আফগানিস্তানে ‘পরিস্থিতির অবনতি’কে গুরুতর হিসেবেই দেখছে ভারত

0

খবর অনলাইন ডেস্ক: আফগানিস্তানের পরিস্থিতির দ্রুত পটপরিবর্তনে সিঁদুরে মেঘ দেখছে ভারত। শনিবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, আফগানিস্তানে “নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি” একটি গুরুতর বিষয়।

কাতারের দূত মুতলাক বিন মাজেদ আল-কাহতানির সঙ্গে সাক্ষাতের পর জয়শঙ্কর টুইটারে লেখেন, “একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল আফগানিস্তানের জন্য প্রয়োজন সমাজের সকল শ্রেণির অধিকার ও স্বার্থের উন্নতি ও সুরক্ষা”।

গত এপ্রিল মাসে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তার পর থেকেই নিরবচ্ছিন্ন সংঘর্ষের মাধ্যমে আফগানিস্তানের বেশ কিছু প্রদেশের দখল নিয়ে তালিবানরা।

সন্ত্রাস দমন এবং দ্বন্দ্ব নিরসনে মধ্যস্থতার জন্য কাতারের বিদেশমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসেবে ভারতে এসেছেন আল-কাহতানি। তাঁর কর্মসূচিতে রয়েছে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আলোচনাও। এ দিন ভারতের বিদেশসচিব হর্ষ শ্রীংলার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাতারের রাজধানী দোহায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালিবানদের মধ্যে একটি যুগান্তকারী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো মিত্র দেশগুলি চুক্তির চোদ্দ মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সমস্ত সৈন্য প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়।

তার পর থেকেই ক্রমশ তৎপরতা বাড়াতে শুরু করে তালিবানরা। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, এখন দেশের নাগরিকদের আফগানিস্তান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে আমেরিকা। শনিবার জানা যায়, কাবুলে মার্কিন দূতাবাসের তরফে বলা হয়েছে, তাদের ক্ষমতা সীমিত। ফলে যে মার্কিন নাগরিকরা এখন আফগানিস্তানে রয়েছেন, তাঁরা বিপদে পড়লে সবাইকে সাহায্য় করা সম্ভব নয়।

ইতিমধ্যেই দূতাবাসের বহু কর্মীকে দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন বলা হচ্ছে, যে নাগরিকদের কাছে বিমানের টিকিট কেনার টাকা নেই, তাঁরা দূতাবাস থেকে তা ধার নিতে পারেন।

এ দিকে, গত জুলাইয়ে আফগানিস্তানের কন্দহর কনস্যুলেট থেকে প্রায় ৫০ জন কূটনীতিবিদ এবং অন্যান্য কর্মীদের অন্যান্যদের ফিরিয়ে আনে ভারত। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়, “কন্দহর শহরের কাছে তীব্র সংঘর্ষের” জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রায় দুই দশক পর আমেরিকা নিজের বাহিনী সরিয়ে নিয়েছে। এর পরই তালিবানরা দেশের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করার সঙ্গে সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল।

খবর অনলাইন-এর অন্যান্য প্রতিবেদন পড়তে পারেন এখানে: khaboronline.com

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন