ওয়েবডেস্ক : চোরা চালান চলে ঠিক কোন পথে? কী ভাবে করা হয় চালান – কোনো ধারণা আছে? জানলে অবাক হবেনই।

দিল্লিতে অবস্থিত বিদেশি ডাকঘরের মাধ্যমে, সরকারি-বেসরকারি কুরিয়ার সার্ভিস সংস্থার মাধ্যমে চোরাচালান করা হয় দেশ থেকে বিদেশে আর বিদেশ থেকে দেশে। ঠিক এই ধরনের কথা বলছেন, ওয়াইল্ড ক্রাইম কনট্রোল ব্যুরো (ডব্লিউসিসিবি)-র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর তিলোত্তমা বর্মা।

বর্মা জানিয়েছেন, গত তিন বছর ধরে ডব্লিউসিসিবি এই বিষয়ে নজরদারি কড়া করেছে। তাতে প্রতি বছর প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি চোরা চালানের ঘটনা সামনে এসেছে। গত তিন বছরে মোট ১৫০টি ঘটনা। আর তাও ঘটেছে শুধু মাত্র দিল্লির বিদেশি ডাকঘরের মাধ্যমে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ছিল মৃত প্রাণীর বিভিন্ন অঙ্গ চোরাচালান। কিন্তু তার মধ্যে দু’টি ঘটনা আবার জীবন্ত প্রাণী পাচারেরও ছিল। বর্মা বলেন, তার মধ্যে একটি ছিল দু’টি কুমির আর একটি বল পাইথনের পার্সেল। এটি এসেছিল ইন্দোনেশিয়া থেকে। আর একটি ছিল সাতখানি সাপের চালান।

smuggling

২০১৭ সালের আগস্ট মাসের ঘটনা। বর্মা বলেন, এক্স-রে মেশিনের মাধ্যমে পার্সেলের ভেতরে নড়াচড়া লক্ষ্য করা যায়। তা জানানো হয় ডব্লিউসিসিবিকে। তার পর ওই পার্সেল থেকে জীবন্ত প্রাণী উদ্ধার হয়।

জানেন, যে সব প্রাণী বা বস্তু চোরাচালান হয় তার মধ্যে সব থেকে বেশি রয়েছে, লাল চন্দন কাঠ, জঙ্গলের লাল পাখি, সাদা বুকের মাছ রাঙা, ময়ূর ইত্যাদি। এগুলির বেশির ভাগই ফ‍্যাশন সামগ্রী হিসাবে দেশে বিদেশে জনপ্রিয়।

বর্মা এ-ও জানান, চালানকারীরা নানান উপায়ে এই সব সামগ্রী লেনদেন করে। প্রতিবারই নতুন নতুন উপায়। দিল্লির এই বিদেশি ডাকঘরের মাধ্যমে ছাড়াও চালান আসা-যাওয়া করে আরও কয়েকটি রাজ্যের মাধ্যমে – পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রেদেশ, জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচলপ্রদেশ।

আরও পড়ুন – সেনাদের রান্নায় বন্ধ হল শুকনো লঙ্কার ব্যবহার! কেন?

ওই আধিকারিক বলেন, আধিকারিক থেকে বিভিন্ন নজরদারি সংস্থা, ডাকঘর, শুল্কবিভাগ, পুলিশ-সহ সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন করার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালাও করা হচ্ছে প্রতিবছর।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন