মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেও স্বস্তিতে নেই ইয়েদিয়ুরাপ্পাও

কংগ্রেস-জেডিএস সরকার পড়ে গেলেও, প্রয়োজনীয় সংখ্যা ইয়েদিয়ুরাপ্পার কাছেও নেই।

0

বেঙ্গালুরু: মঙ্গলবার আস্থাভোটে কংগ্রেস-জেডিএস জোটকে হারিয়েছেন তিনি। তার পরে শুক্রবার চতুর্থ বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন কর্নাটক রাজ্য বিজেপির সভাপতি বিএস ইয়েদিয়ুরাপ্পা। কর্নাটকের ১৫তম বিধানসভাতেই এই নিয়ে দ্বিতীয় বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ইয়েদি। গত বছর মে মাসে একক বৃহত্তম দল হওয়ার সুবাদে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেন তিনি। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার সংখ্যা না থাকায় মাত্র আড়াই দিন মসনদে বসেই গদি ছাড়েন তিনি।

এ বার অবশ্য ছবিটা কিছুটা ভিন্ন। আস্থাভোটে শাসক কংগ্রেস-জেডিএস জোট হেরে গিয়েছে। ফলে তাঁর নেতৃত্বে রাজ্যে পুনরায় বিজেপি সরকার তৈরি হতে চলেছে। কিন্তু এখনও স্বস্তিতে নেই ইয়েদিয়ুরাপ্পা। কারণ কংগ্রেস-জেডিএস সরকার পড়ে গেলেও, প্রয়োজনীয় সংখ্যা ইয়েদিয়ুরাপ্পার কাছেও নেই।

আরও পড়ুন ভারতের কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহযোগিতার হাত আর্জেন্তিনার

ইয়েদির এখন ভরসা কর্নাটক বিধানসভার স্পিকার। কংগ্রেসের ১২ এবং জেডিএসের তিন বিধায়কের পদত্যাগের ব্যাপারে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেন, তার ওপরেই নির্ভর করছেন ইয়েদি। এমনিতে সোমবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য আস্থাভোটের ডাক দিয়েছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। এই সময়ের মধ্যে বিদ্রোহী বিধায়কদের পদত্যাগপত্র স্পিকার গ্রহণ না করলে ইয়েদির বিপদ আছে।

গত বৃহস্পতিবার তিন জন বিধায়ককে বিধানসভা থেকে বরখাস্ত করেছেন স্পিকার। বিজেপি চাইছে সোমবারের মধ্যে বাকি বিদ্রোহীদেরও হয় বরখাস্ত করে দেওয়া হোক আর নয়তো পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে নিন স্পিকার। এমনটা যদি হয়, তা হলে কর্নাটক বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা কমে আসবে। এবং সে ক্ষেত্রে বিজেপির পক্ষে এই মুহূর্তে যা সংখ্যা রয়েছে, অর্থাৎ ১০৬, তাতেই কাজ হয়ে যাবে।

কিন্তু তাতেও তো স্বস্তি মাত্র ছ’মাসের। কারণ তার মধ্যেই ওই বিদ্রোহী বিধায়কদের আসনে উপনির্বাচন করতে হবে। সেই আসনে যদি আবার কংগ্রেস বা জেডিএস প্রার্থীরা জেতেন, তা হলে আবার অন্য নাটক! তখন হয়তো আবার গদি ছাড়তে হবে ইয়েদিকেই। যা-ই হোক, ইয়েদির প্রথম পরীক্ষা আপাতত সোমবার। তার পর দেখা যাক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কী পরিবর্তন হয় কর্নাটকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here