varun gandhi and rahul gandhi

ওয়েবডেস্ক: এত কম বয়সে দু’বার সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার নেপথ্যে নিজের পদবীর মাহাত্ম্যকেই প্রাধান্য দিলেন মানেকা-তনয় বরুণ গান্ধী। গতকাল হায়দরাবাদে একটি সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, বাবা অথবা ঠাকুরদা-ঠাকুরমার পরিচিতিতেই রাজনীতিতে তাঁর এই জায়গা মিলেছে। ফলে নামের পাশ থেকে ‘গান্ধী’ শব্দটি মুছে দিলে আলাদা করে রাজনীতিতে তাঁর কোনও বিশেষ জায়গা নেই।

গত কালই নয়াদিল্লিতে জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি পদে আনুষ্ঠানিক অভিষেক হয়েছে রাহুল গান্ধীর। মা সোনিয়া গান্ধীর ছেড়ে যাওয়া কুর্শিতে বসলেন তিনি। একদা তাঁর প্রয়াত পিতা রাজীব গান্ধী এবং ঠাকুরমা ইন্দিরা গান্ধীও ওই পদ অলঙ্কৃত করেছেন। খোদ কংগ্রেসের মধ্যেই রাহুলকে সভাপতি করা নিয়ে দ্বিমত দেখা দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে গান্ধী ব্র্যান্ডের কাছে বিরোধীরা সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়। এ ভাবেই বংশ পরাম্পরাক্রমে চলে আসা একটি রীতিকে বহন করে চলেছে দেশের প্রাচীন রাজনৈতিক দল। অবশ্য তা নিয়ে বরুণ মুখ না খুললেও নিজের উপমাকে সামনে রেখে দাদার উদ্দেশেই বাক্যবাণ নিক্ষেপ করলেন তিনি।

তিনি  দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেন, ‘আজ আমি আপনাদের সামনে বক্তব্য রাখছি আর আপনারা তা শুনছেন। এর কারণ হল ওই একটাই। কিন্তু আমার নামের সঙ্গে যদি না গান্ধী শব্দটা জুড়ে থাকত তা হলে আমার পক্ষে দু’বার সাংসদ হওয়া হয়তো সম্ভব হতো না। আর আপনারাও আমার কথা শুনতেন না।’

বর্তমান রাজনীতিতে যুব সমাজের আগ্রহের প্রসঙ্গ টেনে বরুণ বলেন, এ সময় যদি কোনও তরুণের মধ্যে প্রতিভা থাকে, তাঁর মধ্যে যদি নেতৃত্ব দেওয়ার অগাধ ক্ষমতা থাকে তা হলেও তিনি রাজনীতিতে আসবেন না যদি না তাঁর পারিবারিক কোনও রাজনৈতিক সংশ্রব থাকে। মায়ের হাত ধরে তিনি রাজনীতিতে আসেন এবং এসেই বিজেপির সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হয়ে যান। সে সময় তাঁর রাজনৈতিক জ্ঞান বা পারদর্শিতা যে মোটেই পর্যাপ্ত ছিল না, সে কথাও প্রকাশ্যে বলেছেন একাধিক বার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে বহুচর্চিত এই তরুণ সাংসদ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here