Ltd) সঙ্গে লাইসেন্সিং চুক্তিও করেছে আমেরিকার সংস্থা গিলেড সায়েন্সেস (Gilead Sciences’)।

ভারতের করোনা-পরিস্থিতি

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) প্রকাশিত তথ্যে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনারোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৩ লক্ষ ৯৬ হাজার ৬৩৮। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৬ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬২২। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬ লক্ষ ৯৫ হাজার ৯৮২ জন। অন্য দিকে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৭,০৩৩।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬,৯৯৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৫৬,৩৮৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯৪২ জনের। বিস্তারিত এখানে: কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৬৬৯৯৯, সুস্থ ৫৬৩৮৩

Continue Reading

দেশ

রামজন্মভূমি ট্রাস্টের প্রধানের কোভিড, ভূমিপুজোর দিন প্রধানমন্ত্রীর পাশেই ছিলেন

ছবি : সৌজন্যে ডিডি নিউজ

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কোভিডে (Covid 19) আক্রান্ত হলেন রামজন্মভূমি ট্রাস্টের প্রধান নিত্যগোপাল দাস। গত সপ্তাহের বুধবার রাম মন্দিরের ভূমিপুজোর দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) সঙ্গে এক মঞ্চেই ছিলেন তিনি।

মোদী ছাড়াও ভূমিপুজোর দিন নিত্যগোপাল দাসের সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, আরএসএস প্রধান মোহন ভগবৎ এবং উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন পটেল। তবে মঞ্চ ছাড়াও ভূমিপুজোর দিন প্রধানমন্ত্রীর সংস্পর্শে অনেকক্ষণই ছিলেন নিত্যগোপাল দাস। খবরের শীর্ষক ছবিটি দেখলেই সেটা বোঝা যাবে।

ভূমিপুজোর কয়েক দিন আগেই কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন অন্যতম পুরোহিত প্রদীপ দাস। এ ছাড়া আরও ১৪ জন পুলিশকর্মীর কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

গত বুধবার অযোধ্যায় রামমন্দিরের ভূমিপুজো অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দীর্ঘ ২৯ বছর পর অযোধ্যায় পা রেখেছিলেন তিনি। যদিও কোভিডের আবহে রামমন্দির নির্মাণ শুরু করার এই পুজো পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তাতে অবশ্য কর্ণপাত করেনি রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট।

নিত্যগোপাল দাস আক্রান্ত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে কি না, সেটাই দেখার।

Continue Reading

দেশ

সৎ করদাতাদের সুবিধার্থে ‘স্বচ্ছ করব্যবস্থা’ চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

করব্যবস্থার সংস্কারে কী পদক্ষেপ নিলেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতি গঠনে সৎ করদাতাদের সম্মান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: করব্যবস্থা সংস্কারের পথে অনেকটাই এগোল কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) সূচনা করলেন নতুন মঞ্চের – ‘স্বচ্ছ করব্যবস্থা – সৎকে সম্মান’ (Trasparent Taxation – Honouring the Honest)।

‘সৎ করদাতাদের সম্মান, স্বচ্ছ করব্যবস্থা’ নামের এই নতুন কর ব্যবস্থার সূচনা করে প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) বলেন, “নতুন মঞ্চ চালু করার উদ্দেশ্য হল, ভারতের করব্যবস্থার সংস্কার করা এবং তার সরলীকরণ। করদাতাকে এখন তাঁদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হবে। করদাতাকে এখন বিশ্বাস করা হবে, তাঁর দিকে সন্দেহের নজরে তাকানো হবে না। কর বিভাগকে সময়সীমাবদ্ধ পদ্ধতিতে যাবতীয় পদক্ষেপ ও প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে হবে”।

প্রধানমন্ত্রী জানান, “জনকেন্দ্রিক এবং জনবান্ধব” কর ব্যবস্থায় উপর লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে। সংস্কারের অঙ্গ হিসাবে শুরু হল ফেসলেস মূল্যায়ন (faceless assessment), ফেসলেস আবেদন (faceless appeal) এবং করদাতার নথি সংক্রান্ত অধিকার (taxpayers’ Charter)।

কর বিবাদ মেটাতে গিয়ে অনেক সময় সশরীরে আয়কর দফতরে নথি নিয়ে হাজির হতে হয়। এ ক্ষেত্রে ফেসলেস মূল্যায়ন এবং আবেদন চালু হওয়ায় সে সবের ঝক্কি কমবে। কারণ, এই প্রক্রিয়ার পুরোটাই কম্পিউটারের মাধ্যমে হবে।

নরেন্দ্র মোদী আরও বলেন, জাতি গঠনে দেশের সৎ করদাতারা বিরাট ভূমিকা পালন করেন। আজ থেকে যে নতুন সুবিধা চালু হচ্ছে তাতে সৎ মানুষকে সম্মান জানানোর ব্যাপারে সরকারের দায়বদ্ধতাকেই জোর দেওয়া হয়েছে।

