খবরঅনলাইন ডেস্ক: ‘প্রক্সি’ দিয়ে জয়েন্ট পরীক্ষায় সেরা হওয়ার অভিযোগ। অসমের গ্রেফতার হলেন বাবা-ছেলে। জানা গিয়েছে নীল নক্ষত্র দাস নামে ওই ছাত্রের বদলে ‘প্রক্সি’ পরীক্ষার্থী জয়েন্টে বসেছিল!

এমন নজিরবিহীন ঘটনায় বিস্মিত পুলিশ। ঘটনায় নীল নক্ষত্র ও তাঁর চিকিৎসক বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার আরও তিন জন।

জয়েন্টে ৯৯.৮ নম্বর পেয়ে জয়েন্টে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন নীল। তাঁর বাবা জ্যোতির্ময় দাস চিকিৎসক। কিন্তু মিত্রদেব শর্মা নামে এক ব্যক্তি নীল ও তাঁর বাবার বিরুদ্ধে কামরূপ মেট্রোর আজারা থানায় এফআইআর করেছেন। তাঁর দাবি, আজারার ই-কম টাওয়ারে আইওএন ডিজিটাল জ়োনের পরীক্ষাকেন্দ্রে নীলের বদলে অন্য যুবক জয়েন্টে বসেছিল।

নীলের সঙ্গে বন্ধুর কথাবার্তার অডিও ক্লিপ প্রমাণ হিসেবে জমা দিয়েছেন মিত্রদেব। ওই অডিও বার্তায় শোনা যায় যে এক বন্ধুকে নীল জানাচ্ছেন, প্রক্সি পরীক্ষার বন্দোবস্ত করতে তাঁর বাবাকে ২০ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়েছে।

এই অভিযোগের পর তদন্তে নামে পুলিশ। তাতে মিত্রদেবের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়। প্রাথমিক তদন্তে পরীক্ষায় কারচুপির প্রমাণ পেয়ে পুলিশ বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করে। সেই সঙ্গে, এই চক্রে জড়িত হেমেন্দ্র নাথ শর্মা, প্রাঞ্জল কলিতা ও হীরুকমল পাঠক নামে তিন জনকে এ দিন গ্রেফতার করেছে।

কিন্তু পরীক্ষার্থীর ছবি-সহ অ্যাডমিট কার্ড থাকার পরেও কী করে প্রক্সি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিল তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ। সে ক্ষেত্রে এই চক্রে পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জড়িত থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পশ্চিম গুয়াহাটি পুলিশ জেলার এসিপিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

খবরঅনলাইনে আরও পড়তে পারেন

আরোগ্য সেতু অ্যাপ নিয়ে জলঘোলা, তথ্য কমিশনের আদেশ অনুসারে পদক্ষেপ করছে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন