Connect with us

দেশ

আম্বেডকর ভবনে নেই শুধু পশ্চিমবঙ্গ

ওয়েবডেস্ক: জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধক বা এনপিআর নিয়ে কেন্দ্রের ডাকা বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন না পশ্চিমবঙ্গের কোনো প্রতিনিধি। শুক্রবার ২০২০ সালের আদমশুমারি এবং অনপিআর নিয়ে আম্বেডকর ভবনে কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

মন্ত্রক সূত্রে খবর, বৈঠকের আগেই পশ্চিমবঙ্গের পক্ষ থেকে লিখিত ভাবে কেন্দ্রকে জানিয়ে দেওয়া হয়, রাজ্য থেকে কোনো প্রতিনিধি বৈঠকে অংশ নেবেন না। এ দিন আম্বেডকর ভবনের ওই বৈঠকে বাংলা ব্যতিরেকে প্রায় প্রতিটি রাজ্য থেকেই প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের নেতৃত্বে এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা এবং প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যসচিব ও আদমশুমারি ডিরেক্টররা। সেখানে এনপিআর প্রক্রিয়ার বিষয়ে রাজ্যগুলির মতামত এবং পরামর্শ নেওয়া হবে।

আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এনপিআরের উদ্দেশ্য হল দেশের প্রতিটি সাধারণ বাসিন্দার একটি বিস্তৃত পরিচয় ডেটাবেস তৈরি করা। যে ডেটাবেসে জনসংখ্যার পাশাপাশি বায়োমেট্রিক বিশদ তথ্যও থাকবে।

একই সঙ্গে তাঁরা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ রাজ্যগুলি এনপিআর সম্পর্কিত বিধানগুলি অবহিত করেছে, যা দেশের সাধারণ বাসিন্দাদের একটি রেজিস্টার। এটি স্থানীয় (গ্রাম / শহরতলি), উপ-বিভাগীয়, জেলা, রাজ্য ও জাতীয় পর্যায়ে নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫ এবং নাগরিকত্ব (নাগরিকদের নিবন্ধন এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ইস্যু) বিধি, ২০০৩-এর আইন অনুযায়ী তৈরি করা হচ্ছে।

আইনে নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। উল্লেখ্য, বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) নিয়ে তীব্র ক্ষোভের মধ্যে এনপিআর মহড়ার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কেন্দ্র।

আরও পড়ুন: এনপিআর নিয়ে কেন্দ্রের ইঙ্গিতে আরও ধোঁয়াশা?

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) নিয়ে বিক্ষোভের পাশাপাশি প্রস্তাবিত সারা দেশব্যাপী জাতীয় নাগরিকপঞ্জী (এনআরসি) নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছে। এমনটাও দাবি করা হচ্ছে, এনআরসির আগাম প্রক্রিয়া এই এনপিআর। যে কারণে এনপিআর-এর বিরোধিতায় রাজ্য এই সংক্রান্ত মহড়া প্রক্রিয়া বন্ধের সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে পশ্চিমবঙ্গ।

দেশ

নতুন নিয়মে খুলছে তাজমহল!

সৌধগুলিতে প্রবেশের জন্য প্রত্যেক দর্শনার্থীকে অবশ্য়ই মাস্ক পরতে হবে। প্রবেশ পথে থাকবে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা।

ওয়েবডেস্ক: প্রায় সাড়ে তিন মাস বন্ধ থাকার পর ফের খুলছে তাজমহল। সূত্রের খবর, কোভিড-১৯ মহামারির (Covid-10 pandemic) মধ্যেই আগামী ৬ জুলাই থেকে ফের দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হতে পারে।

আগরার (Agra) পর্যটন শিল্পের বৃহত্তম অংশ নির্ভরশীল তাজমহলের (Taj Mahal) উপরেই। ফলে তা খুলে দেওয়া হলে এই শিল্পে নতুন করে প্রাণসঞ্চার হতে পারে।

আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (ASI) একটি সূত্র জানাচ্ছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধের যাবতীয় পদক্ষেপ বজায় রেখেই আনলক-২ পর্বেই তাজমহল খুলে দেওয়ার আশা করা হচ্ছে। তবে এ ব্যাপারে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে।

কী ভাবে খোলা হবে?

দু’টি শিফটে খোলা হতে পারে তাজমহল। প্রত্যেক শিফটে সর্বাধিক পাঁচ হাজার এবং আড়াই হাজার করে দর্শনার্থীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

একই ভাবে আগরা দুর্গেও সকালের শিফটে ১২০০ এবং দুপুরের শিফটে ১৩০০ দর্শনার্থীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

সৌধগুলিতে প্রবেশের জন্য প্রত্যেক দর্শনার্থীকে অবশ্য়ই মাস্ক পরতে হবে। প্রবেশ পথে থাকবে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা। ভিতরের ঢোকার পরেও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। আপাতত হাতে-হাতে টিকিটের পরিবর্তে ই-টিকিটিং ব্যবস্থাকেই বেছে নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

বন্ধ হওয়ার আগে

গত ১৭ মার্চ থেকে দর্শনার্থীদের জন্য পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় তাজমহল।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে দর্শনার্থীর সংখ্যা হু হু করে কমতে শুরু করে। লকডাউনে ধর্মীয়, পর্যটনস্থানগুলি বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি দর্শনার্থীর সংখ্য়া হ্রাসও একটা বড়ো কারণ।

বিদেশি পর্যটকদের ভিসার উপর কড়াকড়ি শুরু হওয়ার পর তাঁরা আর আগের মতো ভিড় জমাতেন না।

বন্ধ হওয়ার সপ্তাহে সার্বিক দর্শনার্থীর সংখ্যায় উল্লেখ্য়নীয় পতন ঘটে। রবিবার ছুটির দিনে যেখানে ২৫ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হতো, সেখানে ওই সপ্তাহে দর্শনার্থীর সংখ্যা ঠেকে ১৩ হাজারে। অথচ শনিবার তা ছিল ১৫ হাজারের বেশি, বৃহস্পতিবার ১৬ হাজারের বেশি। অন্য দিকে রবিবার বিদেশি দর্শনার্থীদের সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ে তিন হাজারের কম-বেশি থাকলেও ওই সপ্তাহে তা হয় মাত্র ১২০০।

এক দিকে মারণ ভাইরাস নিয়ে দর্শনার্থীদের মনে সংশয় এবং অন্য দিকে বেশ কিছু কড়াকড়ি দর্শনার্থী সংখ্য়ায় ভাটার সৃষ্টি করে।

পর্যটনে খুশির খবর

টানা কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর ফের তাজমহল খোলার খবর শুনে আগরা টুরিস্ট ওয়েলফেয়ার চেম্বারের প্রেসিডেন্ট প্রহ্লাদ আগরওয়াল উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আগরা পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত প্রায় চার লক্ষ মানুষ স্বস্তি পাবেন। আশা করা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা চালু হওয়ার পর পরিস্থিতি ধীরে হলেও আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে”।

অন্য দিকে টুরিজম গিল্ড অব আগরার চেয়ারম্যান হরি সুকুমার বলেন, “এই সিদ্ধান্ত সারা বিশ্বকে ইতিবাচক বার্তা দেবে-আগরা পর্যটকদের জন্য নিরাপদ”।

Continue Reading

দেশ

আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের কাঁপল দিল্লি

নয়াদিল্লি: ফের ভূমিকম্প হল রাজধানী দিল্লিতে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ এই কম্পনের জেরে মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। যদিও এই কম্পনের ফলে কোনো হতাহতের খবর নেই।

শুক্রবার এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। কেন্দ্রস্থল ছিল হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে ৬৩ কিমি দূরে।

এপ্রিল থেকেই কম্পনের হিড়িক লেগেছে দিল্লি এবং তার আশেপাশের এলাকায়। সব কম্পনই ২ থেকে সাড়ে চার মাত্রার মধ্যে হয়েছে। এই কম্পনের কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে যে আগামী দিনে আরও বড়ো কোনো কম্পন হবে কি না।

তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ছোটো কম্পনগুলো আসন্ন বড়ো কোনো কম্পনের ইঙ্গিত আদৌ দেয় না।

অন্যত্রও কম্পন

শুক্রবার ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ভূমিকম্প হয়েছে। এ দিন সকালে মিজোরামের চাম্ফাইয়ে ৪.৫ মাত্রার একটি কম্পন হয়। এর পর ৪.৪ মাত্রার একটি কম্পন হয় কার্গিলে। পাশাপাশি মহারাষ্ট্রেও এ দিন ৫.২ মাত্রার একটি কম্পন হয়। উৎসস্থল ছিল পুনে থেকে ২২৫ কিমি দূরে বারশিতে।

Continue Reading

দেশ

নাগাল্যান্ডে নিষিদ্ধ হল কুকুরের মাংস

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র চাপের মুখে পড়ে নতি স্বীকার করল নাগাল্যান্ড সরকার। রাজ্যে কুকুরের মাংস বিক্রির ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল।

শুক্রবার এই বিষয়েই টুইট করে নাগাল্যান্ডের মুখ্যসচিব টেনজেন টয় বলেন, “কুকুরের বাণিজ্যিক রফতানি এবং কুকুরের মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে রাজ্য সরকার। কাঁচা বা রান্না করা, কোনো ধরনের মাংসই আর বিক্রি করা যাবে না।”

উল্লেখ্য, কিছু দিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। ছবিতে দেখা যাচ্ছিল যে বস্তায় করে কুকুরদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কুকুরগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন একজন টুইটার ব্যবহারকারী।

এই খবর প্রকাশ্যে আসতে হস্তক্ষেপ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা গান্ধীও। কুকুর এ ভাবে আমদানি বা রফতানি বন্ধ করার জন্য নাগাল্যান্ড পুলিশের কাছেও আবেদন করেন মানেকা। এই নিয়ে হইচই শুরু হতেই মাংসের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হল নাগাল্যান্ডে।

উল্লেখ্য, উত্তরপূর্ব ভারতে, বিশেষত নাগাল্যান্ডে কুকুরের মাংস খুবই জনপ্রিয় একটা খাবার। এই মাংস খাওয়ার ব্যাপারে সরকারি কোনো আইনও নেই। এ ছাড়া খরগোশ আর বাঁদরের মাংসও ব্যাপক ভাবে খাওয়া হয় এই সব অঞ্চলে।

Continue Reading
Advertisement

নজরে