নয়াদিল্লি: মোদী সরকারের বিমুদ্রাকরণের সমালোচনা করল বিশ্ব ব্যাঙ্ক। এই বিমুদ্রাকরণের ফলে গরিব পরিবারে উপর ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ প্রভাব পড়েছে। প্রভাব পড়ছে জিডিপি-র উপরও। ২০১৬-১৭-র প্রথম চতুর্থাংশে জিডিপি ছিল ৭.৩ শতাংশ, তৃতীয় চর্তুথাংশে তা হয়েছে ৭শতাংশ বলে মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্কটি।

সোমবার বিশ্ব ব্যাঙ্ক ভারতের উন্নয়ন সংক্রান্ত বার্ষিক রিপোর্ট ‘ইন্ডিয়ান ডেভলপমেন্ট আপডেট’ প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, বিমুদ্রাকরণের ফলে দরিদ্র এবং দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষদের উপর প্রভাব পড়ছে। প্রভাব পড়ছে নির্মাণশিল্প এবং খুচরা ব্যবসায়।

এই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, দরিদ্র এবং দারিদ্রসীমার নীচে থাকা মানুষদের অধিকাংশই কাজ করেন অসংগঠিত ক্ষেত্রে এবং তাদের অধিকাংশ ‘নগদবিহীন’ অর্থনীতিতে যেতে সক্ষম নন।

সমালোচনার পাশাপাশি এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়েও আশাবাদী বিশ্ব ব্যাঙ্ক। তারা মনে করে বিমুদ্রাকরণের ফলে কর আদায় বাড়বে এবং ডিজিট্যাল আর্থিক লেনদেনও বাড়বে। আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্কিং সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ১লা জুলাই থেকে চালু হচ্ছে জিএসটি। এটি আর্থিক বৃদ্ধির পক্ষেও সহায়ক হবে।

গত বছর ৮ নভেম্বর চলতি ৫০০ ও ১০০০টাকার নোট বাতিলের কথা ঘোষণা করে। এর ফলে বাজারে নগদ সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়।

বিশ্ব ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ভারতকে দুই সংখ্যার আর্থিক বৃদ্ধির লক্ষ্যে পৌঁছতে গেলে অর্থনীতিতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বাড়তে হবে। দেশের শ্রমশক্তিতে মহিলাদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য ভাবে কম। ভারতের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশ্ব ব্যাঙ্কের র্কতা জুনাইদ আহমেদ জানিয়েছে, ১৩১টি দেশের মধ্যে ভারতে অবস্থান ১২০তে।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here