নয়াদিল্লি: আগামী রবিবার এবং সোমবার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত হ্যাকাথন। শুক্রবার সর্বদলীয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পরেই বিভিন্ন বিরোধী দলের থেকে ইভিএম জালিয়াতির অভিযোগ তোলা হয়। এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপতির দারস্থ হয়ে তাঁকে স্মারকলিপি দেয় বিরোধী দলগুলি। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গেও দেখা করে তারা। তখনই এই হ্যাকাথন করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। বিরোধী দলগুলিকে কার্যত চ্যালেঞ্জ করে কমিশন জানায় হ্যাকাথনের সময় যে কেউ এসে ইভিএমে জালিয়াতি করার চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু হ্যাকাথন কবে হবে তার দিন ঠিক করতেই শুক্রবার এই বৈঠক ডাকে কমিশন।

দিল্লির কন্সটিটিউশন ক্লাবে এই বৈঠকে এ দিন উপস্থিত ছিল সাতটি জাতীয় এবং ৪৮টি আঞ্চলিক দল। সব দলকেই কমিশন বোঝানোর চেষ্টা করে যে ইভিএমে জালিয়াতি করা যায় না। প্রত্যাশামতোই কমিশনের সেই যুক্তি মানেনি বেশির ভাগ দলই।

কিছু দিন আগেই দিল্লি বিধানসভায় সবার সামনে ইভিএমে জালিয়াতি করা দেখিয়ে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন আপ বিধায়ক সৌরভ ভরদ্বাজ। সেই নিয়ে কমিশনকে চেপে ধরা হলে, কমিশন তা নস্যাৎ করে জানিয়ে দেয়, সৌরভবাবু যে যন্ত্রটি ব্যবহার করেছিলেন সেটি আসল ইভিএম নয়, নকল একটি যন্ত্র।

ইভিএম যন্ত্রে অবিলম্বে ভিভিপ্যাট যন্ত্র বসানোর জন্য কমিশনের কাছে দরবার করে বিরোধী দলগুলি। পাশাপাশি নির্বাচনী সংস্কার এবং এক সঙ্গে লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচন করার ব্যাপারেও বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা করে কমিশন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here