জয়পুর : আইনের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধৃত ফলহারি বাবা তাঁর দোষ স্বীকার করেছেন পুলিশের কাছে। এমনটাই দাবি তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকদের। অদ্ভুতভাবে আলোয়ার পুলিশ আদালতের কাছে বাবাকে তাদের হেফাজতে চায়নি। কারণ হিসাবে এই পুলিশ আধিকারিক ইন্ডিয়া টুডেকে জানিয়েছেন, যে হেতু বাবা অসুস্থ এবং তিনি দোষ স্বীকার করেছেন তাই হেফাজতে চাওয়া হয়নি।

এর ফলে আদালত, বাবাকে দু’সপ্তাহের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখা নির্দেশ দিয়েছে।

আইজি জয়পুর রেঞ্জ হেমন্ত প্রিয়দর্শী জানিয়েছেন, ‘‘জেল হেফাজতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন নেই।’’ এর আগে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা বাবাকে সুস্থ বলে ঘোষণা করেন। তা সত্ত্বেও পুলিশ কেন বাবাকে তাদের হেফাজতে নিল না?

আরও পড়ুন : গ্রেফতার হলেন ধর্ষণে অভিযুক্ত রাজস্থানের ফলহারি বাবা 

অন্য এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘‘তিনি তো গুরমিত রাম রহিমের মতো ফিট নন। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। হাসপাতালের শয্যাতেই তিনি তাঁর দোষ স্বীকার করেছেন। তাই তাঁকে জেলে নিয়ে গিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না পুলিশ।’’

falahari-baba with home minister
ফলহারি বাবার সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। ছবি সৌজন্যে: দ্য হিন্দু

পুলিশ বাবার ল্যাপটপ, হার্ড ডিস্ক এবং আরও বেশ কিছু জিনিস বাজেয়াপ্ত করেছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে তল্লাশি না চালালে কি যথেষ্ঠ পরিমাণ প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারবে পুলিশ? পুলিশ ধর্ষিতার বয়ানও রেকর্ড করেছে। তারা মনে করছে আরও এ রকম ঘটনা রয়েছে।

বাবার যৌন সক্ষমতা পরীক্ষার আদেশ

আজতক জানিয়েছে, আদালতকে বাবার উকিল বলেন, বাবা কাম-বাসনাকে আটকে রাখতে বিভিন্ন জড়িবুটি খেতেন। ৬০ বছর বয়সে তিনি নপুংসক হয়ে গিয়েছেন। এর পর আদালত বাবার যৌন সক্ষমতা পরীক্ষার নির্দেশ দেয়।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন