ওয়েবডেস্ক: শহর জুড়ে ছড়িয়ে থাকা ১৬৪টি স্টেশনের মধ্যে ৭০টি থেকেই টোকেন কাউন্টার তুলে নিল দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন। কাউন্টারের পরিবর্তে সে সব স্টেশনে থাকছে টোকেন ভেন্ডিং মেশিন। মান্ডি হাউস, লোক কল্যাণ মার্গ, উদ্যোগ ভবন, জোড় বাগ, ময়ূর বিহারের মতো স্টেশন রয়েছে ৭০টি স্টেশনের তালিকায়। মেট্রো স্টেশনে টিকিট কাটার মতো পরিষেবায় কর্মীর ভূমিকা কমিয়ে প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়াই এর প্রধান লক্ষ্য। মেট্রো রেল আধিকারিকরা মনে করছেন তেমনটাই।

এখনও পর্যন্ত ২১৬টি টোকেন ভেন্ডিং মেশিন মজুত রয়েছে দিল্লি মেট্রোতে। অতিরিক্ত ২১৫টি মেশিন বসানোর ব্যবস্থা করছে কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতে আরও বেশ কিছু স্টেশন থেকে টোকেন কাউন্টার তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে তারা। তবে কাউন্টার তুলে দিলেও কোনো যাত্রী ভেন্ডিং মেশিন থেকে টোকেন না নিয়ে হাতে-হাতে টোকেন কাটতে চাইলে তাঁকে যেতে হবে স্টেশনের কাস্টমার কেয়ার কিংবা গ্রাহক মিত্র কেন্দ্রে।

ভেন্ডিং মেশিন থেকে টোকেন সংগ্রহ করতে গেলে খুচরো সমস্যায় ভোগেন অধিকাংশ যাত্রী। আগামী দিনে টোকেনের মূল্য নির্ধারণের সময় এই অসুবিধার কথা মাথায় রাখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অন্য দিকে কাউন্টার থেকে টোকেন নেওয়ার ক্ষেত্রে অভিযোগ ওঠে অনেক সময় বেশি টাকা নেওয়া হয় যাত্রীদের কাছ থেকে। মেট্রো রেলের স্থায়ী কর্মীদের চেয়ে চুক্তির ভিত্তিতে নিযুক্ত কর্মীদের বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ ওঠে বেশি। ভেন্ডিং মেশিন থেকে টোকেন নেওয়ার বদলে অন্য বিকল্প ব্যবস্থা থাকলে এই অভিযোগ ওঠার প্রশ্নই নেই।

কাউন্টার তুলে দিয়ে প্রযুক্তির ওপর জোর দেওয়ার পক্ষেই সওয়াল করছে দিল্লি মেট্রো কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, দৈনিক ২৮ লক্ষ যাত্রী নিয়মিত মেট্রোতে যাতায়াত করেন ওই শহরে, যার মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ যাত্রী কাউন্টার থেকে টোকেন সংগ্রহ করেন। কিন্তু সেই তুলনায় কাউন্টারে কর্মী নিয়োগের খরচা অনেক বেশি এবং  কাউন্টার বানাতে গিয়ে স্টেশনে বেশ কিছু বাড়তি জায়গারও প্রয়োজন হয়।

 

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন