PAN

ওয়েবডেস্ক: পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে ঘোরা এখন আমাদের অনেকেরই অভ্যাস! তা-ও আবার একাধিক- ভোটার আইডি, প্যান, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট- কত কী! সমস্যাটা শুরু হয় তখনই, যখন এগুলোর মধ্যে কোনো একটা হারিয়ে যায়! আপাতত বরং জেনে নেওয়া যাক, প্যান কার্ড হারিয়ে গেলে অনলাইনে কী ভাবে আরেকটা কার্ডের প্রিন্ট আউট পাওয়া যায়, সে কথাই!

সবার আগে না বললেই নয়- প্যান কার্ড হারিয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় থানায় একটা খবর দিতেই হবে আপনাকে। কেন না, প্যান কার্ড আপনার গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য বহন করছে। সেই সব ব্যবহার করে যে কেউ বিপদে ফেলতে পারে আপনাকে। সেই বিপদ ঠেকাতেই থানায় একটা ডায়েরি করে রাখা প্রয়োজন। তার পর?

NSDL মারফত এগোলে:

আয়কর দফতর দুই এজেন্সির মাধ্যমে অনলাইনে প্যান কার্ড পাওয়ার বন্দোবস্ত করে রেখেছে। এরা হল- NSDL (National Securities Depository Ltd) এবং UTIITSL (UTI Infrastructure Technology And Services Ltd)। যদি NSDL মারফত প্যান কার্ডের রি-প্রিন্ট বা ভুল সংশোধনের জন্য এগোতে চান, তার জন্য লিঙ্ক করুন এখানে- https://bit.ly/2fI8GuA

এর পর কী করতে হবে?

আপনার যা প্রয়োজন, রি-প্রিন্ট বা ভুল সংশোধন, ক্লিক করুন সেই অপশনে। এর পর আপনাকে দাখিল করতে হবে কার্ডে থাকা কিছু তথ্য। যেমন, নাম, জন্ম তারিখ, ইমেল অ্যাড্রেস, মোবাইল নম্বর এবং আপনার প্যান নম্বর। এই সব তথ্য টাইপ করে আপনি যখন পরের পাতায় যাবেন, আপনার কাছে চাওয়া হবে আধার নম্বর।

কী ভাবে জমা দেবেন তথ্য:

এখানে এসে এ বার আপনাকে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্যান কার্ডের রি-প্রিন্ট বা ভুল সংশোধনের জন্য এই আধার-সম্পর্কিত তথ্য আপনি জমা করবেন কী ভাবে! আপনি বেছে নিতে পারেন অনলাইনে জমা করার সহজ আধার-ভিত্তিক eKYC পদ্ধতি। কার্ড স্ক্যান করে ডিজিটাল স্বাক্ষর-সহ তা পাঠাতে পারেন eSign পদ্ধতিতে। অথবা সরাসরি ডাক মারফতও পাঠাতে পারেন আয়কর দফতরের প্যান প্রসেসিং অফিসে।

eKYC পদ্ধতি:

এই ভাবে এগোতে হলে সংশ্লিষ্ট ওই পাতায় আপনাকে বাড়ির ঠিকানা একবার আপডেট করে নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে, আপনার আধার কার্ডে যে ঠিকানা রয়েছে, প্যান কার্ডও পৌঁছে যাবে সেই ঠিকানায়। যখনই আপনি এই ঠিকানা জমা করবেন, সঙ্গে সঙ্গে আপনার আধারে উল্লিখিত মোবাইল নম্বরে একটা ওয়ান-টাইম-পাসওয়ার্ড আসবে। সেই পাসওয়ার্ড দিয়ে দিলেই কেল্লা ফতে! তবে হ্যাঁ, এ ক্ষেত্রে যেন আধার এবং প্যান কার্ডে উল্লিখিত তথ্যের মিল থাকে। নামের বানান যদি দুই জায়গায় আলাদা হয় বা তথ্যে কোনো ভিন্নতা থাকে, তবে এই পদ্ধতিতে কাজ হবে না।

eSign পদ্ধতি:

এই পদ্ধতি বেছে নিলে আপনাকে পরিচয়, ঠিকানা, জন্ম তারিখ এবং যে প্যান আপনার কাছে রয়েছে, তার প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। তাতেই বাকি কাজ হয়ে যাবে।

UTIITSL মারফত এগোলে:

আর যদি UTIITSL মারফত এগোতে চান? সে ক্ষেত্রে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে- https://bit.ly/2nOrmOV

এই পোর্টালের সুবিধা হল, এখানে এফআইআর-টাই সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন প্যান কার্ডের প্রমাণপত্র হিসাবে। তার পর বাকি কাজ হয়ে যাবে সহজেই।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here