Connect with us

দেশ

হোটেল, রেস্তোঁরা, শপিং মল এবং ধর্মীয়স্থানের জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের নির্দেশিকা

নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবার ধর্মীয়স্থান, হোটেল, রেস্তোঁরা পুনরায় খোলার বিষয়ে গাইডলাইন বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কর্মী এবং অতিথিদের সমন্বয়ে ভিড় নিয়ন্ত্রণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা মেনে চলার কথা জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।

করোনাভাইরাস লকডাউনের (Coronavirus lockdown) কড়াকড়ি শিথিল করে আগামী ৮ জুন থেকেই ধর্মীয়স্থান, হোটেল এবং রেস্তোঁরা খোলার অনুমতি দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তবে কনটেনমেন্ট জোনে এই স্থানগুলি আগের মতোই বন্ধ থাকছে।

শপিং মলে জন্য নির্দেশিকা

১. প্রবেশপথে হ্যান্ডসানিটাইজেশন এবং থার্মাল স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক।

২. উপসর্গ নেই এমন ক্রেতাকে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে।

৩. সমস্ত কর্মী, ক্রেতা, দর্শনার্থী ফেস কভার অথবা মাস্ক ব্যবহার করবেন।

৪. কোভিড-১৯ পোস্টার, স্ট্যান্ডি অথবা অডিও ভিস্যুয়াল মিডিয়া প্রদর্শন করতে হবে।

৫. শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৬. কার পার্কিংয়েও সমস্ত নিয়ম মানতে হবে।

৭. ভিতরে ঢোকা এবং বেরনোর জন্য পৃথক পথ ব্যবহার করতে হবে, ইত্যাদি।

রেস্তোঁরার জন্য নির্দেশিকা

১. বসে খাওয়ার থেকে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দিতে হবে।

২. সরাসরি ক্রেতার হাতে খাবারের প্যাকেট হস্তান্তর করা যাবে না।

৩. হোম ডেলিভারিতে যুক্ত কর্মীদের থার্মাল স্ক্রিনিং করতে হবে।

৪. উপসর্গ রয়েছে, এমন কর্মীকে নিয়োগ করা যাবে না।

৫. কর্মীদের মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

৬. শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৭. ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে হবে, ইত্যাদি।

ধর্মীয়স্থানের জন্য নির্দেশিকা

১. প্রবেশপথে স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

২. উপসর্গহীন দর্শনার্থীদের ঢুকতে দেওয়া হবে।

৩. প্রত্যেক দর্শনার্থীকে ফেস কভার অথবা মাস্ক পরতে হবে।

৪. জুতো গাড়িতে রাখতে হবে। অথবা নির্দিষ্ট পরিবারের দর্শনার্থীদের জুতো পৃথক ভাবে রাখতে হবে।

৫. ধর্মীয়স্থান চত্তরে কোনো দোকান থাকলে সেগুলিতেও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৬. বিগ্রহ অথবা ধর্মগ্রন্থ স্পর্শ করা যাবে না।

৭. বড়ো জমায়েত নিষিদ্ধ, ইত্যাদি।

সর্বসাধারণের জন্য নির্দেশিকা

১. কো-মর্বিডিটি রয়েছে এমন ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক, অন্ত:সত্ত্বা মহিলা এবং ১০ বছরের কম বয়সি শিশুদের বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

২. কম পক্ষে ছ’ফুটের দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৩. ফেস কভার অথবা মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

৪. হাতে নোংরা না লাগলেও নিয়মিত হাত ধুতে হবে। অ্যালকোহল-ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

৫. যত্রতত্র থুতু ফেলা যাবে না।

৬. শারীরিক অসুস্থতায় হাসপাতালে যেতে হবে অথবা হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করতে হবে।

৭. আরোগ্যসেতু অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে, ইত্যাদি।

কলকাতা

দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই বা কলকাতা নয়, বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদের করোনা-পরিস্থিতি এখন চিন্তার কারণ

