কানহাইয়া কুমারের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতা মামলায় জেএনইউ-কে নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

0

নয়াদিল্লি: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমারকে আপাতত স্বস্তি দিল দিল্লি হাইকোর্ট। বুধবার আদালত জানায়, কম পক্ষে আগামী দু’দিনের জন্য জেএনইউ কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে কোনো রকমের শাস্তি মূলক সিদ্ধান্ত প্রয়োগ করতে পারবে না। ২০১৬ সালের একটি দেশবিরোধী কাজের অভিযোগে শাস্তির কাঠগড়ায় কানাইয়াকে দাঁড় করিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

একটি নির্দেশে উচ্চ আদালত জানায়, কম পক্ষে আগামী দু’দিনের জন্য জেএনইউ কানাইয়া কুমারকে কোনো রকম শাস্তি বা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত প্রয়োগ থেকে বিরত থাকবে। আগামী ২০ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

২০১৬ সালের একটি মিছিলে দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অপরাধে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠন জেএনইউএসইউর প্রাক্তন সভাপতি কানহাইয়াকে জরিমানা করেন কর্তৃপক্ষ। সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তিনি দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানান। ওই আবেদনের শুনানিতেই বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল বুধবার এই নির্দেশ জারি করেন।

যদিও জেএনইউ-র একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্তকারী দল পর্যবেক্ষণের মাধ্যমেই এই জরিমানার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে দাবি করা হয়েছে। ওই উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটিই কানহাইয়া ছাড়াও আরও দুই ছাত্রনেতা উমর খালিদ এবং অনির্বাণ ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে দেশ-বিরোধী কাজের অভিযোগ তুলেছে। কিন্তু আশর্যজনক ভাবে ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬-র ওই ঘটনায় দেশবিরোধী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের চার্জশিটে নাম ছিল না ওই তিন অভিযুক্তের। সে দিন বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে আফজল গুরুর ফাঁসির আদেশের প্রতিবাদে একটি জনসভায় দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন উমর খালিদ এবং কানহাইয়া কুমার। যদিও ওই ঘটনার বেশ কিছু দিন বাদে পুলিশ কানহাইয়াকে গ্রেফতার করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.