DM

ওয়েবডেস্ক: মাসখানেক আগেই বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন বিহারের জামুইয়ের জেলাশাসক ধর্মেন্দ্র কুমার। গত বুধবার ধর্মেন্দ্র সরকারি বাসভবনে ঢুকতে চান তাঁর স্ত্রী বাৎসলা সিং এবং তাঁর মা। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের বাধা দেয়। বুধবার থেকেই সেখানে ধরনায় বসে পড়েন মা-মেয়ে। প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে চলে সেই ধরনা। তার পর কী হল? কী জন্যই বা বিবাহবিচ্ছেদ?

২০১৫ সালের ১১ মার্চ বিয়ে হয় ধর্মেন্দ্র-বাৎসলার। কয়েক মাস পর নিজের পড়াশোনা সম্পূর্ণ করতে দিল্লি চলে যান বাৎসলা। কিন্তু সেখান থেকে ফিরে আসার পরই বাঁধে বিপত্তি। ধর্মেন্দ্র স্ত্রীকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন। বাৎসলা বলেন, স্বামী তাঁর বিরুদ্ধে ইংরেজিতে কথা বলার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, “আমার স্বামীর অভিযোগ আমি না কি বাড়িতে সব সময় ইংরাজিতে কথা বলি। কিন্তু আমার স্বামীর এ ধরনের অভিযোগের কোনো মানে হয় না”।

একই সঙ্গে বাৎসলার জীবনযাপন নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। তিনি না কি অত্যাধুনিক সাজপোশাক পরেন। যা ধর্মেন্দ্র মোটেই পছন্দ নয়। ঠিক যে ধরনের পোশাক বাৎসলা পরেন, সেগুলো অনেক হাই-ফাই ফ্য়ামিলির লোকজন পরেন বলেই মনে করেন জেলাশাসক।

ধরনা থেকে ওঠার পর বাৎসলা বলেন, “আমি এবং আমার মা ওঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা আমাদের ভিতরে ঢুকতেই দিল না। যে কারণে আমরা ধরনায় বসি। প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে আমরা ঠাঁয় বসে রইলাম। আমার স্বামী একটি বারের জন্য আমাদের সঙ্গে দেখা করলেন না। ওঁর বাড়ির লোকও ওঁর কথা শুনে চলছে”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here