খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজব রাজ্য উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh)। এখানে নির্যাতিতার হয়ে বিচার চাইতে গেলে পুলিশে মামলা দায়ের হয়ে যায়। আর অভিযুক্তদের সমর্থনে তথাকথিত উচ্চবর্ণের মানুষজন প্রকাশ্যে হুমকি দিলেও তাদের বিরুদ্ধে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ঠিক যেমন এখন হচ্ছে।

হাথরস-কাণ্ডে অভিযুক্তদের হয়ে প্রকাশ্যে গলাবাজি করেছেন তথাকথিত উচ্চবর্ণের সংগঠন রাষ্ট্রীয় সবর্ণ পরিষদের  জাতীয় অধ্যক্ষ পণ্ডিত পঙ্কজ ধবরৈয়া। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া তো দূর, তাঁর জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে পুলিশ।

আর অন্য দিকে নির্যাতিতার হয়ে বিচার চাইতে যাওয়া চন্দ্রশেখর আজাদ এবং বিরোধী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ষড়যন্ত্রের মামলা করেছে পুলিশ। রাজ্যের ১৯টা জায়গায় এই মর্মে এফআইআর দায়ের হয়েছে। সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর পাশাপাশি দেশদ্রোহিতার অভিযোগও আনা হয়েছে।

বিরোধী নেতাদের অভিযোগ, সবর্ণ সমাজ যা চাইছে, কার্যত সেটাই যোগী সরকার মেনে নিয়েছে। সবর্ণ সমাজের দাবি মেনেই পরিবারের নার্কো পরীক্ষার সুপারিশ করেছে সিট। এ দিকে যোগী আদিত্যনাথই দু’ দিন আগে দাবি করেছেন, তাঁর রাজ্যের উন্নয়ন দেখে যারা হতাশ, তারাই নাকি হাথরসের ঘটনাটিকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখাচ্ছে।

করোনার জন্য বিধিনিষেধ রয়েছে। সেই বিধিনিষেধ ভেঙে নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কারণে আজাদদের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা হয়েছিল। কিন্তু অল্প জায়গায় সাত-আটশো লোক জড়ো করলেও সবর্ণ পরিষদের বিরুদ্ধে এমন মামলা হয়নি। 

ফলে হাথরস-কাণ্ডের নির্যাতিতা এবং তাঁর পরিবার সুবিচার কতটা পাবেন, সে প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়।

খবরঅনলাইনে আরও পড়তে পারেন

কোভিড-নেগেটিভ না হয়েও বেপরোয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প, হোয়াইট হাউসে ফিরেই খুলে ফেললেন মাস্ক

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন