Connect with us

দেশ

লকডাউন: হেঁটে বাড়ি ফিরতে গিয়ে পথেই মৃত্যু

lockdownin india

খবর অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাসের (corobavirus) জেরে ২১ দিনের লকডাউন (lockdown) ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। দিনমজুরদের তো কাজ নেই। তবু যাঁরা বাড়িতে আছেন রক্ষে। কিন্তু যাঁরা দূরদেশে, তাঁরা কী করবেন? রোজগারপাতি বন্ধ, বাড়ি তো ফিরতেই হবে। কিন্তু ফিরবেন কী ভাবে? যানবাহন তো সব বন্ধ। অগত্যা পদযুগলই ভরসা। এ ভাবেই হেঁটে বাড়ি ফিরতে গিয়ে প্রাণ গেল ৩৯ বছরের এক ব্যক্তির। ঘটনাটি ঘটেছে আগরায়, শনিবার সন্ধ্যায়।

সংবাদসংস্থা আইএএনএস জানাচ্ছে, রণবীর সিং দিল্লির একটি রেস্তোরাঁয় ডেলিভারি ম্যান-এর কাজ করতেন। ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা হতেই তিনি বিহ্বল হয়ে যান। বাড়ি ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। তাঁর বাড়ি মধ্যপ্রদেশের মোরেনায়। দিল্লি থেকে হেঁটেই বাড়ির পথ ধরেন। শেষ পর্যন্ত ২০০ কিমি পথ এসে শনিবার সন্ধ্যায় আগরায় পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।    

পুলিশ সূত্রে পাওয়া খবরে জানা যায়, ২ নম্বর জাতীয় সড়কের (national highway 2) কৈলাশ মোড়ের কাছে রণবীর রাস্তায় পড়ে যান। কাছেই ছিল একটি হার্ডওয়্যারের দোকান। দোকানের মালিক সঞ্জয় গুপ্ত তাঁর কাছে ছুটে আসেন।

সিকান্দ্রার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) অরবিন্দ কুমার বলেন, “সঞ্জয় গুপ্ত তাঁকে তুলে এনে একটি কার্পেটের উপর শুইয়ে দেন। তাঁকে চা-বিস্কুট দিতে চান। রণবীর বুকে ব্যথার কথা বলেন। এবং নিজের স্বাস্থ্যের অবস্থা জানানোর জন্য শ্যালক অরবিন্দ সিংকে ফোন করেন। সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ রণবীর মারা যান। তখন স্থানীয় পুলিশকে জানানো হয়।”

আরও পড়ুন: রাজ্যে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৮

রণবীর শুক্রবার সকালে দিল্লি থেকে রওনা হন। ২০০ কিমি পথ হাঁটার ধকল সহ্য করতে না পেরেই মৃত্যু হল তাঁর।

২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই দিল্লিতে কর্মরত অভিবাসী দিনমজুররা যে ভাবে হোক নিজেদের বাড়ির পথে রওনা হওয়ার চেষ্টা করছেন। আনন্দ বিহার বাস টার্মিনালে ব্যাপক ভিড়। হাজার হাজার নারী-পুরুষ, সঙ্গে তাঁদের শিশুসন্তানরা। অনেকেই অনন্যোপায় হয়ে হাঁটা শুরু করছেন।

এসএইচও বলেন, পুরো ২ নম্বর জাতীয় সড়ক জুড়ে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ওই সব মানুষের জন্য খাবারের প্যাকেট আর জল নিয়ে হাজির রয়েছে। কিন্তু রণবীরের মৃত্যু খুবই দুর্ভাগ্যজনক। তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

রণবীর সম্পর্কে যেটুকু তথ্য পাওয়া গিয়েছে তা থেকে জানা যায়, তিনি গত তিন বছর ধরে তুঘলকাবাদে কাজ করতেন। তাঁর দু’টি কন্যা-সহ তিনটি সন্তান রয়েছে। কৃষক পরিবারের সন্তান রণবীর একমাত্র রোজগেরে ছিলেন।

রণবীরের দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর পরিবারকে আগরায় নিয়ে আসা হয়েছে।  

দেশ

গুজরাতের কারখানায় বিস্ফোরণ থেকে আগুন, মৃত ৮, জখম ৪০

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বুধবার বিকেলে গুজরাতের (Gujarat) দহেজে (Dahej) একটি রাসায়নিক কারখানায় (chemical plant) বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে গেলে আট জন শ্রমিক প্রাণ হারান এবং অন্তত পক্ষে ৪০ জন আহত হন। গোটা কারখানা আগুনে ঢেকে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দমকলের ১০টি ইঞ্জিন কাজে লাগানো হয়।