নতুন মঞ্চ করদাতাদের ফেসলেস মূল্যায়ন, ফেসলেস আবেদন এবং করদাতার নথি সংক্রান্ত অধিকারের সুবিধা দেবে। ফেসলেস আবেদন কার্যকর হবে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে আর বাকি দু’টি ব্যবস্থা চালু হবে ১৩ আগস্ট থেকে।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতরমণের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “করদাতাদের সুবিধার্থে সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডিরেক্ট ট্যাক্সেস (CBDT) আরও পদক্ষেপ নেবে। এই পদক্ষেপ ভারতের উন্নয়নে একটি বড়ো পদক্ষেপ। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে করব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসবে। কারণ, যে কোনো ধরনের জটিলতার সরলীকরণে সমস্যা সমাধান দ্রুত হবে। এর জন্য নির্দিষ্ট নীতি, করদাতাদের উপর আস্থা, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষতার মতো মূল চারটি বিষয়ে নির্ভর করতে হবে”।             

Continue Reading
Advertisement

বিশেষ প্রতিবেদন

Advertisement
রাজ্য33 mins ago

কলেজে ভরতির ফর্ম বাবদ সর্বোচ্চ খরচ বেঁধে দিল রাজ্য

দেশ1 hour ago

করোনা চিকিৎসায় ভারতে সব থেকে সস্তার রেমডেভিসির ওষুধ নিয়ে এল জাউডাস ক্যাডিলা

care
কেনাকাটা2 hours ago

চুল ও ত্বকের বিশেষ যত্নের জন্য ১০০০ টাকার মধ্যে এই জিনিসগুলি ঘরে রাখা খুবই ভালো

দেশ2 hours ago

রামজন্মভূমি ট্রাস্টের প্রধানের কোভিড, ভূমিপুজোর দিন প্রধানমন্ত্রীর পাশেই ছিলেন

দেশ3 hours ago

সৎ করদাতাদের সুবিধার্থে ‘স্বচ্ছ করব্যবস্থা’ চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

representational pic.
দেশ3 hours ago

এ বার পঞ্জাবে কংগ্রেসের দ্বন্দ্ব চরমে, মুখ্যমন্ত্রীকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ বললেন দলীয় সাংসদ

রাজ্য4 hours ago

রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশনের নির্দেশের পরেও কেন উদাসীন বেসরকারি হাসপাতাল?

দেশ4 hours ago

৮ লক্ষের বেশি টেস্টে আক্রান্ত ৬৭ হাজার, দৈনিক সংখ্যায় রেকর্ড হলেও সংক্রমণের হার কমল ভারতে

কেনাকাটা

care care
কেনাকাটা2 hours ago

চুল ও ত্বকের বিশেষ যত্নের জন্য ১০০০ টাকার মধ্যে এই জিনিসগুলি ঘরে রাখা খুবই ভালো

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পার্লার গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় অনেকেরই নেই। সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে ঘরোয়া পদ্ধতি অনেকেই অবলম্বন করেন। বাড়িতে...

কেনাকাটা7 days ago

ঘর ও রান্নাঘরের সরঞ্জাম কিনতে চান? অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্ক : অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ঘর আর রান্না ঘরের একাধিক সামগ্রিতে প্রচুর ছাড়। এই সেলে পাওয়া যাচ্ছে ওয়াটার...

কেনাকাটা7 days ago

এই ১০টির মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টটি প্রাইম ডে সেলে কিনতে পারেন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : চলছে অ্যামাজনের প্রাইমডে সেল। প্রচুর সামগ্রীর ওপর রয়েছে অনেক ছাড়। ৬ ও ৭  তারিখ চলবে এই সেল।...

কেনাকাটা1 week ago

শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল, জেনে নিন কোন জিনিসে কত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্: শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল। চলবে ২ দিন। চলতি মাসের ৬ ও ৭ তারিখ থাকছে এই অফার।...

things things
কেনাকাটা2 weeks ago

করোনা আতঙ্ক? ঘরে বাইরে এই ১০টি জিনিস আপনাকে সুবিধে দেবেই দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে নানাবিধ সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। আগামী বেশ কয়েক মাস এই নিয়মই অব্যাহত...

কেনাকাটা2 weeks ago

মশার জ্বালায় জেরবার? এই ১৪টি যন্ত্র রুখে দিতে পারে মশাকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: একে করোনা তায় আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছে। এই সময় প্রতি বারই মশার উৎপাত খুবই বাড়ে। এই বারেও...

rakhi rakhi
কেনাকাটা3 weeks ago

লকডাউন! রাখির দারুণ এই উপহারগুলি কিন্তু বাড়ি বসেই কিনতে পারেন

সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে মনের মতো উপহার কেনা একটা বড়ো ঝক্কি। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান করতে পারে অ্যামাজন। অ্যামাজনের...

কেনাকাটা3 weeks ago

অনলাইনে পড়াশুনা চলছে? ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ৪০ হাজার টাকার নীচে ৬টি ল্যাপটপ

ইনটেল প্রসেসর সহ কোন ল্যাপটপ আপনার অনলাইন পড়াশুনার কাজে লাগবে জেনে নিন।

কেনাকাটা3 weeks ago

করোনা-কালে ঘরে রাখতে পারেন ডিজিটাল অক্সিমিটার, এই ১০টির মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে এই অক্সিমিটার।

কেনাকাটা4 weeks ago

লকডাউনে সামনেই রাখি, কোথা থেকে কিনবেন? অ্যামাজন দিচ্ছে দারুণ গিফট কম্বো অফার

খবরঅনলাইন ডেস্ক : সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দোকানে গিয়ে রাখি, উপহার কেনা খুবই সমস্যার কথা। কিন্তু তা হলে উপায়...

নজরে

Click To Expand