এর মধ্যে বেঙ্গালুরুতে আবার সুস্থতার হার দেশের সব শহরের মধ্যে কম

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই বা কলকাতার থেকেও স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে এখন বেশি চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে দক্ষিণের দুই বড়ো শহর বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদ। এর মধ্যে বেঙ্গালুরুতে আবার সুস্থতার হার দেশের সব শহরের মধ্যে কম।

এই ছয় শহরে করোনা পরিস্থিতির হালহকিকত

গত তিন দিনে বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদে করোনা-আক্রান্ত রোগী বেড়েছে যথাক্রমে ১৫.৭ শতাংশ আর ১৫.২ শতাংশ হারে।

তুলনামূলক ভাবে এই সময়ের মধ্যে দিল্লিতে রোগী বেড়েছে ২.৬ শতাংশ হারে, চেন্নাইয়ে ২.৯ শতাংশ আর মুম্বইয়ে ১ শতাংশ। কলকাতায় রোগী বেড়েছে ৭.৬৭ শতাংশ হারে।

আবার এই ছয় শহরের মধ্যে বেঙ্গালুরুতে সুস্থতার হার এখন সবার থেকে কম (১৪.৭ শতাংশ)। বেঙ্গালুরুর থেকে সুস্থতার হারে অনেক এগিয়ে দিল্লি (৭১.৭ শতাংশ), চেন্নাই (৬২ শতাংশ), মুম্বই (৬৬.১ শতাংশ), কলকাতা (৬১.৫ শতাংশ) আর হায়দরাবাদ (৫৭.৪ শতাংশ)।

তবে বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদে বাকি শহরগুলির থেকে মৃত্যুর হার অনেক কম। এটাই যা স্বস্তিতে রাখছে দুই রাজ্যের প্রশাসনকে।

অব্যবস্থার অভিযোগ বেঙ্গালুরুতে

আক্রান্তের সংখ্যা যত বাড়ছে বেঙ্গালুরুতে অব্যবস্থার অভিযোগ উঠছে। এনডিটিভিকে এক করোনা-আক্রান্ত মহিলা বলেন, অ্যাম্বুলেন্সের জন্য তাঁকে আট ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে নিজের বাড়িতে। এই সময়ে তিনি যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করলেও তাঁর থেকে তাঁর স্বামী আর ছেলেরও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থেকে যেত।

যদিও করোনার চিকিৎসায় কোনো রকম অসুবিধা কারও হবে না বলে শহরবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদিউরাপ্পা।

নমুনা পরীক্ষায় বিস্তর ফারাক কর্নাটক-তেলঙ্গানায়

নমুনা পরীক্ষার হিসেবে যদি করোনা-পরিস্থিতির বিচার করা হয়, তা হলে দেখা যাবে তেলঙ্গানার পরিস্থিতি সব থেকে খারাপ। এই রাজ্যে এখন মোট ১ লক্ষ ২২ হাজার ২১৮টি নমুনার মধ্যে পজিটিভ এসেছে ২৫,৭৩৩টি নমুনা। অর্থাৎ নমুনা পজিটিভের হার রয়েছে ২১.০৫ শতাংশ।

অন্য দিকে ৭ লক্ষ ২২ হাজার ৩০৫টি নমুনার মধ্যে কর্নাটকে পজিটিভ হয়েছে ২৫,৩১৭টি নমুনা। অর্থাৎ কর্নাটকে নমুনা পজিটিভের হার রয়েছে ৩.৫০ শতাংশ।

Continue Reading

দেশ

নতুন আক্রান্তের সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য পতন, বাড়ল সুস্থতার হার

রোগী বৃদ্ধির হার এখন কমে এসেছে মাত্র ৩.১৯ শতাংশে।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: চার দিন পর ভারতে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বেশ কিছুটা কমে গেল। পাশাপাশি বাড়ল সুস্থতার হার বাড়ল, কমল মৃত্যুর হারও।

