কর্নাটকের নাটক অব্যাহত, বিধায়কদের ‘নিরাপদ আস্তানায়’ সরাল কংগ্রেস

শুক্রবার বেঙ্গালুরুতে পরিষদীয় দলের বৈঠক ডেকেছিলেন সিদ্দারামাইয়া

0

বেঙ্গালুরু: ‘শেষ হইয়াও হইল না শেষ।’ কর্নাটকের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ব্যাখ্যা করতে গেলে ঠিক এই কথাগুলিই বলতে হবে। বৃহস্পতিবারই বিজেপির তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল সংখ্যা না পাওয়ায় এখনই সরকার পালটে দেওয়ার পরিকল্পনা নেই তাদের। তার পরের দিনই কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের বৈঠকে দেখা গেল, নাটক এখনও অনেকটাই বাকি। বিধায়কদের রক্ষা করতে তাই নিরাপদ আস্তানায় সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সিদ্ধারামাইয়ারা।

শুক্রবার বেঙ্গালুরুতে পরিষদীয় দলের বৈঠক ডেকেছিলেন সিদ্দারামাইয়া। দলের ৮০ জন বিধায়ককেই ওই বৈঠকে হাজির থাকার জন্য হুইপ জারি করেছিল দল। কিন্তু দেখা গেল চার জন বিধায়ক ওই বৈঠকে আসননি। এঁদের মধ্যে তিন জন বিধায়ককে নিয়ে যাবতীয় জল্পনা চলছে কয়েক দিন ধরেই।

রমেশ জারকোলি-সহ বিদ্রোহী তিন বিধায়ক সেই যে মুম্বইয়ের হোটেলে রয়েছেন, এখনও তাঁরা ফেরেননি। অন্য এক জন উমেশ যাদব দল থেকে অব্যাহতি চেয়ে সিদ্দারমাইয়াকে ফ্যাক্সবার্তা পাঠিয়েছেন। এই সংখ্যার পরে আপাতত কর্নাটক সরকার নিরাপদ থাকলেও কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি কংগ্রেস। বিধায়কদের বেঙ্গালুরুর ইগলটন রিসর্টে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এরই মধ্যে অবশ্য জোট সরকারকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে কিছু দিন আগে সরকারের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করা নির্দল বিধায়ক নাগেশ।

আরও পড়ুন: ব্রিগেডে ‘নক্ষত্র’ সমাবেশ! কেন এলেন না মায়াবতী?

বিধায়কদের রিসর্টে পাঠানোর জন্য নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ এবং বিএস ইয়েদিয়ুরাপ্পাকে দোষারোপ করেছেন সিদ্দারামাইয়া। তিনি বলেন, “ইয়েদিয়ুরাপ্পার কী কোনো লজ্জা নেই! বার বার ব্যর্থ হওয়ার পরেও চেষ্টা করে চলেছেন। বিজেপি এক একজন বিধায়ককে একশো কোটি টাকার লোভ দেখাচ্ছে। চৌকিদার কী এ ভাবেই দেশ চালাচ্ছেন? এই পরিস্থিতিতে আমাদের বিধায়কদের রক্ষা করতেই হবে।”

এ দিকে সূত্রের খবর, দলীয় বিধায়কদের এই নিয়ে তৃতীয় বার আশ্বাস দেওয়া হলেও কর্নাটকে জোট সরকারকে ফেলে দিতে পারেনি বিজেপি। এর ফলে দলীয় নেতৃত্বের ওপরে বেজায় চটেছেন বিধায়করা। কেউই আর নেতৃত্বকে বিশ্বাস করতে চাইছেন না বলে খবর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here