নয়াদিল্লি: ১৫ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বার ‘তিন তালাক’ প্রথা নিয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিছুদিন আগে ভুবনেশ্বরে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘মুসলিম মহিলাদের প্রতি অন্যায় হওয়া উচিৎ নয়’। এবার “তিন তালাক প্রথার খারাপ প্রভাব থেকে মুসলিম কন্যাদের রক্ষা করার জন্য সম্প্রদায়ের(মুসলিম) মধ্য থেকেই সংস্কারকদের উঠে আসার’ আহ্বান করলেন তিনি।

কন্নড় দার্শনিক বাসাভেশ্বরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, “সাম্প্রতিক কালে তিন তালাক নিয়ে অনেক বিতর্ক হচ্ছে। ভারতের মহান ঐতিহ্যের দিকে তাকিয়ে আমার আশা সম্প্রদায়ের মধ্য থেকেই শক্তিশালী মানুষ উঠে আসবেন। যারা সেকেলে প্রথাকে উচ্ছেদ করবেন এবং আধুনিক প্রথার জন্ম দেবেন”।

কিছুদিনের মধ্যেই তিন তালাক নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। ১১ মে থেকে সুপ্রিম কোর্টের ৫ সদস্যের বেঞ্চ কাজ শুরু করবে। যদি তিন তালাক ও বহুগামিতা নারীদের অধিকারের পরিপন্থী হয়, তাহলে সেগুলিকে ধর্ম পালনের অধিকারের অছিলায় চালিয়ে যেতে দেওয়া উচিৎ কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ওই বেঞ্চ। তাঁদের ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে তালাক দেওয়া হয়েছে, এই অভিযোগে সাম্প্রতিক কালে বেশ কয়েকজন মুসলিম মহিলা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। এই সব মামলাগুলির পরিপ্রেক্ষিতেই ওই বেঞ্চ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি।

বিজেপি-র দিক থেকে তিন তালাক প্রথার উচ্ছেদ ঘটানোর চেষ্টার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে, দেশ জুড়ে বিতর্কিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার চেষ্টা। যা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here