ভারতের বাড়ল সুস্থতার হার, কমল মৃত্যুহার

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ১৯ হাজার ৬৬৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৫৫৭। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৯৪৮। মারা গিয়েছেন ২০,১৬০।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২২,২৫২ জন। ৩ জুলাইয়ের পর নতুন আক্রান্তের সংখ্যায় এতটা পতন দেখা গেল। এর ফলে রোগী বৃদ্ধির হার এখন কমে এসেছে মাত্র ৩.১৯ শতাংশে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৫,৫১৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৬৬ জনের। সুস্থতার হার আরও কিছুটা বেড়ে ৬১.১৩ শতাংশ হয়েছে। মৃত্যুহার কমে এসেছে ২.৮০ শতাংশে।

আক্রান্তের সংখ্যা লাখ পেরোলেও দিল্লিতে স্বস্তির খবর

করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা এক লক্ষ পেরিয়ে গেল দিল্লিতে (Delhi)। প্রথম শহর হিসেবে এক লক্ষ করোনা-আক্রান্তের গণ্ডি পেরিয়ে গেল দিল্লি। যদিও একই সঙ্গে দিল্লি নিয়ে অনেকটাই স্বস্তি পাচ্ছে প্রশাসন।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ১,৩৫৯। ১৯ দিন পর নতুন আক্রান্তের সংখ্যায় এতটা পতন দেখা গেল দিল্লিতে। একই সঙ্গে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাটাও চূড়ান্ত ভালো। রাজধানীতে মোট ১ লক্ষ ৮২৩ জন আক্রান্তের মধ্যে সুস্থ হয়ে গিয়েছেন ৭২,০৮৮ জন। অর্থাৎ দিল্লিতে সুস্থতার হার এখন রয়েছে ৭১.৪৯ শতাংশ।

৬ রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নতুন আক্রান্ত ৬৩%

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের ছ’টি রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে আক্রান্তের সংখ্যা চার সংখ্যায় ছিল। সেগুলি হল মহারাষ্ট্র (৫,৩৬৮), তামিলনাড়ু (৩,৮২৭), কর্নাটক (১,৮৪৩), তেলঙ্গানা (১,৮৩১) আর অন্ধ্রপ্রদেশ (১,৩২২)। অর্থাৎ বাকি দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৮,১০১ জন।

এর মধ্যে থেকে যদি উত্তরপ্রদেশ (৯৩৩) আর পশ্চিমবঙ্গকে (৮৬১) আলাদা করা হয়, তা হলে বাকি দেশের সংখ্যাটা আরও কিছুটা ভালো মনে হবে।

Continue Reading

দেশ

এক কোটি নমুনা পরীক্ষার গণ্ডি পেরোলো ভারত

বর্তমানে ভারতে করোনা নমুনা পজিটিভ হওয়ার জাতীয় গড় ৬.৭৩ শতাংশ। তবে অনেক রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এমন রয়েছে যেখানে নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার জাতীয় গড়ের থেকে কম।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অতিক্রম করল ভারত। সোমবার এক কোটি নমুনা পরীক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে দেশ।

আইসিএমআরের মিডিয়া কোঅর্ডিনেটর লোকেশ শর্মা জানান, “সোমবার সকাল ১১টা পর্যন্ত ১,০০,০৪,১০১টি নমুনা পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে গোটা দেশে।

নমুনা পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন সারা দেশে মোট ১১০৫টি ল্যাবরেটরিতে কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা চলছে। এগুলির মধ্যে ৭৭৮টি সরকারি এবং ৩১৭টি বেসরকারি ল্যাব। প্রতি দিনই নমুনা পরীক্ষার ক্ষমতা আরও বাড়ছে। এখন গড়ে রোজ প্রায় আড়াই লক্ষ করে নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে।

