ওয়েবডেস্ক:  ভারতের মধ্যে এক মাত্র গোয়ার প্রায় প্রত্যেকটি সমুদ্র সৈকতেই বিকিনি পরে বিনোদনের সুযোগ রয়েছে। গোটা দেশে যখন রক্ষণশীলতা নিয়ে এত হইচই চলছে, তখন গোয়ার এই বিকিনি-সংস্কৃতি কী ভাবে অটুট রয়েছে?

১৯৬৭-তে গোয়ার গণভোট চিহ্নিত হয়ে আছে ভারতের একটি ছোট্ট অংশে প্রাচীন পর্তুগিজ উপনিবেশ তার নিজস্ব পরিচয় বজায় রাখতে পারবে কি না, তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে। নিজস্ব বিশেষ অঞ্চল না কি মহারাষ্ট্রের সঙ্গে তাকে মিশে যেতে হবে, এই প্রশ্নই ছিল মুখ্য। কিন্তু ওই গণভোটই যে গোয়ার সমুদ্র সৈকতে বিকিনি-সংস্কৃতি টিঁকে থাকার কারণ, তা ব্যাখ্যা করলেন বিজেপির বিধায়ক। তিনি ডেপুটি স্পিকারও বটে!

বিজেপি বিধায়ক মাইকেল লোবো মনে করেন, ভারতের উপকূলে অবস্থিত ওই রাজ্যে ওই কারণেই বিকিনির অনুমোদন বহাল রয়েছে। গত মঙ্গল বার ওই গণভোটের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত একটি সভায় উপস্থিত ছিলেন লোবো। তিনি খুব সহজ ভাষাতেই বলেন, তৎকালীন গোয়ার বাসিন্দারা মহরাষ্ট্রের সঙ্গে মিশে যাওয়ার বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করেন। তাদেরও দাবি ছিল গোয়ার সমুদ্র সৈকতে বিকিনি নিষিদ্ধ করা যাবে না। গোয়ায় যে উন্নয়ন হয়েছে, তার নেপথ্যে রয়েছে বিদেশি পর্যটকদের আগমণ। আর তাদের কাছে গোয়াকে আকর্ষণীয় করে তুলতে বিকিনি অনুমোদনের কাজ করেছে ওই গণভোট।

তবে গোয়ায় নির্দিষ্ট কোনো ‘বিকিনি বিচ’  নেই। প্রবীণরা ওই একটা খুঁতখঁতানির জন্য গোয়ার সমুদ্র সৈকত এড়িয়ে চলেন। আবার বিশ্বের বেশ কয়েকটি সমুদ্র সৈকতের মতো গোয়ায় কিন্তু সম্পূর্ণ অনাবৃত ঊর্ধ্বাঙ্গ প্রদর্শন বা বিকিনি পরিহিত অবস্থায় বাইক-ভ্রমণ পুরোপুরো নিষিদ্ধ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here