কারখানার আশেপাশের দু’টি গ্রামের অধিবাসীদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। রাসায়নিক থেকে সৃষ্ট আগুনের ধোঁয়া বিষাক্ত বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক।

পুলিশ ইনসপেক্টর বিপুল গগিয়া সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানান, “রাসায়নিক কারখানায় বয়লার ফেটে (boiler blast) ৮ জন মারা গিয়েছেন।”

কারখানাটি একটি খোলামেলা জায়গায় অবস্থিত। বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে গেলে গোটা জায়গাটি ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।

ভারুচের কালেক্টর এমডি মদিয়া বলেন, “একটি অ্যাগ্রো-কেমিক্যাল বয়লার বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে যায়। গোটা কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ৩৫-৪০ জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হন। এঁদের ভারুচের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।”

এই কারখানার মালিক যশস্বী রসায়ন প্রাইভেট লিমিটেড (Yashashvi Rasayan Pvt Ltd)। এখানে শিল্পে ব্যবহারযোগ্য ১৫টি রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদিত হয়।

উল্লেখ্য, গত মাসে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এলজি পলিমার্স ইন্ডিয়ার একটি কারখানা থেকে রাসায়নিক লিক করে ১১ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০০ জন অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে পাঠাতে হয়। আরও হাজারের বেশি লোক অল্পবিস্তর অসুস্থ বোধ করেন, তবে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়নি। করোনাভাইরাস লকডাউনের জেরে ওই কারখানাটি বন্ধ ছিল।  

পড়তে থাকুন

দেশ

দিল্লি ও তার আশেপাশে ফের ভূমিকম্প

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আবার ভূমিকম্প (earthquake) দিল্লি (Delhi) ও তার আশেপাশে। রিখটার স্কেলের (Richter Scale) মাত্রায় এই ভূমিকম্প খুব বেশি না হলেও, পর পর কম্পনে ওই অঞ্চলের অধিবাসীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হচ্ছে। এ দিনের ভূমিকম্পে অবশ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার রাত ১০.৪২ মিনিটে দিল্লি, নয়ডা এবং তার আশেপাশে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.২।

আরও পড়ুন: রাত্রে ভূমিকম্প দিল্লি ও তার আশেপাশে, উৎসস্থল রোহতক

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (NCS) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসকেন্দ্র ছিল নয়ডার ১৯ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগর জেলার একটি জায়গায়। ভূপৃষ্ঠের ৪ কিমি গভীরে এই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে রাতে ৪.৬ ও ২,৯ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়েছিল রোহতকে। যার ফলে দিল্লি ও তার আশেপাশের এলাকা কিছুক্ষণ সময়ের তফাতে দু’ বার কেঁপে উঠেছিল।

পড়তে থাকুন

দেশ

দিল্লিতে পৌঁছোলেই সাত দিনের জন্য বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ট্রেন, বিমান বা বাস – যিনি যে ভাবেই দিল্লি (Delhi) পৌঁছোন না কেন, তাঁকে বাধ্যতামূলক ভাবে সাত দিন হোম কোয়ারান্টাইনে (home quarantine) থাকতে হবে। দিল্লি সরকার তাদের আগের নির্দেশিকা সংশোধন করে এ কথা জানিয়েছে।

আগে বলা হয়েছিল, কাউকে কোনো কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে না। নতুন নির্দেশিকা মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আগে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল তাতে বলা হয়েছিল, কেউ বাইরে থেকে দিল্লিতে এলে তাঁকে ১৪ দিন নিজেকে নজরে রাখতে হবে। করোনাভাইরাসের (coronavirus) কোনো উপসর্গ দেখা দিলে ডিসট্রিক্ট সার্ভেইল্যান্স অফিসার বা ন্যাশনাল কল সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

গত সপ্তাহ থেকে দিল্লিতে কিছু কড়াকড়ি শিথিল করা হয়েছে। ফলে করোনাভাইরাসে সংক্রমিতের সংখ্যা বেশ বেড়েছে। তাই নির্দেশিকা সংশোধন করা হয়েছে।

এখন দিল্লিতে সংক্রমিতের সংখ্যা ২৩৬৪৫। গত সাত দিন ধরে গড়ে দৈনিক ১২০০ মতো মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। এখনও কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা প্রচুর। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন ছাড়া অন্য সব কাজের জন্য সীমানা সিল করে দিয়েছে দিল্লি।

পড়তে থাকুন

নজরে