হাসপাতাল/ল্যাব ছাড়াও ভ্রাম্যমান ল্যাবরেটরিটি আই-ল্যাব অথবা ইনফেকশন ডিজিজেস ডায়গনিস্টিক ল্যাবেও নমুনা পরীক্ষা চলছে। এটি এক দিনে ৫০টি আরটি-পিসিআর এবং প্রায় দু’শোটি এলাইজা পরীক্ষা করতে সক্ষম। আট ঘণ্টার মেয়াদে কাজ করা দু’টি পৃথক মেশিনের মাধ্যমে পাঁচশোটি পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা যেতে পারে।

নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে বর্তমানে ভারতে নমুনা পরীক্ষার জাতীয় গড় রয়েছে ৬.৭৩ শতাংশ। তবে অনেক রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এমন রয়েছে যেখানে নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার জাতীয় গড়ের থেকে কম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পশ্চিমবঙ্গ, কর্নাটক, অসম, অন্ধ্রপ্রদেশ, রাজস্থান।

অন্য দিকে দিল্লি, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, গুজরাতে নতুনা পরীক্ষার হার জাতীয় গড়ের থেকে বেশি রয়েছে।

নতুন নিয়ম

করোনাভাইরাস (Coronavirus) সংক্রমণ প্রতিরোধে এখন তিনটি বিষয়েই গুরুত্ব দিতে চাইছে কেন্দ্র। নমুনা পরীক্ষা, চিহ্নিতকরণ এবং চিকিৎসা, এই তিনটি পদ্ধতিকে জোরদার করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। যেগুলির মধ্যে অন্যতম যে কোনো চিকিৎসককে করোনার নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়াই কোনো একক ব্যক্তিকে নমুনা পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া।

আইসিএমআরের নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, গাইডলাইন মেনে যে কোনো একক ব্যক্তি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা করাতে যেতে পারেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারি কোনো কর্তৃপক্ষই তাঁকে বাধা দিতে পারবেন না। দ্রুত নমুনা পরীক্ষায় সহায়তার মাধ্যমে সংক্রমণ রুখতে সমস্ত রকমের পদক্ষেপ নিতে হবে।

রাজ্যগুলিকে আহ্বান

আরটি-পিসিআরের সঙ্গে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পয়েন্ট-অব-কেয়ার টেস্টকে যুক্ত করতে বলা হয়েছে। র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে দ্রুততর গতিতে হয়। খুবই সহজ একটি পদ্ধতি। অন্য দিকে সুরক্ষার বিষয়টিও অনেকটা নিশ্চিত। আইসিএমআরের নির্দেশিত কনটেনমেন্ট জোনের পাশাপাশি হাসপাতালেও এই পদ্ধতিতে নমুনা পরীক্ষায় জোর দিতে বলা হয়েছে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে।

Continue Reading
Advertisement
কলকাতা57 mins ago

দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই বা কলকাতা নয়, বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদের করোনা-পরিস্থিতি এখন চিন্তার কারণ

দেশ2 hours ago

নতুন আক্রান্তের সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য পতন, বাড়ল সুস্থতার হার

রাজ্য2 hours ago

পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় ফের কড়া লকডাউনের জল্পনা

রাজ্য3 hours ago

করোনায় লাগাম টানতে এ বার পশ্চিমবঙ্গে আসা স্পেশাল ট্রেনের সংখ্যা কমছে

বাংলাদেশ9 hours ago

‘দম ফুরাইলে ঠুস’-এর গায়ক প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর প্রয়াত

রাজ্য15 hours ago

নতুন সংক্রমণ কিছুটা কম, রাজ্যে করোনামুক্ত হলেন ১৫ হাজার

প্রযুক্তি15 hours ago

নতুন অ্যাপ ‘সেল্‌ফ স্ক্যান’ নিয়ে এল রাজ্য সরকার! এর কাজ কী?

বিনোদন16 hours ago

সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যু-রহস্যে থানায় বয়ান রেকর্ডের পর নি‌ঃশব্দেই বেরিয়ে এলেন সঞ্জয়লীলা বনশালী

কেনাকাটা

কেনাকাটা17 hours ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা7 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

নজরে