bapu ki kutiya

ওয়েবডেস্ক: বার্ধ্যকের অনেক সমস্যা। শরীর তো ধীরে ধীরে জবাব দিতে শুরু করেই! কিন্তু সব চেয়ে বড়ো সমস্যা দেখা দেয় তখন, যখন কাছের মানুষরাও জবাব দিয়ে দেন! এর পর স্রেফ নিঃসঙ্গতাই হয়ে ওঠে সঙ্গী। মূলত তার থেকে জন্ম নেওয়া মানসিক অবসাদ বয়সের তুলনায় কিছু বেশিই শ্রান্ত করে তোলে অস্তিত্বকে। সারা পৃথিবী জুড়েই এই একাকিত্বের সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকেন বয়স্ক মানুষরা। যে সমস্যার মোকাবিলার জন্য বিশ্বের নানা প্রান্তে কোমর বেঁধেছে অজস্র স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও প্রশাসন।

bapu ki kutiya

এ বার সেই উদ্যোগে নিজেদের নাম লিখিয়ে ফেলল ছত্তীসগঢ়ের রায়পুর। জানা গিয়েছে, রায়পুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বয়স্কদের নিঃসঙ্গতার হাত থেকে রেহাই দিতে শুরু হয়েছে এক সরকারি প্রকল্প। এই প্রকল্পের উদ্যোগে রায়পুরের নানা জায়গায় তৈরি হচ্ছে পাকা গাঁথুনির কুটির। যেখানে বয়স্ক মানুষরা খুঁজে পাবেন সঙ্গী এবং মনের মতো সময় কাটানোর রসদ। প্রশাসনের তরফে এই ঘরগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাপু কি কুটিয়া’।

bapu ki kutiya

শনিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। জানা গিয়েছে, মূলত রায়পুরের নানা পার্কের মনোরম পরিবেশে এ রকম ৫০টি কুটির তৈরি করা হবে। এক একটি কুটিরে স্বচ্ছন্দে স্থান সঙ্কুলান হবে ৩০ জনের। বয়স্কদের বিনোদনের জন্য কুটিরগুলোয় রাখা হবে দাবা এবং ক্যারাম খেলার বন্দোবস্ত। এ ছাড়া, বয়স্কদের শারীরিক দিকটির খেয়াল রেখে কুটিরগুলো শীততাপনিয়ন্ত্রিত করার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকা। রায়পুর স্মার্ট সিটি নামের নির্মাণ সংস্থার উদ্যোগে এই কুটিরগুলো তৈরি হচ্ছে।

bapu ki kutiya

“বয়স্কদের সময় কাটানোর জন্য এ রকম ঘর তৈরি করে দেওয়াটা কঠিন কিছু নয়। সমস্যা হচ্ছে তার তদারকি করা! তাই প্রাথমিক ভাবে প্রশাসনের উদ্যোগে ঘরগুলো তৈরি হলেও এর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাদের আমরা আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। যারা সব নিয়ম-কানুন মেনে কুটিরগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারবে, তাদের মধ্যেই বিলি করে দেওয়া হবে এক একটি কুটিরের দায়িত্ব”, জানিয়েছেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত রায়পুরের কালেক্টর ও পি চৌধুরী।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here