পুনে: ২০০৯ সালে্র ৭ অক্টোবর অফিস থেকে বেরিয়ে বাড়ি ফেরার জন্য খারাডি বাইপাসে দাঁড়িয়ে ছিলেন তথ্য প্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত ইঞ্জিনিয়ার নয়না পুজারি।সেখানে থেকেই চার দুষ্কৃতী তাঁকে গাড়িতে তুলে নেয়। গাড়িতেই তাঁকে গণধর্ষণ করা হয়। তারপর গলায় দড়ি দিয়ে বেঁধে, মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। নিয়ে নেওয়া হয় ব্যাগে থাকা টাকা। দুদিন পর কাছের একটি জঙ্গল থেকে নয়নার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার পুনের একটি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট সেই মামলারই রায় দিল। যোগেশ রাউত, মহেশ ঠাকুর, বিশ্বাস কদম- তিন অভিযুক্তকেই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। অপরাধকে ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ মনে করেছেন বিচারক। আরেক অভিযুক্ত মহেশ পান্ডুরং চৌধুরী রাজসাক্ষী হয়ে যাওয়ায়, সে আগেই্  মুক্তি পেয়ে গেছে।

প্রধান অভিযুক্ত যোগেশ রাউত জেল থেকে হাসপাতালে চিকিৎসা করতে গিয়ে একবার পালিয়ে যায়। তাঁকে ফের গ্রেফতার করা হয় ২০ মাস পর।

গোটা বিচার প্রক্রিয়া চলল ৩ বছর ধরে। বয়ান নেওয়া হয়েছে ৩৭ জন সাক্ষীর।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here