rajdhani shatabdi fares to go down

ওয়েবডেস্ক: ট্রেনের সময়ে না চলা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মেল, এক্সপ্রেস ট্রেনের পাশাপাশি রাজধানী, দুরন্ত এবং শতাব্দীও এখন দেরিতে চলে। দেরিতে চলার সেই রোগ কবে ঠিক হবে জানা নেই, রেল কিন্তু ট্রেনের ভাড়া বাড়িয়েই চলেছে।

১ নভেম্বর প্রকাশিত হওয়া রেলের নতুন সূচিতে দেখা যাচ্ছে অন্তত ৪৮টা ট্রেনকে ‘সুপারফাস্ট’-এ উন্নীত করে ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে রেল। ঘন্টায় ৫০ থেকে বাড়িয়ে মাত্র ৫৫ কিমি গতিবেগ করে ‘সুপারফাস্ট’-এর তকমা দিয়েছে ভারতীয় রেল। এই সব ট্রেনের যাত্রীদের জন্য কোনো বাড়তি সুবিধা দেওয়া হবে না, কিন্তু যে হেতু ট্রেনগুলি ‘সুপারফাস্ট’-এ উন্নীত তাই স্লিপার ক্লাসের যাত্রীদের বাড়তি ৩০ টাকা, দুই এবং তিন টায়ার এসি’র যাত্রীদের ৪৫ টাকা এবং প্রথম শ্রেণি এসি’র যাত্রীদের বাড়তি ৭৫ টাকা করে দিতে হবে। এই ভাড়া বাড়ানোর রেলের আয় হবে বাড়তি প্রায় ৭০ কোটি টাকা।

নতুন এই ৪৮টি ট্রেন যোগ হওয়ার ফলে মোট সুপারফাস্ট ট্রেনের সংখ্যা দিয়ে দাঁড়াল ১০৭২টি।

কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় ট্রেনগুলির সময়ে চলা নিয়ে। রেলের সূত্রে যা তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, জুলাই, আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর, এই তিন মাসে মোট ৮৯০টি সুপারফাস্ট ট্রেন দেরিতে চলেছে। এর মধ্যে জুলাইয়ে ১২৯টি, আগস্টে ১৪৫ এবং সেপ্টেম্বরে ১৮৩টি ট্রেন এক থেকে তিন ঘন্টা দেরিতে চলেছে। জুলাইয়ে ৩১ এবং আগস্টে ৩৭টি ট্রেন তিন ঘণ্টার বেশি দেরিতে চলেছে। আধ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা দেরিতে চলা ট্রেনের সংখ্যা যথাক্রমে জুলাইয়ে ১৯৬, আগস্টে ১৮৬ এবং সেপ্টেম্বরে ২৪০।

জুলাই, আগস্ট এবং সেপ্টেম্বরে পনেরো মিনিট থেকে আধ ঘণ্টা দেরিতে চলেছে যথাক্রমে ৩২৬, ২৮৭ এবং ২৮৬টি সুপারফাস্ট ট্রেন। সময়নিষ্ঠতার হিসেবে ভারতীয় রেলের স্কোর ৭৩ শতাংশ, যেটা আদৌ কোনো ভালো খবর নয়। শীতের মরসুম আসন্ন, এখনই কুয়াশার চাদরে ঢাকতে শুরু করেছে উত্তর ভারত। এর মধ্যে ট্রেন যে আদৌ সময়ে চলবে না, তা এখনই বলে দেওয়া যায়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here