নয়াদিল্লি: গ্রাহকের যাবতীয় ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তারা যথেষ্ট সচেতন। তবু এই পরিষেবায় সন্তুষ্ট না হলে যে কোনো মুহূর্তেই হোয়াটসঅ্যাপ ছেড়ে বেরোতে পারেন ব্যবহারকারীরা। শুক্রবার দেশের শীর্ষ আদালতকে তেমনটাই বলল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। কপিল সিবাল এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টকে বলেছেন, “হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সঙ্গে কর্তৃপক্ষের চুক্তি ব্যাক্তিগত এক্তিয়ারের আওতায় পড়ায় দেশের সংবিধান দ্বারা এর নীতি পরীক্ষা করা যায় না।” আগামী ১৫ মে এই সংক্রান্ত প্রাথমিক শুনানি হওয়ার কথা।

গত আগস্টে চালু হওয়া হোয়াটসঅ্যাপের নতুন নীতি অনুযায়ী ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর সহ বেশ কিছু ব্যক্তিগত তথ্য স্বয়ংক্রিয় ভাবেই শেয়ার হয়ে যায় ফেসবুকে। এই নীতির বিরুদ্ধেই দুই গ্রাহক আবেদন করেছিলেন। তার ভিত্তিতেই গত ১৬ জানুয়ারি শীর্ষ আদালত থেকে কেন্দ্রকে এই প্রসঙ্গে মতামত জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

ফেসবুকের পক্ষ থেকে কেকে বেনুগোপাল এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, “হোয়াটসঅ্যাপের নতুন গোপনীয়তা নীতিতে কারোর মৌলিক অধিকার খণ্ডন করা হচ্ছে মনে হলে অবিলম্বে তা ব্যবহার করা বন্ধ করতে পারেন গ্রাহক”। আবেদনকারীদের পক্ষে হরিশ সালভে বলেন, “ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা নিজেদের অজান্তেই তাদের ব্যক্তিগত মেসেজের যাবতীয় তথ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শেয়ার করে ফেলে। কারণ কর্তৃপক্ষের সেখানে প্রবেশ অবাধ। অর্থাৎ বৈদ্যুতিন উপায়ে হলেও তথ্য গোপন রাখার চুক্তিটি ভাঙা হচ্ছে বারবার। অথচ দেশের প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করা সে দেশের সরকারের দায়িত্ব।

গত ৬ এপ্রিল কেন্দ্র থেকে শীর্ষ আদালতকে জানানো হয়েছিল, স্কাইপ, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপের ওপর নজর রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো সরকার তৈরি করবে।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here