মহারাষ্ট্র-কর্নাটকে আচমকা কমল, দিল্লিতে দৈনিক করোনা সংক্রমণ কার্যত এক জায়গায়

0
নমুনা পরীক্ষা। প্রতীকী ছবি: ইন্ডিয়া ডট কম থেকে

নয়াদিল্লি: ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে করোনার হঠাৎ বৃদ্ধি নিয়ে বিশেষ আতঙ্কের কোনো পরিস্থিতি নেই। তবুও সংবাদমাধ্যমের একাংশে ইচ্ছে করেই আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে দিল্লিতে গত চার দিন ধরেই সংক্রমণ কার্যত এক জায়গাতে রয়েছে। অন্যদিকে, মহারাষ্ট্র এবং কর্নাটকে সংক্রমণ হঠাৎ করে কমে গিয়েছে।

সংক্রমণের এই ওঠানামার সঙ্গে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ঢেউয়ের বেশ পার্থক্য রয়েছে। আর সেটা দেখেই বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা চলতি করোনাস্ফীতির মেয়াদ খুব সাময়িক। অনেকে অবশ্য এটাও মনে করছেন যে করোনা যে হেতু প্রায় স্থানীয় রোগে পরিণত হয়ে গিয়েছে তাই আগামী দিনে সংক্রমণের চিত্রটা এই এক রকমই থাকবে।

রবিবার দিল্লিতে কোভিডে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ৮১২ জন। সংক্রমণের হার ছিল ৪.৪৮ শতাংশ। এই সংক্রমণের হারটি বুধবার ৫ শতাংশের ওপরে ছিল। তার পরের চার দিনই কিন্তু তা ৪ শতাংশের ঘরে রয়েছে। অর্থাৎ একটা ব্যাপার পরিষ্কার সংক্রমণ আর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে না।

বিশেষজ্ঞরা অনেকেই মনে করছেন টিকাকরণ এবং অতীতে করোনা সংক্রমণ হয়ে যাওয়ার ফলে অধিকাংশ মানুষের শরীরে এখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যথেষ্ট। সে কারণে ভাইরাসের নতুন প্রজাতি চলে এলেও তা ছড়িয়ে পড়ার আদর্শ পরিবেশ পাচ্ছে না।

দিল্লিতে বর্তমানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৯৭৫ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন ৮০ জন, যা মোট সক্রিয় রোগীর ২ শতাংশ। এঁদের মধ্যে অক্সিজেনের দরকার পড়ছে ২৮ জনের, যা মোট সক্রিয় রোগীর ০.৭ শতাংশ। অন্যদিকে, দিল্লির হাসপাতালগুলিতে কোভিডের চিকিৎসার জন্য যত শয্যা রয়েছে তার ৯৮ শতাংশই এখন খালি। বোঝাই যাচ্ছে কোভিড আর কোনো ভাবেই গুরুতর রোগ নয়।

এ দিকে, কর্নাটকে গত শনিবার দিন আচমকা নতুন সংক্রমণ ১৩৯ হয়ে গিয়েছিল। সংক্রমণের হার ১ শতাংশ ছাড়িয়ে গিয়েছিল। রবিবার তা নেমে এসেছে ৬০-এ। সংক্রমণের হার কমে হয় ০.৭০ শতাংশ। অন্যদিকে, রবিবার মহারাষ্ট্রে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৪৪ জন, যা শনিবারের (১৯৪) থেকে অনেক কম। মুম্বই শহরে এখন সংক্রমণের হার চলছে ০.৭ শতাংশে।

দিল্লির পড়শি হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশের দিল্লি সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে সংক্রমণ এখনও বেশি রয়েছে। কিন্তু পরিসংখ্যানে মনে হচ্ছে গত সপ্তাহে সংক্রমণ যে ভাবে বাড়ছিল সেই বৃদ্ধিটা এখন কমেছে। সংক্রমণের হারও ঘুরছে এক জায়গায়।

এত কিছু দেখেই অনেকেই মনে করছেন চলতি করোনাস্ফীতি আশংকার কিছুই নয়। তবে দিল্লির মতো সংক্রমণের বৃদ্ধির জন্য তৈরি থাকতে হবে বাকি সব রাজ্যকেই। উল্লেখ্য, রবিবার পশ্চিমবঙ্গে সংক্রমণের হার ছিল ০.৪৬ শতাংশ, যা গত দু’সপ্তাহের মধ্যে সব থেকে বেশি।

আরও পড়তে পারেন

আবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হলেন এমানুয়েল ম্যাক্রো, ইউরোপে স্বস্তি

দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে দহন-তাণ্ডব, চল্লিশ ছুঁল কলকাতা

কিছু জায়গায় কোভিড-গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী, মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

ফের হাজিরা এড়ালেন অনুব্রত মণ্ডল, তবে কি বাড়িতে যাবে সিবিআই?

সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা, লখিমপুর খেরি-কাণ্ডে জেলে ফিরলেন মন্ত্রীপুত্র

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন